image

আজ, রবিবার, ১৮ নভেম্বর ২০১৮ ইং

উন্নয়ন সমৃদ্ধি স্বপ্নযাত্রার সারথী হিসেবে এলাকার দায়িত্ব নিতে চাই : ডা. মাহফুজার রহমান উজ্জ্বল

উন্নয়ন সমৃদ্ধি স্বপ্নযাত্রার সারথী হিসেবে এলাকার দায়িত্ব নিতে চাই : ডা. মাহফুজার রহমান উজ্জ্বল

জে.জাহেদ, বিশেষ প্রতিবেদক    |    ১১:১৬, আগস্ট ১৮, ২০১৮

image

উজ্জল

ডা. মাহফুজার রহমান উজ্জ্বল বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য। সাবেক, স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা বিষয়ক উপ-সম্পাদক, বাংলাদেশ ছাত্রলীগ। মেডিকেল অফিসার, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়। একই সাথে পরিচ্ছন্ন নেতৃত্বের এক উজ্জ্বল ‘আদর্শ’। রাজনীতির পাশাপাশি ডা.হিসেবেও যার খ্যাতি রয়েছে। জনদরদী, সজ্জ্বন, নির্লোভ, নিরহংকারী, অমায়িক, বন্ধুসুলভ ব্যবহারের কারনে কুড়িগ্রাম-১) আসনে দলমত সবার কাছে যিনি সমান জনপ্রিয় ব্যক্তিত্ব। মেধাবী এই রাজনীতিবিদের বর্তমান রাজনৈতিক চিন্তা-ভাবনা,কর্মপন্থা ও কুড়িগ্রাম-১) আসনের আগামী উন্নয়ন সম্পর্কে জানার আগ্রহ সকলের। তাঁর সাথে আমাদের প্রতিবেদক জে.জাহেদ’র আলাপ চারিতায় আদ্যোপান্ত বলেছেন স্বপ্ন ও বাস্তবায়নের সবটাই।

প্রতিবেদকঃ  প্রথমে জানতে চাইবো আপনি কেমন আছেন?
ডা. মাহফুজার রহমান উজ্জ্বল: মহান আল্লাহর রহমত ও আপনাদের দোআয় ভালো আছি।

প্রতিবেদকঃ  আপনি জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আসতে চাচ্ছেন কেন?
ডা. মাহফুজার রহমান উজ্জ্বল: দেশ ও দেশের মানুষের প্রতি ভালোবাসার যে নিদর্শন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান রেখে গেছেন, সেখান থেকেই আমি উদ্বুদ্ধ হয়েছি রাজনীতিতে আসতে। জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মাধ্যমে একটা নির্দিষ্ট এলাকার জনপ্রতিনিধি নির্বাচিত হয়, যিনি অত্র আসনের হয়ে প্রতিনিধিত্ব করেন দেশের সর্বোচ্চ আইন প্রণয়নকারী প্রতিষ্ঠান তথা জাতীয় সংসদে। যেখানে একজন সাংসদ তার এলাকার অর্থনৈতিক, সামাজিক ও রাজনৈতিক সমস্যাসহ অন্যান্য সমস্যার কথা সরাসরি সরকারের নিকট তুলে ধরতে পারেন এবং সমস্যা সমাধানের জোরালো দাবিও জানাতে পারেন। একজন সাংসদই সর্বোচ্চ সুযোগ পেয়ে থাকেন তার এলাকার মানুষের সেবা করার জন্য। তাই আমি জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে আগ্রহী হয়েছি। 

