image

আজ, বুধবার, ২৩ অক্টোবর ২০১৯ ইং

ডিজিটাল যুগেও বাঁশখালীর এক গ্রামে শেষ ভরসা বাঁশের সাঁকো

শিব্বির আহমদ রানা, বাঁশখালী সংবাদদাতা    |    ০০:৫২, সেপ্টেম্বর ৩, ২০১৯

image

সুপেয় পানি ও জলাবদ্ধতায় ভোগান্তির যেন শেষ নেই চট্টগ্রামের বাঁশখালী উপজেলার শিলকূপ ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের মনকিচর গ্রামের ৪০টি পরিবারের। তিন শতাধিক মানুষের যাতায়াতের একমাত্র সড়ক শেখ ওয়াজেদ আলী চৌধুরী সড়কটি যখন বিলীন হয়ে রূপ নিয়েছে দ্বীপে। তখন সড়কের প্রায় এক হাজার ফুট দীর্ঘ পথ বিলীন হয়ে যাওয়ায় নির্মাণ করা হয়েছে বাঁশের সাঁকো। এ সাঁকোটিই যেন তাদের যাতায়াতের শেষ ভরসা। 

স্কুল-কলেজে পড়ুয়া ওই পরিবারগুলোর ছেলে-মেয়েদেরও নিত্য ঝুঁকি নিয়ে পারাপার হতে হয় এ সাঁকো দিয়েই। এতে কখনো কখনো পানিতে পড়ে গিয়ে হারিয়ে যায় স্কুলের ব্যাগভর্তি বইখাতা। একেই তো সড়কের বেহাল দশা তার উপর বিদ্যুৎ বিহীন নোয়াপাড়ার লোকজন ভুগছে বিশুদ্ধ পানীয় জলের সমস্যায়।

সোমবার (২ সেপ্টেম্বর) সরেজমিনে মনকিচর গ্রামের নোয়াপাড়ার গিয়ে দেখা যায়, মানুষ পানিবন্দি জীবন ও সুপেয় পানির জন্য সাঁকো পার হয়ে পানি সংগ্রহে যাচ্ছে। আঁকাবাঁকা এই বাঁশের সাঁকোতে চলতেও অনেকে ভয় পায়। আবার পানি সংগ্রহে যাওয়ার সময় কেউ কেউ সাঁকো থেকে নিচের জলাবদ্ধ পানিতেও পড়ে যায়। 

ভুক্তভোগীদের মধ্যে জাফর আহমদ, শাকেরা বেগম জাহানারা বেগম, রেহেনা বেগম ও রহিমা বেগমের সঙ্গে কথা বললে তারা জানান, দীর্ঘ এক বছর যাবত তারা পানীয় জলের সমস্যায় ভুগছে। নোয়াপাড়ায় ৪০টি পরিবার মিলে একটিও নলকূপও নেই। একই সঙ্গে জলাবদ্ধতা তাদের স্বাভাবিক জীবনযাপনকে স্থবির করে তুলেছে। সাঁকো পার হয়ে আছরের সময় দীর্ঘ আধা কিলোমিটার পথ পাড়ি দিয়ে গ্রামের আলী আহমদ মাঝির বাড়ি থেকে বিশুদ্ধ খাবার পানি সংগ্রহ করতে হয় তাদের। 

তারা অভিযোগ করেন, আধা কিলোমিটার পথ পাড়ি দিয়ে পানি সংগ্রহ করতে গেলেই সেখানে হয়না দুর্ভোগের। বিদ্যুৎ নির্ভর ওই নলকূপ থেকে পানি সংগ্রহের জন্য গেলে কখনো কখনো বিদ্যুৎ না থাকায় পানীয়জলের প্রাপ্তি আর হয়না। 

নোয়াপাড়া গ্রামবাসীদের দুর্ভোগ যেন দেখার কেউ নেই। ফলে তারা এ ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সুদৃষ্টি কামনা করেন।

