image

আজ, মঙ্গলবার, ১৯ নভেম্বর ২০১৯ ইং

আমাজন: ‘আমাদের বাড়িঘর জ্বলছে’

ফজলুর রহমান    |    ০০:০৭, আগস্ট ২৬, ২০১৯

image

আমাজন জ্বলছে। তিন সপ্তাহ ধরে জ্বলছে পৃথিবীর ফুসফুস। দাউ দাউ করে জ্বলছে। দাবানল বলে যাকে। এই আগুন বদলে দিতে পারে পৃথিবীর জলবায়ু কাঠামোও। তাই কেবল দক্ষিণ আমেরিকা নয়, পৃথিবীর মানচিত্রও ভাবছে তা নিয়ে।

আমাজনের আগুন পৃথিবীর পরিবেশ ও জলবায়ুর জন্য এটা নিশ্চিতভাবেই শঙ্কার খবর। এভাবে চলতে থাকলে ‘কার্বন ছাকনি’ বা ‘পৃথিবীর ফুসফুস’ হিসেবে পরিচিত চিরসবুজ এ বন তার কার্বন শোষণ ক্ষমতা হারাবে। ‘পরিবেশগত বিপর্যয়’ ঘনিয়ে আসছে বলেও মনে করছেন কেউ কেউ। এরইমধ্যে কালো ধোঁয়ায় ছেয়ে গিয়েছে প্রায় ২০০০ কিলোমিটার দুরের আকাশও।আমাজনের বিস্তীর্ণ এলাকার প্রবল ক্ষতিও হয়েছে।

আমাজন জঙ্গল হলো দক্ষিণ আমেরিকারআমাজন নদী বিধৌত অঞ্চলে অবস্থিত বিশাল বনভূমি। ৭০ লক্ষ বর্গকিলোমিটার অববাহিকা পরিবেষ্টিত এই অরণ্যের প্রায় ৫৫ লক্ষ বর্গ কিলোমিটার এলাকাটি মূলত আর্দ্র জলবায়ু দ্বারা প্রভাবিত। ৯ টি দেশ জুড়ে এই অরণ্য বিস্তৃত। আমাজন অরণ্য ৬০% রয়েছে ব্রাজিলে, ১৩% রয়েছে পেরুতে এবং বাকি অংশ রয়েছে কলম্বিয়া, ভেনেজুয়েলা, ইকুয়েডর, বলিভিয়া, গায়ানা, সুরিনাম এবং ফরাসি গায়ানা। পৃথিবী জুড়ে যে রেইনফরেস্ট তার অর্ধেক টাই এই অরণ্য নিজেই। 

আমাজনে কি কি আছে?
ভৌগোলিকভাবে বিশ্বের বৃহত্তম অরণ্য আমাজনের জঙ্গল। আয়তনে যুক্তরাষ্ট্রের আয়তনের প্রায় অর্ধেক।  নানা রকম প্রজাতির বাসস্থান হিসেবে সমৃদ্ধ এই আমাজন। এই বনে প্রায় ৩৯০ বিলিয়ন বৃক্ষ রয়েছে যেগুলো প্রায় ১৬০০০ প্রজাতিতে বিভক্ত। কয়েক হাজার কোটি সংখ্যক গাছ রয়েছে এই বিশাল বনভূমিতে। আমাজন অরণ্যাঞ্চলে তিরিশ লক্ষ প্রজাতির প্রাণী ও উদ্ভিদ রয়েছে। সেখানে বসবাস করেন ১০ লাখ ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠির মানুষ। সোনা-রুপা-হীরা ছাড়া তেল-গ্যাস প্রভৃতি মূল্যবান খনিজ পদার্থের ভাণ্ডার এ বন। এসব খনিজ পদার্থ অন্বেষণের জন্য গাছপালা কেটে ও আগুন দিয়ে বন পুড়িয়ে সাফ করা হয়।

