image

আজ, রবিবার, ৯ আগস্ট ২০২০ ইং

চ্যাডক্স১ এনকোভ-১৯ নামের এই ভ্যাকসিনটি নজিরবিহীন গতিতে তৈরি করেছেন

অক্সফোর্ডের করোনা ভাইরাস (কোভিড-১৯) ভ্যাকসিন সফল

ডেস্ক    |    ২১:৫১, জুলাই ২০, ২০২০

image

ব্রিটেনের অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞানীদের তৈরি নভেল করোনাভাইরাসের ভ্যাকসিন চ্যাডক্স১ এনকোভ-১৯ নিরাপদ এবং করোনার বিরুদ্ধে প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করতে সহায়ক বলে ঘোষণা দেয়া হয়েছে। সোমবার বিজ্ঞানবিষয়ক সাময়িকী ল্যানসেটে প্রকাশিত প্রথম ধাপের পরীক্ষার ফলে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

প্রথম ধাপে ১ হাজার ৭৭ জনের শরীরে ভ্যাকসিনটি পরীক্ষামূলকভাবে প্রয়োগ করা হয়েছিল। প্রাথমিক ফলাফলে দেখা গেছে, এই ভ্যাকসিনটি যাদের প্রয়োগ করা হয়েছিল, তাদের শরীরে অ্যান্টিবডি এবং শ্বেত রক্তকণিকা (হোয়াইট ব্লাড সেল) তৈরি করে; যা শরীরে করোনাভাইরাসের বিরুদ্ধে লড়াই করতে পারে।

ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি বলছে, অক্সফোর্ড বিজ্ঞানীদের এই ভ্যাকসিনকে বড় ধরনের প্রতিশ্রুতিশীল উদ্ভাবন হিসেবে মনে করা হচ্ছে। তবে এ ভ্যাকসিন করোনার বিরুদ্ধে যথেষ্ট সুরক্ষা দেবে কিনা; সেটি এখনই বলা যাচ্ছে না। ভ্যাকসিনটির কার্যকারিতা ও সুরক্ষার ব্যাপারে জানতে বৃহৎ পরিসরে দক্ষিণ আফ্রিকা, ব্রাজিল এবং যুক্তরাষ্ট্রে পরীক্ষা চলমান।

আরও বেশিসংখ্যক মানুষকে দেয়ার জন্য ভ্যাকসিনটি যথেষ্ট নিরাপদ কিনা সেটি জানাই ছিল প্রথম ধাপের পরীক্ষার মূল উদ্দেশ্য। ভ্যাকসিনটি প্রয়োগে শরীরে তৈরি হওয়া প্রতিরোধ ব্যবস্থা বৃদ্ধি করতে পারে বলে প্রথম ধাপের পরীক্ষার ফলে জানানো হয়েছে।

প্রথম ধাপের ফল আজ প্রকাশিত হলেও অক্সফোর্ডের এই ভ্যাকসিনটির তৃতীয় বা চূড়ান্ত পর্যায়ের পরীক্ষার জন্য যুক্তরাষ্ট্র, দক্ষিণ আফ্রিকা এবং ব্রাজিলে ৪২ হাজার স্বেচ্ছাসেবীর দেহে পরীক্ষার ফল পেতে আরও অপেক্ষা করতে হবে। ভ্যাকসিনটির তৃতীয় ধাপের পরীক্ষার জন্য যুক্তরাজ্যে ১০ হাজার মানুষের দেহে তা প্রয়োগ করবে অক্সফোর্ড। এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রে ৩০ হাজার ও ব্রাজিলে ২ হাজার স্বেচ্ছাসেবীকে ভ্যাকসিনটি দেয়া হবে।

ব্রিটিশ ফার্মাসিউটিক্যালস জায়ান্ট অ্যাস্ট্রাজেনেকার সঙ্গে যৌথভাবে এ ভ্যাকসিন তৈরি করেছে অক্সফোর্ড। অ্যাস্ট্রাজেনেকা বলেছে, চলতি বছরের শেষ দিকে ভ্যাকসিনটির কার্যকারিতার ব্যাপারে তারা চূড়ান্ত তথ্য-উপাত্ত পাবেন বলে আশা করছেন। শ্বাস-প্রশ্বাসের সমস্যাজনিত কোভিড-১৯ রোগের বিরুদ্ধে অক্সফোর্ডের ভ্যাকসিনটিকে ‘দ্বৈত প্রতিরক্ষা’ হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে।

চ্যাডক্স১ এনকোভ-১৯ নামের এই ভ্যাকসিনটি নজিরবিহীন গতিতে তৈরি করেছেন অক্সফোর্ডের বিজ্ঞানীরা।

নভেল করোনাভাইরাসের দুর্বল প্রজাতির একটি অংশ (যা মূলত সাধারণ সর্দিকাশির দুর্বল ভাইরাস বা অ্যাডেনোভাইরাস হিসেবে পরিচিত) ও জিন ব্যবহার করে তৈরি করা হয়েছে এই ভ্যাকসিন। ভাইরাসের দুর্বল সংস্করণটি শিম্পাঞ্জিকে সংক্রমিত করে। অক্সফোর্ডের গবেষকরা ভাইরাসটির জেনেটিক পরিবর্তন ঘটিয়ে ভ্যাকসিন তৈরি করেছেন।

গত বছরের ডিসেম্বরে চীনের উহানে প্রথমবারের মতো নভেল করোনাভাইরাসের উৎপত্তি শনাক্ত হয়। এর পর বিশ্বের দুই শতাধিক দেশে ছড়িয়ে প্রায় দেড় কোটি মানুষকে আক্রান্ত এবং ৬ লাখের বেশি মানুষের প্রাণ কাড়লেও এখন পর্যন্ত এর কোনও ভ্যাকসিন কিংবা প্রতিষেধক আবিষ্কার হয়নি।



image
image

রিলেটেড নিউজ

Los Angeles

২১:৪০, জুলাই ৫, ২০২০

বাংলাদেশ থেকে রোহিঙ্গারা মিয়ানমার ফিরে গেলেই অনুপ্রবেশকারী


Los Angeles

০১:০৬, মে ৯, ২০২০

করোনা নিয়ে তদন্তে নামছে চীন


image
image
image

আরও পড়ুন

Los Angeles

২০:৫৮, আগস্ট ৮, ২০২০

আনোয়ারায় নিখোঁজের ৪ ঘন্টা পর জেলের লাশ উদ্ধার


Los Angeles

২০:৪৯, আগস্ট ৮, ২০২০

বোয়ালখালীতে বৃদ্ধকে মারধরের অভিযোগ


Los Angeles

১৫:৩০, আগস্ট ৮, ২০২০

আনোয়ারায় নিখোঁজ তিন জেলে পরিবারে উৎকণ্ঠা