image

আজ, রবিবার, ৬ ডিসেম্বর ২০২০ ইং

নর্থসাউথ শিক্ষার্থী পায়েল হত্যার রায় : তিনজনের ফাঁসি

ডেস্ক    |    ১৫:০০, নভেম্বর ১, ২০২০

image

চট্টগ্রাম জেলার সন্দ্বীপ উপজেলার কৃতি সন্তান, ঢাকা নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র সাইদুর রহমান পায়েলকে হত্যার রায় প্রকাশিত হয়েছে।

রবিবার (১ নভেম্বর) ঢাকার ১ নম্বর দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক আবু জাফর মো. কামরুজ্জামান চাঞ্চল্যকর এ মামলার রায় ঘোষণা করেন।

মামলার তিন আসামি হানিফ পরিবহনের বাস চালক জামাল হোসেন, তার সহকারী ও ভাই ফয়সাল হোসেন এবং সুপারভাইজার জনিকে ফাঁসির দন্ডাদেশ দিয়েছেন আদালত।

সাইদুর রহমান পায়েলসাইদুর রহমান পায়েল২০১৮ সালের ২১ জুলাই রাতে দুই বন্ধু আকিবুর রহমান আদর ও মহিউদ্দিনের সঙ্গে হানিফ পরিবহনের একটি বাসে করে চট্টগ্রাম থেকে ঢাকার পথে রওনা হওয়ার পর নিখোঁজ হন নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী সাইদুর রহমান পায়েল।

২৩ জুলাই মুন্সিগঞ্জ উপজেলার ভাটেরচর সেতুর নিচের খাল থেকে পায়েলের লাশ উদ্ধার করে গজারিয়া থানা পুলিশ।

এরপর হানিফ পরিবহনের ওই বাসের সুপারভাইজার জনিকে ঢাকার মতিঝিল এবং চালক জামাল হোসেন ও তার সহকারী ফয়সাল হোসেনকে আরামবাগ থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।

আদালতে তাদের জবানবন্দির বরাতে পুলিশ জানায়, গজারিয়া এলাকায় গাড়ি যানজটে পড়ায় প্রসাব করার কথা বলে বাস থেকে নেমেছিলেন পায়েল। বাস চলতে শুরু করলে তিনি দৌড়ে এসে ওঠার সময় দরজার সঙ্গে ধাক্কা খেয়ে সংজ্ঞা হারান। নাক-মুখ দিয়ে রক্ত বের হতে দেখে তাকে হাসপাতালে নেওয়ার বদলে দায় এড়াতে ভাটেরচর সেতু থেকে নিচের খালে ফেলে বাস নিয়ে ঢাকায় চলে আসেন চালক ও সুপারভাইজার।

পায়েলকে অচেতন অবস্থায় সেতু থেকে খালে ফেলে দেওয়ার আগে তার পরিচয় গোপন করতে বাসচালক মুখ থেঁতলে দিয়েছিলেন বলেও অভিযোগ করে তার পরিবার।

নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের বিবিএ পঞ্চম সেমিস্টারের ছাত্র পায়েলের বাসা চট্টগ্রামের হালিশহর সিডিএ আবাসিক এলাকায়। তার বাবা গোলাম মাওলা ও বড় ভাই গোলাম মোস্তফা কাতার প্রবাসী। বড় ভাইয়ের সন্তান হওয়ার খবরে চট্টগ্রামে গিয়েছিলেন পায়েল। সেখান থেকে ঢাকায় ফেরার পথেই ঘটে ওই ঘটনা।

পায়েলের মৃত্যুর পর তার মামা গোলাম সরোয়ার্দী বিপ্লব বাদী হয়ে চালক জামাল হোসেন, তার সহকারী ফয়সাল হোসেন ও সুপারভাইজার জনিকে আসামি করে মুন্সিগঞ্জের গজারিয়া থানায় ওই হত্যা মামলা দায়ের করেন।

তদন্ত শেষে গজারিয়া থানার পুলিশ ওইবছর ৩ অক্টোবর তিনজনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র জমা দেয়। প্রথমে মুন্সিগঞ্জের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতে মামলার বিচার কাজ শুরু হলেও পায়েলের পরিবারের আবেদনের প্রেক্ষিতে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগ মামলাটি চট্টগ্রামের দ্রুতবিচার ট্রাইব্যুনালে স্থানান্তরে করে।

ওই আদালতের ভারপ্রাপ্ত বিচারক আবদুল হালিম ২০১৯ সালের ২ এপ্রিল তিন আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন। সেখানে সাক্ষ্যগ্রহণও শুরু হয়।

কিন্তু আসামিপক্ষের আবেদনে হাই কোর্টের আদেশে ২০১৯ সালের ১৮ নভেম্বর মামলাটি ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-১ এ পাঠানো হয়।

আসামিপক্ষ ঢাকার এ ট্রাইবুনালে আগের আদালতে সাক্ষ্য দেওয়া রাষ্ট্রপক্ষের সাক্ষীদের তলব করে (রিকল) পুনরায় জেরার আবেদন জানান। বিচারক তাতে সায় দিলে আবার শুরু থেকে সাক্ষ্য নেওয়া হয়। ফলে রায় পিছিয়ে যায়।



image
image

রিলেটেড নিউজ

Los Angeles

২১:২৯, ডিসেম্বর ২, ২০২০

প্রথম দফায় ভাসানচর যাচ্ছে ৬শ রোহিঙ্গা পরিবার : প্রস্তুতি সম্পন্ন


Los Angeles

২৩:৫৪, নভেম্বর ২১, ২০২০

দিন দিন বেপরোয়া-ভয়ঙ্কর হয়ে ওঠছে রোহিঙ্গা ক্যাম্পের বাসিন্দারা : শঙ্কায় জনপদের মানুষ


Los Angeles

২১:১২, অক্টোবর ৩১, ২০২০

ঝুঁকি আছে, থেমে নেই রোহিঙ্গাদের জীবনযাত্রা


Los Angeles

১৭:০৬, অক্টোবর ২৭, ২০২০

রোহিঙ্গাদের হাতে জাতীয় পরিচয় পত্র: জড়িতদের বিরুদ্ধে চলছে তদন্ত


image
image
image

আরও পড়ুন

Los Angeles

১২:৫৫, ডিসেম্বর ৫, ২০২০

চট্টগ্রামে অনলাইন কেনাকাটার বিশ্বস্থ ঠিকানা


Los Angeles

২১:২০, ডিসেম্বর ৪, ২০২০

বান্দরবানের লামায় ট্রলির ধাক্কায় মোটরসাইকেল চালক নিহত


Los Angeles

২১:০৩, ডিসেম্বর ৪, ২০২০

মিরসরাইয়ে রেল লাইনে ভাইকে বাঁচাতে গিয়ে বোনেরও মৃত্যু