পৃথিবীর ফুসফুস: গবেষকদের মতে, এ বন প্রতিবছর ২০০ কোটি টন কার্বন-ডাই-অক্সাইড শোষণ করে। পৃথিবীর ২০ শতাংশ অক্সিজেনের আমদানি হয় ওই বৃষ্টি-অরণ্য থেকে।  সে কারণে একে ডাকা হয়ে থাকে ‘পৃথিবীর ফুসফুস’ নামে। বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধির হারকে ধীর করতে আমাজনের ভূমিকাকে বিশেষ গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হয়। এই বনাঞ্চল বৈশ্বিক উষ্ণায়ন নিয়ন্ত্রণের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। প্রকৃতি বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বিশ্বের সবচেয়ে বড় এই চিরহরিৎ বনাঞ্চল আমাজনে বিপুল পরিমাণ কার্বন জমা রয়েছে। এই জঙ্গলই বিশ্ব উষ্ণায়নের গতি খানিকটা ধীর রেখেছে। কিন্তু গাছ যখন কাটা হয়, অথবা পুড়িয়ে ফেলা হয়, তখন যে কার্বন গাছের মধ্যে সঞ্চিত থাকে তা বায়ুমণ্ডলে আবার মিশে যায় এবং উষ্ণমণ্ডলীয় এসব বৃক্ষের কার্বন শুষে নেওয়ার ক্ষমতা হ্রাস পায়।

আমাজনের আগুন: ব্রাজিলে আমাজনের জঙ্গলে হাজার হাজার জায়গায় আগুন জ্বলছে। গত এক দশকে এত ব্যাপক মাত্রায় সেখানে দাবানল সৃষ্টি হয়নি। ব্রাজিলের আমাজোনাস, রন্ডোনিয়া, পারা ও মাতো গ্রোসো এলাকার বিস্তীর্ণ অঞ্চলে আগুন ছড়িয়ে পড়েছে । বৃষ্টিতে আচ্ছন্ন অঞ্চল হওয়ায় বছরের বেশিরভাগ সময় এই জঙ্গলে আদ্রতা বজায় থাকে। তবে জুলাই-অগাস্ট মাসে আমাজনের আবহাওয়া কিছুটা শুষ্ক হয়ে ওঠে। শুকনো মৌসুমে আমাজনের জঙ্গলে দাবানল একটা প্রচলিত ঘটনা। এই দাবানল তৈরি হতে পারে প্রাকৃতিক কারণে, যেমন বাজ পড়লে। তবে স্থানীয় পরিবেশবিদদের ধারণা, এই আগুন প্রাকৃতিক কারণ নয়। দাবানল নয়। বরং আমাজনের এই আগুনের পিছনে রয়েছে মানুষের ষড়যন্ত্র। চাষ ও বাসের জমি পাওয়ার জন্য স্থানীয় লোকজন জঙ্গলের গাছ কাটা ও আগুন ধরানো শুরু করেছে বলে জানা যাচ্ছে।

ব্রাজিলের অবস্থা: ব্রাজিলের সরকারি হিসাব বলছে, সরকারি হিসাব বলছে এবছরের প্রথম আট মাসে ব্রাজিলের জঙ্গলে ৭৫ হাজারের বেশি দাবানল হয়েছে। ২০১৩ সালের পর এই সংখ্যা সবচেয়ে বেশি। পুরো ২০১৮ সালে বনাঞ্চলে মোট আগুন লাগার সংখ্যা ছিল ৩৯,৭৫৯। আগুন থেকে কুণ্ডলি পাকিয়ে ওঠা ধোঁয়া আমাজনের গোটা এলাকা জুড়ে এবং আশেপাশে ছড়িয়ে পড়েছে।

ইউরোপীয় ইউনিয়নের কোপারনিকাস অ্যাটমসফিয়ার মনিটরিং সার্ভিসের (ক্যামস্) তথ্য অনুযায়ী এই ধোঁয়া ছড়িয়ে পড়েছে আটলান্টিকের উপকূল পর্যন্ত। এমনকি ২০০০ মাইলেরও (৩,২০০ কিমি) বেশি দূরে সাও পাওলোর আকাশ এই ধোঁয়ায় অন্ধকার হয়ে গেছে। এই আগুন থেকে ব্যাপক পরিমাণ কার্বন ডাইঅক্সাইড নির্গত হচ্ছে, যার পরিমাণ এবছর ২২৮ মেগাটনের সমপরিমাণ দাঁড়িয়েছে। ক্যামস্ সংস্থাটি বলছে এই পরিমাণ ২০১০-এর পর সবচেয়ে বেশি। এই ধোঁয়া থেকে কার্বন মনোক্সাইডও নির্গত হচ্ছে। কাঠ পোড়ালে সচরাচর এই গ্যাস নির্গত হয়। ক্যামস্ যে মানচিত্র প্রকাশ করেছে তাতে দেখা যাচ্ছে খুবই চড়া মাত্রায় বিষাক্ত এই গ্যাস কার্বন মনোক্সাইড দক্ষিণ আমেরিকার উপকূল ছাড়িয়ে এখন আরও দূরে ছড়িয়ে পড়ছে।

