image

আজ, সোমবার, ১৭ ডিসেম্বর ২০১৮ ইং

দুঃশাসনের বিরুদ্ধে জেগে উঠার আহব্বান নাগরিক ঐক্য প্রক্রিয়ার সমাবেশে

ঢাকা ব্যুরো    |    ২০:৩৬, সেপ্টেম্বর ২২, ২০১৮

image

নাগরিক ঐক্য প্রক্রিয়ার সমাবেশ মঞ্চের একাংশ

মহানগর নাট্যমঞ্চে শনিবার সন্ধ্যায় জাতীয় ঐক্যপ্রক্রিয়ার নাগরিক সমাবেশে যুক্তফ্রন্ট চেয়ারম্যান ও বিকল্পধারা বাংলাদেশের প্রেসিডেন্ট সাবেক রাষ্ট্রপতি অধ্যাপক এ.কিউ.এম বদরুদ্দোজা চৌধুরীর,ড.কামাল হোসেন,বিএনপি মহাসচিব মীর্জা ফকরুল ইসলাম আলমগীর, ব্যারিষ্টার মওদুূদ আহমেদ,আসম আব্দুর রবসহ যুক্ত ফ্রন্টের নেতারা বক্তব্য রাখেন,প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখতে গিয়ে ডাঃবি চৌধুরী বলেন জনগন সরাকারের কাছে  জানতে চায়, যে স্বাধীনতা আনতে লক্ষ লক্ষ মানুষ শহীদ হয়েছে, লক্ষ লক্ষ মা-বোনকে ইজ্জত দিতে হয়ে্ছে, এর মূল্যবোধ কোন আজ পদদলিত?দিন-রাত প্রতিটি ঘন্টা নিয়ে, আতংকে কোন থাকবে মা-বোনেরা, শংকায় থাকবে গুম, রাহাজানি নিয়ে, কেন পুলিশ, সহ আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী অপরাধীদের ছাড় দিবে?

কেন ঘুষ দুর্নীতিকে ‘স্পীড মানি’ বলে সরকারিকরণ করা হলো? সমস্ত জাতির নৈতিকতাবোধকে পদদলিত করা হলো? এই অধিকার কে দিয়েছে আপনাদের? 

তিনি আরো বলেন,নিরাপদ সড়কের দাবিতে কঁচি-কিশোরদের রাস্তায় নামতে হবে কেনো, কেন? তবে সরকারের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রনালয়ে কাজ কি?
কোটা সংস্কারের পক্ষে আমাদের আদরের ধন মেধাবী ছাত্রদের আন্দোলন করতে হচ্ছে, তাদের গুন্ডা দিয়ে, হাতুড়ি, চাপাতি দিয়ে আক্রমন করা হয়  এর জন্যই কি স্বাধীনতা? 

আপনাদের অপরাধের প্রতিবাদে কথা বলার জন্য সভা-সমাবেশ করার জন্য পুলিশের অনুমতি নিতে হবে, অথচ আপনারা যখন, তখন, যত্রতত্র সভা সমাবেশ করতে পারেন।

তিনি ভোট নিয়ে প্রশ্ন রাখেন তবে কি আমার ভোট আমি দিতে পারবো না? ভোটের অধিকারকে কেনো দলীয়করণ করা হলো। সারা পৃথিবীতে ইভিএম পরিত্যাক্ত, ইভিএম কেউ চায় না। তিনি প্রশ্ন রাখেন আপনাদের সুবিধার জন্য ইভিএম গ্রহণ করতে হবে 

