image

আজ, রবিবার, ৯ আগস্ট ২০২০ ইং

নিজ প্রতিষ্ঠানের কর্মচারীই বাংলাদেশী বংশোদ্ভুত মার্কিন নাগরিক ফাহিমের খুনি

ডেস্ক    |    ১৫:৫৬, জুলাই ১৮, ২০২০

image

ইনসেট নিহত সালেহ সাদা পোষাকে ঘাতক তাসের

নিউইয়ার্ক সংবাদদাতাঃপ্রযুক্তি বিশেষজ্ঞ বাংলাদেশি বংশোদ্ভুত যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক ফাহিম সালেহ হত্যার ঘটনায় তার ব্যক্তিগত সহকারীকে গ্রেফতার করেছে নিউইয়র্ক পুলিশ। স্থানীয় সময় শুক্রবার ভোরে তাকে গ্রেফতার করা হয়। এরপর তার বিরুদ্ধে হত্যা মামলার চার্জ গঠন করা হয়।

রাইড শেয়ারিং অ্যাপ পাঠাওয়ের সহ-প্রতিষ্ঠাতা ফাহিমের ব্যক্তিগত সহকারী ২১ বছর বয়সী টাইরেস ডেভনের বিরুদ্ধে সেকেন্ড ডিগ্রি মার্ডার চার্জ (ইচ্ছাকৃতভাবে হত্যা) অভিযোগ গঠন করা হয়েছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছে নিউইয়র্ক পুলিশ।

উল্লেখ্য, গত ১৫ জুলাই ম্যানহাটনে নিজের অভিজাত অ্যাপার্টমেন্টে খুন হন ফাহিম সালেহ (৩৩)। লিফটের মধ্যে থাকা সিকিউরিটি ক্যামেরায় দেখা গেছে, অ্যাপার্টমেন্টের লিফটে ফাহিমের সঙ্গেই প্রবেশ করেছিল সম্পূর্ণ কালো পোশাক পরিহিত হত্যাকারী। পুলিশ যাকে তার ব্যক্তিগত সহকারী হিসেবে চিহ্নিত করেছে। লিফটে সে ফাহিমের সঙ্গে কিছু কথাবার্তাও বলেছিল। লিফট থেকে বের হওয়ার পর ফাহিমের পেছনে আসা হত্যাকারী তার হাত উঁচু করে। এরপরই ফাহিম মেঝেতে পড়ে যান। পুলিশের ধারণা, হত্যাকারী ট্যাজার গান দিয়ে বৈদ্যুতিক শক ছুড়ে মারায় জ্ঞান হারিয়ে ফেলেছিলেন ফাহিম।

এরপর লিফটের দরজা বন্ধ হয়ে যাওয়ায় পরের ঘটনাগুলোর ভিডিও রেকর্ড পাওয়া যায়নি। পরে তাকে অ্যাপার্টমেন্টের ভেতরে নিয়ে ছুরিকাঘাত করা  হয় বলে অনুমান পুলিশের। নিউ ইয়র্ক সিটির ময়নাতদন্তকারী চিকিৎসক জানিয়েছেন, গলা ও কাঁধে একাধিক ছুরিকাঘাতে নিহত হন ফাহিম।পুলিশ তাদের তদন্তে ফাহিমের খুনি তাইরেসের  কেনাকাটার তথ্য সংগ্রহ করে প্রমাণ পেয়েছে সে একটি ইলেট্রিক করাত কিনেছে,পুলিশের ফুলের মালার মতোই হত্যাকান্ডের কয়েকদিন পূর্বে তাইরেসের যাবতিয় তথ্য সাজিয়ে তার বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেছে।ফাহিমের প্রতিষ্ঠানে কাজ করাকালিন সময়ে তাইরেস প্রায় একলাখ ডলার আত্নসাত করে।এ কারনে ফাহিম তাকে চাকরিচ্যুত করে ডলার ফিরিয়ে দিতে সময় দিয়েছিলো।তবে মানবিক কারনে ফাহিম ডলার চুরির বিষয়টি পুলিশ কে অবহিত করেনি।নিউইয়র্কের পত্রিকা ঠিকানা স্হানিয় বাংলাদেশীদের কাছথেকে জানাগেছে, ঘাতক ফাহিম কে হত্যার পর লাশ টুকরো টুকরো করে ব্যাগে ভরতে পারলেও ফ্ল্যাট কেউ চলে আসায় তা সম্পন্ন করতে পারেনি।তাই লাশ ব্যাগে ফেলেই ফ্ল্যাটের পেছনের সিঁড়ি দিয়ে ঘাতক পালিয়ে যায়।নিউইয়র্ক পুলিশ ভবনের সিসি ফুটেজ বিশ্লেষণ করে এবং সন্দেহ ভাজন খুনি তাইসের কয়েকদিন শহরে চলাচলের সিসি ফুটেজ সংগ্রহ করে তার বিরুদ্ধে হত্যায় জড়িয় থাকার প্রমাণ পায়।হত্যাকান্ডে প্রমাণের সকল আলামতে পুলিশ অভিযোগ গঠনে নিশ্চিত হওয়ার পরই তাকে খুনের দায়ে আটকের ঘোষনা দেয়।তাসেরের বিরুদ্ধে পরিকল্পিত হত্যার অভিযোগ আনা হয়েছে।



image
image

রিলেটেড নিউজ

Los Angeles

২১:৪০, জুলাই ৫, ২০২০

বাংলাদেশ থেকে রোহিঙ্গারা মিয়ানমার ফিরে গেলেই অনুপ্রবেশকারী


Los Angeles

০১:০৬, মে ৯, ২০২০

করোনা নিয়ে তদন্তে নামছে চীন


image
image
image

আরও পড়ুন

Los Angeles

২০:৫৮, আগস্ট ৮, ২০২০

আনোয়ারায় নিখোঁজের ৪ ঘন্টা পর জেলের লাশ উদ্ধার


Los Angeles

২০:৪৯, আগস্ট ৮, ২০২০

বোয়ালখালীতে বৃদ্ধকে মারধরের অভিযোগ


Los Angeles

১৫:৩০, আগস্ট ৮, ২০২০

আনোয়ারায় নিখোঁজ তিন জেলে পরিবারে উৎকণ্ঠা