ব্রাজিলের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা দ্য ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট ফর স্পেস রিসার্চ (ইনপে) জানিয়েছে, গত বছরে এই একই সময়ের তুলনায় চলতি বছরে ৮৩ শতাংশ বেশি আগুন লাগার ঘটনা ঘটেছে।  ২০১৮ সালে সব মিলিয়ে ৭৫০০ কিলোমিটার বনাঞ্চল হারিয়ে গেছে, যা ২০১৭ সালের তুলনায় ৬৫ শতাংশ বেশি। ২০১৯ সালে আপাতত যে পরিসংখ্যান পাওয়া গেছে তা থেকে মনে করা হচ্ছে যে, আমাজন বনাঞ্চল উজাড় হওয়ার এই হার তিন গুণ বেড়ে গেছে। শুধু গত মাসেই ২২০০ কিলোমিটার বনাঞ্চল পুড়ে গেছে, যা গত বছরের জুলাই মাসের তুলনায় ২৮০ শতাংশ হারে বেশি। দাবানলে প্রতি মিনিটে আমাজনের প্রায় ১০,০০০ বর্গমিটার এলাকা পুড়ে যাচ্ছে, যা একটি ফুটবল মাঠের প্রায় দ্বিগুণ আয়তনের সমান (একটি ফুটবল মাঠের আয়তন প্রায় ৫ হাজার ৩৫১ বর্গমিটার)।

এই আগুনের প্রভাব পড়েছে আরো যেসব দেশে : ৭.৪ বর্গ কিলোমিটার এলাকা বিস্তৃত আমাজন বেসিনের আরও বেশ কিছু দেশ এ বছরের ব্যাপক দাবানলের কবলে পড়েছে। ব্রাজিলের পর দ্বিতীয় সর্বাধিক আগুনের ঘটনা ঘটেছে ভেনেজুয়েলায়। সেখানে দাবানল হয়েছে ২৬ হাজারটি। তৃতীয় স্থানে রয়েছে বলিভিয়া যেখানে আগুনের ঘটনা ঘটেছে ১৭ হাজারের বেশি।

চিরহরিৎ অরণ্যগুলিতে দাবানল: নাসার সহযোগিতায় আমেরিকা ও কানাডার বিজ্ঞানীদের সাম্প্রতিক গবেষণা, ‘আর্কটিক-বোরিয়াল ভালনারাবিলিটি এক্সপেরিমেন্ট (অ্যাবাভ)’ জানাচ্ছে, বৃষ্টি-অরণ্য (রেইন ফরেস্ট) বা চিরহরিৎ অরণ্যগুলিতে দাবানলের ঘটনা আগের চেয়ে অনেকটাই বেড়ে গিয়েছে। ওই অরণ্যগুলিতে ঘন ঘন দাবানল হচ্ছে। বেড়েছে সেই দাবানলের প্রাবল্য। বেড়েছে ভয়াবহতাও।

গবেষণাপত্রটি প্রকাশিত হয়েছে আন্তর্জাতিক বিজ্ঞান-জার্নাল ‘নেচার’-এর গত ১৬ অগস্ট সংখ্যায়। নাসার বিজ্ঞানীরা গবেষণাটি চালিয়েছেন উত্তর-পশ্চিম কানাডার বোরিয়াল বৃষ্টি-অরণ্যের উপর। তবে তাদের বক্তব্য, এই পর্যবেক্ষণ আমাজনের মতো অন্য বৃষ্টি-অরণ্যগুলির ক্ষেত্রেও সঠিক প্রমাণিত হতে পারে।