তিনি বলেন  আমাদের রাষ্ট্র তুমি কোথায়? আমাদের স্বাধীনতাযুদ্ধের সঙ্গী আমাদের বন্ধু রাষ্ট্র কোথায়? কেন গঙ্গার পানি পাবো না, কেন বন্ধু রাষ্ট্র তিস্তার পানি দিবে না? এখনই রুখে দাঁড়ানোর সময়, এখন অধিকার আদায়ের সময়। প্রতিবাদের কণ্ঠ ধারালো করার সময়। তিনি গণতন্ত্রের স্বপক্ষ শক্তির সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহব্বান জানান তিনি বলেন স্বাধীনতার স্বপক্ষ শক্তির সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। একটি স্বেচ্ছাচারী, গণতন্ত্রবিরোধী সরকার গত ১০ বছরে  যে উদাহরণ সৃষ্টি করেছে, এমনি আবারো একটি অনুরূপ সরকারের ঝুঁকি আমরা নিতে পারি কি? সংসদে, মন্ত্রিসভায়, রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর মধ্যে ক্ষমতার ভারসাম্য সৃষ্টি করতেই হবে। না হলে স্বেচ্ছাচারমুক্ত বাংলাদেশের নতুন অধ্যায় সৃষ্টি করা যাবে না।

তিনি বলেন,আমার পবিত্র স্বাধীনতার বিরুদ্ধে, আমার পবিত্র পতাকার বিরুদ্ধে, লক্ষ , লক্ষ মানুষের রক্তে ভেজা, লক্ষ মানুষের চোখের পানিতে ভেজা এই মাটির বিরুদ্ধে যারা ছিল, যারা আছে তাদের সাথে ঐক্য করবো না। 

শুধুমাত্র স্বাধীনতার স্বপক্ষ শক্তিকে সাথে নিয়ে ভারসাম্যের ভিত্তিতে জাতীয় ঐক্য বেগবান হতে পারে বলে তিনি মনে করেন।তিনি আরো বলেন,
আমরা বিভিন্ন গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক দল, ব্যক্তি এবং বিএনপির সাথে আলোচনা করছি। আশা করি ফলপ্রসূ হবে।  

আসুন, সবাই ইতিবাচক স্বপ্নে জেগে উঠতে চাই। স্বপ্নভঙ্গের অধ্যায় রচনা করার জন্য নয়। সিদ্ধান্ত আপনার।

আমরা মাঠে যেতে চাইঃ রব

আমরা আর ঘরে থাকতে চাই না এবার আমাদেরকে মাঠে যেতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল জেএসডির সভাপতি আ স ম আব্দুর রব। 

শ‌নিবার রাজধানীর নাট্য মঞ্চে জাতীয় প্র‌ক্রিয়ার উ‌দ্যো‌গে কার্যকর গণতন্ত্র, আই‌নের শাসন ওজনগ‌নের ভোটাধিকার নি‌শ্চিত কর‌র ল‌ক্ষে জাতীয় ঐক্য গড়‌তে নাগ‌রিক সমা‌বে‌শে তি‌নি এসব কথা ব‌লেন।

তিনি বলেন, দেশের কোন ব্যংকে টাকা  নাই, খনিতে কয়লা নাই, সব লুট হয়ে গেছে। কবে মানচিত্র লুট হয়ে যাবে সেই চিন্তায় আছি।  সরকার উন্নয় করেছে তার সাথে লুটপাটও করেছে। এক টাকার উন্নয়ন করে আর একশত টাকা লুট করে। তাই আমাদেরকে এ সমস্ত অন্যয়ের প্রতিবাদে ঐক্যবদ্ধভাবে মাঠে নামতে হবে।   

তিনি বলেন, এই মুহূর্তে দেশে নির্বাচনকালীন সরকার প্রয়োজন। তবে নিরপেক্ষ সরকারে যারা থাকবে তারা নির্বাচন করতে পারবে না। এই মুহুর্তে দরকার জাতীয় ঐক্যের সরকার।

সং‌বিধান প্র‌নেতা ড. কামাল হে‌া‌সে‌নের সভাপ‌তি‌ত্বে সমা‌বে‌শে আরও উপ‌স্থিত ছি‌লেন বি চৌধু্র‌ি ,  বিএন‌পির স্থায়ী ক‌মি‌টির সদস্য খন্দকার মোশাররফ  হো‌সেন, ড. মঈন খান , ব্যা‌রিস্টার মওদ‌ুদ আহ‌মেদ, মহাস‌চিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী,  আসম আব্দুর রব প্রমুখ।