স্থানীয় ইউপি সদস্য সিদ্দিক আকবর বাহাদুর জানান, আধা কিলোমিটার সড়কটির আড়াইশ ফুট পানিতে বিলীন হয়ে গেছে। অস্থায়ীভাবে গ্রামীণ মানুষদের চলাচলের জন্য নিজ উদ্যোগে সাঁকো নির্মাণ করি। ৪০টি পরিবারের এলাকায় একটি নলকূপও না থাকায় দূরবর্তী স্থান থেকে ঝুঁকি নিয়ে সাঁকো পেরিয়ে পানি আনতে যায় গ্রামের বৌ-ঝিরা। এ সময় ওই স্থানে এখনো বিদ্যুতের আলো পৌঁছায়নি বলেও জানান তিনি।

এ ব্যাপারে ইউপি চেয়ারম্যান মো. মহসিনের সঙ্গে কথা বললে তিনি জানান, সড়কটির বেহাল দশার বিষয়ে তিনি অবগত রয়েছেন। এ সময় একটি মহল সড়কের জায়গাটি তাদের বলে দাবি করায় সেখানে আর কাজ করার সুযোগ হয়নি বলেও উল্লেখ করেন তিনি।



image
image

রিলেটেড নিউজ

Los Angeles

১৪:৪৩, অক্টোবর ১৭, ২০১৯

বাঁশখালীর প্রধান ডাকঘর ভবনের বেহাল দশা, হুমকীর মুখে গ্রাহকসেবা!


Los Angeles

১৮:৪০, অক্টোবর ১৬, ২০১৯

লোহাগাড়ায় ঝুঁকিপূর্ণ স্কুল ভবনেই চলছে শিক্ষা কার্যক্রম


Los Angeles

১৮:৩৩, অক্টোবর ১৬, ২০১৯

দুই দশকেও হৃষ্টপুষ্ট হয়নি মিরসরাইয়ের কয়লা পশ্চিম সোনাই উচ্চ বিদ্যালয়


Los Angeles

০০:৩২, অক্টোবর ১৫, ২০১৯

ইট-বালু বোঝাই গাড়ীতে বেহাল লোহাগাড়ার গ্রামীণ সড়ক


Los Angeles

২১:৩০, অক্টোবর ১৩, ২০১৯

লোহাগাড়ায় পল্লী বিদ্যূৎ'র ভুতুড়ে বিলে অতিষ্ঠ গ্রাহক


Los Angeles

০০:৩৭, সেপ্টেম্বর ১১, ২০১৯

লক্কর-ঝক্কর কাঠের পাঠাতনের ব্রীজই ভরসা চন্দনাইশবাসীর


Los Angeles

০০:৫২, সেপ্টেম্বর ৩, ২০১৯

ডিজিটাল যুগেও বাঁশখালীর এক গ্রামে শেষ ভরসা বাঁশের সাঁকো


Los Angeles

১৭:২৪, সেপ্টেম্বর ১, ২০১৯

লোহাগাড়ায় নির্মাণের ২০ বছর পেরোলেও সংস্কার হয়নি সড়ক


Los Angeles

০০:৪৫, আগস্ট ২৫, ২০১৯

বোয়ালখালীর পৌরসভার প্রধান সমস্যা ড্রেনেজ, সড়ক সংস্কার, জলাবদ্ধতা ও পয়নিষ্কাশন 


image
image
image

আরও পড়ুন

Los Angeles

০০:৫০, অক্টোবর ২৩, ২০১৯

রাউজানে লরির ধাক্কায় প্রাণ গেল বৃদ্ধের


Los Angeles

০০:২৮, অক্টোবর ২৩, ২০১৯

চন্দনাইশের দোহাজারীতে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে আহত বিদ্যুৎ শ্রমিকের ৭দিন পর মৃত্যু


Los Angeles

১৮:৪৪, অক্টোবর ২২, ২০১৯

প্রাণনাশের শঙ্কায় কর্ণফুলীতে দিদার চেয়ারম্যানের জিডি