গবেষকরা দেখেছেন, দাবানলের সংখ্যা ও প্রাবল্য অনেকটাই বেড়ে যাওয়ার ফলে গাছের পাতা, কাণ্ড, ডালপালা পুড়ে গিয়ে কার্বন মনোক্সাইড ও কার্বন ডাই-অক্সাইডের মতো গ্রিনহাউস গ্যাসগুলো আরো বেশি পরিমাণে বাতাসে জমা করছে। সেই সঙ্গে মাটির নিচে থাকা কার্বনও পুড়ে গিয়ে বাতাসের কাঁধে গ্রিনহাউস গ্যাসের বোঝাটা অসম্ভব ভারী করে তুলছে। উত্তরোত্তর। যা পৃথিবীর ‘জ্বর’ বা উষ্ণতা বাড়ানো আরো দ্রুত, আরো বেশি হারে বাড়ানোর রাস্তাটাকে খুলে দিচ্ছে।

বোরিয়ালে এর আগের কোনো দাবানলেই মাটির নিচে থাকা কার্বন কিন্তু উপরে উঠে এসে এ ভাবে পরিবেশের এতটা ক্ষতি করেনি। কিন্তু এই গবেষণা দেখায়, ২০১৪ সালের দাবানলে বোরিয়াল অরণ্যের যে অংশটি পুড়ে ছাই হয়ে গিয়েছিল, তার অন্তত ১২ শতাংশেই মাটির নিচে শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে লুকিয়ে থাকা কার্বন মাটির উপরে উঠে এসে পুড়ে গিয়ে বাতাসে বিষের বোঝা ভারী করেছে।

আরিজোনা বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাটমস্ফেরিক সায়েন্স বিভাগের অ্যাসোসিয়েট প্রফেসর বিজ্ঞানী কুমার রঙ্গনাথন বলেন, ‘আমরা হিসাব করে দেখেছি, বোরিয়ালের শুধু ওই ১২ শতাংশ অরণ্য পুড়ে যাওয়ার ফলেই ৮৮ লাখ টন কার্বন বাতাসে মিশেছে। অথচ তার আগে যতো দাবানল হয়েছে বোরিয়ালে, সেই সবক’টির ফলে মাটির নিচে লুকনো মোট ১০ কোটি ৪০ লাখ টন কার্বন উপরে উঠে এসে পরিবেশে মিশেছিল! তা হলে চিন্তা করে দেখুন, দাবানলের ঘটনা ও প্রাবল্য বেড়ে যাওয়ার ফলে কী ভয়ঙ্কর অবস্থা হয়েছে বোরিয়াল অরণ্যের ওই অংশে। শুধু ২০১৪ সালেই!’

আমরা মানবদেহে দেখি, ফুসফুস ক্যান্সারের প্রধান কারণ তামাক গ্রহণ। প্রতিদিন যারা দুই থেকে তিন প্যাকেট সিগারেট সেবন করেন এবং ২০ থেকে ৩০ বছর ধরে সেবন করেন, এদের মধ্যে ৯০ ভাগ লোকের ফুসফুসে ক্যান্সার হওয়ার আশঙ্কা থাকে। ফুসফুসের ক্যান্সার নিরাময়যোগ্য না হলেও এর কারণটি প্রতিরোধযোগ্য। ধূমপান এর প্রধান কারণ। জনসচেতনতা সৃষ্টির মাধ্যমে ধূমপান প্রতিরোধ করা গেলে এ রোগের উদ্ভব ও প্রতিরোধ করা যাবে বহুলাংশে। কাজেই সচেতনতা তৈরির মাধ্যমে নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব।

দেহের ফুসফুসের এই প্রেক্ষাপট আমাজনের জন্যও প্রযোজ্য। কারণ ফুসফুস দেহের সব জায়গায় নয়, একটি নির্দিষ্ট জায়গায় থাকে। আর পৃথিবী যদি দেহ হয় এর ফুসফুস কিন্তু এই আমাজন। যেভাবে পুড়ে ছাই হয়ে যাচ্ছে ফুসফুস আমাজন, তাতে খুব তাড়াতাড়ি পৃথিবীর জলবায়ুর কাঠামো বদলে যেতে পারে বলে আশঙ্কা পরিবেশবিদদের। তাই এই ফুসফুসের নিরাময় ও প্রতিরোধে এখনই নেমে পড়া প্রয়োজন।