প্রতিবেদকঃ  আপনি আপনার নির্বাচনী এলাকা (কুড়িগ্রাম-১) আসনে কি কি কাজ করেছেন বা করছেন?
ডা.মাহফুজার রহমান উজ্জ্বল: বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে মেডিকেল অফিসার হিসেবে কর্মরত থাকার সুবাদে কুড়িগ্রামের মানুষ যখনই কোন চিকিৎসার জন্য এসেছেন, আমি সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছি তাদের পাশে দাঁড়ানোর। এছাড়া বিভিন্ন সময়ে কুড়িগ্রামে ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প করেছি গরিব রোগীদের চিকিৎসা সেবা দেয়ার জন্য। বিগত জুন-জুলাইতে দেশের উত্তরাঞ্চলে হয়ে যাওয়া বন্যার সময় বর্ন্যাতদের জন্য আমি আমার অবস্থান থেকে ত্রাণের ব্যবস্থা করেছিলাম। 
অসম্প্রদায়িক বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয়ে সকল ধর্মাবলী মানুষের ধর্মীয় উৎসবে সহায়তা প্রদানের পাশাপাশি স্কুল, কলেজ, মসজিদ, মাদ্রাসা, গির্জা, মন্দিরে প্রতিনিয়ত সাহায্য প্রদান করে চলেছি।
যখনই কুড়িগ্রামের কেউ আইনি জটিলতায় হয়রানী হয়ে আমার কাছে আসেন, আমি তখনই তাদের আইনি সহায়তা দিয়েছি বা সমাধানের সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছি।
গরিব মেধাবী শিক্ষার্থীরা যেন শিক্ষার আলো থেকে বঞ্চিত না হয় তা করছি।

প্রতিবেদকঃ  আপনি নির্বাচিত হলে কিভাবে জনগণের সেবা করবেন?
ডা. মাহফুজার রহমান উজ্জ্বল: আপনি লক্ষ্য করে দেখবেন, কুড়িগ্রামের একটা বড় অংশের মানুষের পেশা কৃষি কাজ। তাই আমার প্রথম চিন্তাই কৃষকদের নিয়ে। কিভাবে আমার এলাকার কৃষির ফলন বাড়ানো যায়, কৃষকদের কাছে যথাসময়ে উন্নতমানের বীজ এবং উপযুক্ত সার পৌঁছানো যায়, কিভাবে কৃষকরা তাদের ন্যায্য মূল্য পেতে পারে সেজন্য কৃষকদের নিয়ে একটি কৃষি সমবায় করার চিন্তা আমার রয়েছে।
এলাকার যোগাযোগ ব্যবস্থা কিভাবে উন্নত করা যায়, সেলক্ষ্যে সমস্যাগুলো চিহ্নিত করে সমাধানের সর্বোচ্চ চেষ্টা করবো। একই রাস্তার জন্য বছর বছর টেন্ডার না দিয়ে একটি রাস্তাকে কিভাবে শত বছর স্থায়ী করা যায়, আমি সেই চেষ্টাই করবো। আমি জনগণ থেকে নিতে আসি নাই, জনগণকে দিতে এসেছি; জনগণ আমাকে সুযোগ দিলে আমি এটাই প্রমাণ করবো ইনশাআল্লাহ। 
ছোট, বড় ও মাঝারি শিল্পের বিকাশে কি কি প্রতিবন্ধকতা আছে এবং সেসব বন্ধকতা কিভাবে উত্তরণ করা সম্ভব তা খুঁজে বের করতে হবে। এক একটি শিল্প কারখানা মানেই শত শত মানুষের কর্মসংস্থান। আজ চট্টগ্রাম, নারায়ণগঞ্জ, গাজীপুরের দিকে তাকিয়ে দেখেন, শিল্প কারখানার জন্য আজ তারা কোন অবস্থানে আছে আর আমার কুড়িগ্রামের মানুষজন কোথায় আছে।
আমার এলাকার স্কুল-কলেজের শিক্ষার মান কিভাবে আরো উন্নত করা যায়, কিভাবে কুড়িগ্রামের স্বাক্ষরতার হার শতভাগে উন্নিত করা যায় তার জন্য একটা দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা হাতে নিতে হবে। জাতীয় শিক্ষানীতির পরিবর্তন না ঘটিয়ে কিভাবে প্রতিটি স্কুল-কলেজে প্রতিযোগীতামূলক শিক্ষাব্যবস্থা চালু করা যায় যেমন- প্রতি বছর বার্ষিক পরীক্ষার উপর বৃত্তি প্রদান, আন্তঃস্কুল প্রতিযোগিতা ইত্যাদি এবং সেই লক্ষ্যে সকল স্কুল-কলেজের প্রধানদের সাথে আলোচনা করবো। সমস্যা খুঁজে বের করাটাই সব কিছু নয়, সমস্যার সমাধান বের করাটাই আসল। আমি সেটাই করবো। ২/১টা স্কুল ব্যতিত অন্য স্কুলগুলোতে বার্ষিক ক্রীড়া প্রতোযোগীতার আকর্ষণ নেই বললেই চলে। কিভাবে স্কুল-কলেজগুলোতে বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগীতার আকর্ষণ ফিরিয়ে আনা যায় সেই চেষ্টা করবো। এক্সট্রা কারিকুলার একটিভিটিস শিক্ষার মানকে বাড়ায়, শিক্ষাকে স্থায়িত্ব দেয়।
আজকে আপনি দেখবেন, কিছু সাম্প্রদায়িক চেতনার মানুষ তাদের সাম্প্রদায়িক বিষবাষ্প সমাজে ছড়িয়ে দিতে মাঝে মাঝেই মাথা চাড়া দিয়ে ওঠে। সাম্প্রদায়িকতার কোন স্থান এই কুড়িগ্রামের মাটিতে হবে না। এর জন্য যতটা কঠোর অবস্থান নিতে হয় আমি নিবো। ধর্মীয় অনুষ্ঠানগুলোকে কিভাবে আরো বড় পরিসরে সার্বজনীন করা যায় সে চেষ্টাও আমার থাকবে।
সন্তানহীন বৃদ্ধ, অচল অসহায় মানুষদের জন্য বৃদ্ধাশ্রম নির্মাণ করার ইচ্ছা আমার আছে। এতিম শিশুদের এতিমখানা, প্রতিবন্ধীদের জন্য বিশেষ স্কুলের ইচ্ছাও আমার আছে। 
এছাড়া আমি আমার এলাকার জনগণকে ইতিমধ্যে এতটুকু আশ্বস্ত করতে পেরেছি যে, তাদের সকল প্রয়োজনে ও সকল সমস্যার সমাধানে তাদের পাশে আমাকে পাবে।