আজকের দিন নতুন মাইল ফলক: মওদুদ


জাতীয় ঐক্য প্রক্রিয়ার আজকের এই দিন দেশের গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনার জন্য নতুন মাইল ফলক নতুন যাত্রা বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমেদ।

তিনি বলেন,'আমরা আসা করছি অচিরেই জাতীয় ঐক্য প্রক্রিয়া অচিরেই আরও সুংগঠিত হবে এই স্বৈরাচার সরকারকে সরিয়ে দেয়ার জন্য।

শনিবার জাতীয় ঐক্য প্রক্রিয়ার নাগরিক সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন।

মওদুদ বলেন,'জাতীয় ঐক্য প্রক্রিয়া যারা শুরু করেছেন উদ্দ্যোগ নিয়েছেন তাদেরকে শুভেচ্ছা জানাই।অনেক দিন ধরে বলে অাসছি জাতীয় ঐক্য ছাড়া এই স্বৈরাচার সরকারকে অপসারন করা সম্ভব নয়।

পাচঁটি দাবি নিয়ে ঐক্য প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন,'গ্রেফতারকৃতদের মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার করতে হবে।ইভিএম বাতিল করতে হবে।নিরপেক্ষ সরকারের অধিনে নির্বাচন দিতে হবে।

আন্দোলনে জাতীয় ঐক্য প্রক্রিয়ার সাথে থাকার প্রত্যয় ব্যক্ত করে মওদুদ বলেন,'এই জালিমশাহী সরকারকে সরিয়ে দেয়ার জন্য যে কোন আন্দোলনে জাতীয় ঐক্য প্রক্রিয়ার সাথে থাকবে বিএনপি।

আজ শেখ হাসিনার নিরাপত্তা জন্যই এই জাতীয়  ঐক্য : জাফরুল্লাহ 

গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের ট্রাস্টি ডা.জাফরুল্লাহ চৌধুরী বলেছেন, ' প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নিরাপত্তার জন্যই আজ জাতিয় ঐক্য প্রক্রিয়া হয়েছে।

শনিবার বিকালে মহানগর নাট্যমঞ্চে জাতীয় ঐক্য প্রক্রিয়ার সভায় যোগ দিয়ে তিনি এ কথা বলেন।

জাফরুল্লাহ চৌধুরী বলেন, 'প্রধানমন্ত্রী যা বলেন, তা করেন না। উনার মূল পরামর্শদাতা ভারতীয় গোয়েন্দা সংস্থা র' ও ইসরায়িলের মোসাদ। ঐক্য প্রক্রিয়া শান্তির বাংলাদেশের জন্য। '

প্রধানমন্ত্রীকে উদ্দেশ্য তিনি বলেন, ' সোজা পথে আসেন। আপনার বাবা বঙ্গবন্ধুও নির্বাচনের আগে সংসদ ভেঙে দিয়েছিলেন, আপনিও নির্বাচনের আগে তা ভেঙে দিন এবং দেশে একটি সুষ্ঠু নির্বাচন দিন।

শান্তির বাংলাদেশ গড়তে আমরা এক হয়েছি: ড.কামাল


শান্তির বাংলাদেশ গড়ার জন্য আমরা সকলে এখানে উপস্থিত হয়েছি বলে মন্তব্য করেছেন গণফোরামের সভাপতি ড. কামাল হোসেন।

শনিবার বিকেলে রাজধানীর মহানগর নাট্যমঞ্চে জাতীয় ঐক্যের নাগরিক সমাবেশে স্বাগত বক্তব্যে তিনি একথা বলেন। 

ড.কামাল বলেন,আপনারা অনেক কষ্ট করে এখানে হাজির হয়েছেন। এই জন্য আমি আপনাদের অভিনন্দন জানাই। আমরা এমন এক সময় এখানে উপস্থিত হয়েছি যখন দেশে গণতন্ত্র নেই। জনগণ উদ্বেগ উৎকন্ঠার মধ্যে রয়েছে। জনগণের জানমালের নিরাপত্তা নেই।  দেশে কার্যকর গণতন্ত্র নেই। দুর্নীতি ও দুঃশাসনে ভরে গেছে দেশ। যখন দেশ থেকে দুর্নীতি ও দুঃশাসন দূর হবে তখন বাংলাদেশে শান্তি দৃশ্যমান হবে।