জলবায়ু কাঠামো এমনিতেই বিপদাপন্ন। বিভিন্ন গবেষণায় তা উঠে আসছে। গত ২২ আগস্ট যুক্তরাষ্ট্রের খ্যাতনামা Massachusetts Institute of Technology (MIT) থেকে “Climate change could pose danger for Muslim pilgrimage” শীর্ষক একটি স্টাডি প্রকাশ করা হয়। এতে বলা হয় –‘‘ হজ হলো বিশ্বের জনসংখ্যার প্রায় ১.৮ বিলিয়ন মুসলমানের জন্য,  বিশ্ব জনসংখ্যার প্রায় এক-চতুর্থাংশ  মানুষের জন্য একটি ইবাদত। যদি স্বাস্থ্য ও আর্থিক অনুমতি দেয় তবে অবশ্যই জীবনে কমপক্ষে একবার হজ পালন করতে হবে। হজ হিসাবে পরিচিত এই আচারের মধ্যে প্রায় পাঁচ দিনের কার্যক্রম অন্তর্ভুক্ত থাকে, যার মধ্যে 20 থেকে ৩০ ঘন্টা খোলা বাতাসে বাইরে থাকতে হয়। তবে জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে ক্রমবর্ধমান ঝুঁকি রয়েছে যে আসন্ন বছরগুলিতে, সৌদি আরবের যে জায়গাগুলিতে হজ সংঘটিত হবে সেখানে তাপ ও আর্দ্রতার পরিস্থিতি আরও খারাপ হতে পারে। ক্ষতিকারক স্বাস্থ্যের প্রভাব থেকে লোকেরা "চরম বিপদের" মুখোমুখি হবে। সুতরাং এই সম্ভাব্য অনিরাপদ অবস্থার জন্য প্রস্তুতি নেওয়া সৌদি আরবের কর্মকর্তাদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ হবে। অংশগ্রহণকারীদের জন্য কিছুটা শীতল করার জন্য বাইরের জায়গাগুলিতে কিছুটা জল অথবা একটি কুয়াশা সরবরাহ করা যেতে পারে। উপচে পড়া ভিড় হ্রাস করার জন্য কয়েকটি স্থান প্রশস্ত করা যেতে পারে। অংশগ্রহণকারীদের সংখ্যাকে কঠোরভাবে সীমাবদ্ধ করাও জরুরি হয়ে পড়েছে।’’ 

ফুসফুস পুড়ছে। দেবালয়ও সংকটের মুখোমুখি। কোথাও কেউ নিরাপদ নন। বিপদটা গ্রহন বা বর্জন করা যায়। তবে এড়ানো যাবে না। তাই আমাজন বনাঞ্চলে চলতি বছরের রেকর্ড সংখ্যক অগ্নিকাণ্ডকে ‘আন্তর্জাতিক সংকট’ হিসেবে বর্ণনা করেছেন ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমান্যুয়েল ম্যাক্রোঁ। টুইটারে ম্যাক্রোঁ লিখেছেন, ‘আমাদের বাড়িঘর জ্বলছে।’

লেখক:  সহকারী রেজিস্ট্রার,চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (চুয়েট)।



image
image

রিলেটেড নিউজ

Los Angeles

১৪:২১, জুলাই ১৫, ২০১৯

গাছে গাছে জীবনের গন্ধ পান শিল্পী হালিম


Los Angeles

১১:২১, মার্চ ৩০, ২০১৯

স্বাভাবিক মৃত্যুর গ্যারান্টি !


Los Angeles

১৪:০৬, জানুয়ারী ১৫, ২০১৯

পালক পালক সময় 


Los Angeles

১৯:১৬, ডিসেম্বর ১৪, ২০১৮

আত্মবিলাপ


Los Angeles

১৯:০৬, ডিসেম্বর ১৪, ২০১৮

পৃথিবীর ৪ বড় বই


Los Angeles

১৭:১১, ডিসেম্বর ১৪, ২০১৮

মৃত্যুর মুখে দাঁড়িয়ে জীবনের গান


image
image
image

আরও পড়ুন

Los Angeles

১৯:৫০, নভেম্বর ১৮, ২০১৯

কুতুবদিয়ায় আবারও শ্রেষ্ঠ প্রাথমিক শিক্ষিকা নির্বাচিত হলেন মুক্তা


Los Angeles

১৭:৫১, নভেম্বর ১৮, ২০১৯

বাইশারীতে সাজাপ্রাপ্ত এক আসামী গ্রেপ্তার