প্রতিবেদকঃ  আপনাকে ভোট দিলে জনগণের কি কি উপকার হবে বলে মনে করেন?
ডা. মাহফুজার রহমান উজ্জ্বল: আল্লাহর রহমতে ও আপনাদের দোয়ায় যা দিয়েছেন যথেষ্ট সুতরাং রাজনৈতিক ক্ষমতার অপব্যবহার করে অর্থ উপার্জনের লোভ-লালসা আমার নেই। 
সুতরাং আমি যদি জনগণের ভোটে নির্বাচিত হওয়ার সুযোগ পাই, তবে যেসকল উন্নয়নের কথা বললাম, ইনশাল্লাহ সবগুলোর বাস্তবায়ন জনগণ দেখবে। জনগণের অর্থ, জনগণের উদ্দেশ্যেই শতভাগ ব্যয় করা হবে। প্রয়োজন হলে আমি আমার নিজের তরফ থেকে আর্থিক সহায়তা দিয়ে মানুষের পাশে দাঁড়াবো। নির্বাচিত করার মাধ্যমে যে মহান দায়িত্ব আমার উপরে অর্পিত হবে, তার শতভাগ আমি সততা ও নিষ্ঠার সাথে পাল করবো ইনাআল্লাহ্। আমি জনগণের হৃদয়ে স্থান করে নিতে চাই, আমি চাই জনগণ ভালোবেসে আমকে তাদের পাশে ডাকুক।