তিনি বলেন, জনগণ সকল ক্ষমতার মালিক। জনগণের মত প্রকাশের অধিকার প্রতিষ্ঠিত হতে হবে। সেই লক্ষ্যে সুস্পষ্ট ঘোষণা প্রণয়ণের জন্য আমরা এখানে একত্রিত হয়েছি। এখানে অনেক নেতা উপস্থিত হয়েছেন। আশা করি জনগণকে অনুপ্রেরিত করে বক্তব্য পেশ করবেন তারা। 

প্রোগ্রামের শুরুতে শ্লোগান ও বসার জায়গা সংকটে বিশৃঙ্খলা তৈরি হয়। অনুষ্ঠান পরিচালক বিশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থ হলে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ওঠে গিয়ে বলেন - আমরা জাতীয় ঐক্যের অনুষ্ঠানে অতিথি হয়ে এসেছি। শ্লোগান বন্ধ করে সুশৃঙ্খলভাবে অবস্থান করে সহযোগিতা করবেন অনুষ্ঠান সুন্দরভাবে পরিচালনার জন্য। পরে নেতাকর্মীরা শান্ত হয়। 

জাতীয় ঐক্য প্রক্রিয়ার সদস্য সচিব আ ব ম মোস্তফা আমিনের পরিচালনায় ও ড. কামাল হোসেনের সভাপতিত্বে মঞ্চে উপস্থিত রয়েছেন - বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ, ড. আবদুল মঈন খান, ভাইস চেয়ারম্যান নিতাই রায় চৌধুরী। এছাড়া ব্যারিস্টার মঈনুল হোসেন,  মুক্তিযোদ্ধা মোস্তফা মহসিন মন্টু, আওয়ামী লীগের সাবেক সংগঠনিক সম্পাদক সুলতান মনসুর আহমদ,গণফোরামের কার্যকরী সভাপতি সুব্রত চৌধুরী প্রমুখ উপস্থিত রয়েছেন।

খালেদার মুক্তি চাইলেন মান্না

কারাবন্দী বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া সহ সকল রাজবন্দীদের মুক্তি চেয়েছেন নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না।

শ‌নিবার রাজধানীর নাট্য মঞ্চে জাতীয় প্র‌ক্রিয়ার উ‌দ্যো‌গে কার্যকর গণতন্ত্র, আই‌নের শাসন ওজনগ‌নের ভোটাধিকার নি‌শ্চিত কর‌র ল‌ক্ষে জাতীয় ঐক্য গড়‌তে নাগ‌রিক সমা‌বে‌শে তি‌নি এসব কথা ব‌লেন।

মান্না বলেন, দেশ গভীর সংকটে। সাড়ে তিন নির্বাচন হওয়ার কথা রয়েছে। যদি এ সরকারের অধীনে নির্বাচন হয় তাহলে আবারো ২০১৪ সালের মত ৪২০ মার্কা নির্বাচন হবে। পুরা দেশের মানুষের মধ্যে একটাই আতঙ্ক আমরা কি ভোট দিতে পারবো? নাকি পুলিশ দিয়ে ভোট দিয়ে সরকার গঠন করবে। 

বর্তমান সরকার আমাদের কে পানিতে ফেলে দিয়ে সাতার কাটার কথা বলেন বলেও মন্তব্য করেন তিনি।   

প্রধান নির্বাচন কমিশনারের সমালোচনা করে তিনি বলেন, যে নির্বাচন কমিশন সুষ্ঠ নির্বাচন দিতে পারবে না সে নির্বাচন কমিশন আমাদের দেশে দরকার নেই।

সং‌বিধান প্র‌নেতা ড. কামাল হে‌া‌সে‌নের সভাপ‌তি‌ত্বে সমা‌বে‌শে আরও উপ‌স্থিত ছি‌লেন বি চৌধু্র‌ি, বিএন‌পির স্থায়ী ক‌মি‌টির সদস্য খন্দকার  মোশাররফ  হো‌সেন, ড. মঈন খান , ব্যা‌রিস্টার মওদ‌ুদ আহ‌মেদ, মহাস‌চিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী,  আসম আব্দুর রব প্রমুখ।