প্রতিবেদকঃ  প্রার্থী হিসেবে কিভাবে নিজেকে মূল্যায়ন করেন?
ডা. মাহফুজার রহমান উজ্জ্বল: শিক্ষা একজন মানুষের মূল্যবোধকে, তার মনুষত্বকে জাগ্রত করে। আমি উচ্চ শিক্ষায় শিক্ষিত একজন ডাক্তার। পেশায় ডাক্তার হওয়ার সুবাদে সমাজের সকল শ্রেণীর মানুষের সাথে মেশার সুযোগ আমার হয়েছে। নিজেকে আমি কখনই শুধুমাত্র আমার পেশাতে সীমাবদ্ধ রাখিনি। অনেক আগে থেকেই আমি আমার এলাকার মানুষের পাশে থেকে তাদের সমস্যা সমাধান করে আসেছি সব কিছু বিবেচনা করে বলবো, দেশরতœ শেখ হাসিনা যদি আমাকে সুযোগ দেন, নিজেকে আমি সম্পূর্ণ যোগ্য প্রমাণ করেই দেখাবো ইনশাল্লাহ্। 

প্রতিবেদকঃ  নির্বাচনকালীন নেতা আর নির্বাচন পরবর্তী নেতাদের কার্যক্রম প্রায়সই উল্টো হয়। এক্ষেত্রে আপনার মতামত কি? 
ডা. মাহফুজার রহমান উজ্জ্বল: আমি জনগণের পাশে দাঁড়িয়ে এখন পর্যন্ত আমি আমার সাধ্যমত যা যা করেছি, তা সবই জনগণের সামনে বর্তমান। আমি আমার এলাকার মানুষদের যখন যা কথা দিয়েছি, অক্ষরে অক্ষরে তা পালন করে দেখিয়েছি। আমি এক কথার মানুষ। যা বলি, ঠিক তাই বাস্তবে রূপ দিয়ে দেখাই। গণমানুষের পাশেই ছিলাম, ভবিষ্যতেও ইনাশাল্লাহ্ গণমানুষের পাশেই থাকবো।

প্রতিবেদকঃ  দল কেন আপনাকে মনোনয়ন দিবে? আপনার যুক্তি কি এক্ষেত্রে?  
ডা. মাহফুজার রহমান উজ্জ্বল: দেখুন মনোনয়নের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ যে বিষয়গুলোকে প্রাধান্য দেয় যেমন প্রার্থীর শিক্ষাগত যোগ্যতা, এলাকায় তার জনপ্রিয়তা, দল ও দলীয় আদর্শের প্রতি প্রার্থীর আনুগত্য, জনগণের প্রতি তার দৃষ্টিভঙ্গি ইত্যাদি। উল্লেখ্য প্রতিটি ক্ষেত্রেই মনোনয়নের জন্য নিজেকে যোগ্য বলে আমি ব্যক্তিগতভাবে বিশ্বাস করি। বাকিটা দলীয় সীদ্ধান্তের উপর নির্ভর করছে।

প্রতিবেদকঃ  দলীয় মনোনয়ন না পেলে কি করবেন?
ডা. মাহফুজার রহমান উজ্জ্বল: আমি ব্যক্তিগতভাবে নেগেটিভ চিন্তা ধারার মানুষ না এবং রাজনৈতিকভাবেও নেগেটিভ পলিটিক্সে বিশ্বাসী নই। আমি সবসময়ই পজিটিভ চিন্তা করি, পজিটিভ রাজনীতি করি, পজিটিভ কাজ করি। মনোনয়ন পাবো কি পাবো না, সেটা সময়ই বলে দিবে। আমি আগে থেকেই কোন নেগেটিভ চিন্তা করতে চাই না। 