যে কোনো মূল্যে ঐক্য চান খালেদা জিয়া, নিজের কথা ভাবছেন নাঃ ফখরুল 

কারাবন্দি বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া যে কোনো মূল্যে জাতীয় ঐক্য গড়ার নির্দেশ দিয়েছেন বলে জানিয়েছেন দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। কারাগারে তিনি নিজের কথাও ভাবছেন না।

শনিবার বিকেলে মহানগর নাট্যমঞ্চে জাতীয় ঐক্য প্রক্রিয়ার নাগরিক সমাবেশে প্রধান বক্তা হিসেবে তিনি এসব কথা বলেন।

মির্জা ফখরুল বলেন, ‘মিথ্যা ও সাজানো মামলায় দেশনেত্রী খালেদা জিয়া আজকে স্যাঁতস্যাঁতে কারাগারে আটক আছেন। তিনি কারাগারে থেকে আমাদের খবর পাঠিয়েছেন- যে কোনো মূল্যে জাতীয় ঐক্য তৈরি করে এই সরকারকে সারাতে হবে। আমার কি হবে না হবে জানি না।’

বিএনপি মহাসচিব বলেন, দেশে যে দুঃশাসন চলছে, তা মানুষের আশা খান খান করে দিয়েছে। একদলীয় শাসনে নির্যাতিত হচ্ছে জনগণ। আর গণতন্ত্র রক্ষার আন্দোলন করতে গিয়ে আজকে খালেদা জিয়া কারাগারে।

তিনি বলেন, খালেদা জিয়া কারাগারে যাওয়ার আগে বলে গেছেন- দেশকে বাঁচাতে হলে, স্বাধীনতা রক্ষা করতে হলে জাতীয় ঐক্যের কোনো বিকল্প নেই। এই সরকারকে সরাতে হলে ঐক্যই হলো একমাত্র বিকল্প।

বিএনপি মহাসচিব বলেন, এই সরকারকে যদি সরিয়ে দিতে না পারি এদেশে স্বাধীনতা থাকবে না। আসুন, ন্যূনতম দাবির ভিত্তিতে আন্দোলন শুরু করি। তাহলে খালেদা জিয়া মুক্তি পাবে, দেশে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন হবে।

তিনি বলেন, জাতীয় ঐক্যের প্রক্রিয়া আজকে এক ধাপ এগিয়ে গেছে। আশা করি, আগামী দিনে তাদের নেতৃত্বে (জাতীয় ঐক্য প্রক্রিয়া নেতারা) এগিয়ে যেতে পারবো।



image
image

রিলেটেড নিউজ

Los Angeles

০০:৫৮, ডিসেম্বর ১৬, ২০১৮

বিজয়ের সাজে সেজেছে রাজধানী


Los Angeles

২৩:৩৭, ডিসেম্বর ১৫, ২০১৮

ঢাকা-২ আসনে বিএনপির প্রার্থী ব্যারিষ্টার ইরফান ইবনে আমান অমির গনসংযোগ


Los Angeles

০১:৫৩, ডিসেম্বর ১৫, ২০১৮

পাঁচ তলা থেকে ফেলে দেওয়া হলো ব্যবসায়ীকে!


Los Angeles

২৩:৫৩, ডিসেম্বর ১৪, ২০১৮

ধানমন্ডিতে ফজলে নুর তাপসের গণসংযোগ


Los Angeles

২১:৫২, ডিসেম্বর ১৩, ২০১৮

ঢাকা ১০ এ মহাজোট প্রার্থী তাপসের গণসংযোগ


image
image
image

আরও পড়ুন

Los Angeles

১৬:২৪, ডিসেম্বর ১৭, ২০১৮

রাঙ্গুনিয়ায় আনুষ্ঠানিক প্রচারণা শুরু করেছে ইসলামী ফ্রন্ট