প্রতিবেদকঃ  সমাজকে এগিয়ে নিতে হলে নারী-পুরুষ সবার সমান অংশগ্রহণ প্রয়োজন। সেক্ষেত্রে কুড়িগ্রাম-১ আসনে নারীর অবস্থান কতটুকু এবং কুড়িগ্রাম-১ আসনকে এগিয়ে নিতে আপনি নারীদের কতটা গুরুত্ব দিচ্ছেন? 
ডা. মাহফুজার রহমান উজ্জ্বল: দেশের জনসংখ্যার অর্ধেকই নারী। এই অর্ধেক জনগোষ্ঠী কে পেছেনে ফেলে সামনে যাওয়ার কোন উপায়ই নেই। দেশরতœ  শেখ হাসিনাই প্রথম তা উপলব্ধি করেন এবং এই বৃহৎ জনগোষ্ঠীকে এগিয়ে নিতে জাতীয় উদ্যোগ নিয়েছেন। যেমন- মেয়েদের জন্য শিক্ষা উপবৃত্তি, কর্মজীবী মহিলাদের জন্য ৩ মাসের স্থলে ৬ মাস মাতৃত্বকালীন ছুটি বৃদ্ধি, মেয়েদের জন্য সম্মান লেভেল পর্যন্ত বই ফ্রি করে দেয়ার পাশাপাশি তাদের উপবৃত্তিও দেয়া হচ্ছে, সরকারি চাকরিতে ১০ ভাগ নারী কোটার ব্যবস্থা করা হয়েছে। প্রাথমিক স্কুল শিক্ষকদের ৭০ ভাগ আজ নারী শিক্ষক। নারীদের প্রতি এই সকল সুযোগ-সুবিধা আমার এলাকায় যেন সম্পূর্ণ বাস্তবায়িত হয় সে দিকে আমি সক্রিয় দৃষ্টি রাখছি। যে সকল অভিভাবক তাদের মেয়ে শিশুকে স্কুলে পাঠাতে নারাজ ছিল, আমি নিজে উপস্থিত হয়ে তাদের শিক্ষার সুফল বুঝিয়ে স্কুলে প্রেরণের ব্যবস্থা পর্যন্ত করেছি। আমার এলাকায় আমি কোন বাল্যবিবাহ হতে দেই না। প্রতিটি সামাজিক অনুষ্ঠান, জন সমাবেশ, চা-চক্রে আমি আমার রাজনৈতিক প্রচারণার পাশাপাশি শিক্ষার সুফল ও বাল্য বিবাহের কুফল সকলের কাছে তুলে ধরি। আমি কোন দিনই নারীদের বৈষম্যেও চোখে দেখিনি। এক জন সুশিক্ষিত, সচেতন নাগরিক হিসেবে আমি দেশের নারীদের যা কিনা সমগ্র জনসংখ্যার অর্ধেক, তাদেরকে  পেছিনে ফেলে রাখতে পারি না।

প্রতিবেদকঃ আগামী একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিয়ে মাঠে কাজ করে যাচ্ছেন। নিজ দল বা এলাকার সাধারণ জনগণ হতে কতটা সাড়া পাচ্ছেন?
ডা. মাহফুজার রহমান উজ্জ্বল: নির্বাচনের আগে লোক দেখানো কিছু ভালো কাজ করবেন, আর ঐ দুই/এক দিনের ভালো কাজের বিনিময়ে ভোট চাইবেন সেদিন আর নেই। জনগণ এখন অনেক সচেতন। জনগণ যেমন তাদের অধিকারগুলো বুঝতে শিখেছে, তেমনি তাদের অধিকারগুলো প্রয়োগ করতেও শিখেছে। আমি নির্বাচনের প্রচারণার অংশ হিসেবে মানুষের পাশে দাঁড়াইনি, মানুষের প্রতি আমার ভালোবাসা এবং তাদের প্রতি আমার দায়িত্ব কর্তব্য থেকেই মানুষের পাশে গিয়ে দাঁড়িয়েছি। জনগণও আমাকে সাদরে গ্রহণ করেছে। তাদের সাড়াতেই আমি আরো বেশি উৎসাহী হয়েছি। জনগণ যদি আমাকে প্রত্যাখ্যান করতো কিংবা তাদের পাশে দাঁড়ানোর সুযোগ না দিত, তবে আমার কিছুই করার ছিল না। আমার এলাকার জনগণই আমাকে তাদের মাঝে, তাদেরই একজন হিসেবে আপন করে নিয়েছে।

প্রতিবেদকঃ  দল হতে কোন গ্রিন সিগন্যাল পেয়েছেন কিনা?
ডা. মাহফুজার রহমান উজ্জ্বল: জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে দলীয় প্রার্থীর তালিকা চূড়ান্ত না হওয়া পর্যন্ত কিছুই বলা যাচ্ছে না। নেত্রীর নির্দেশনা অনুসারে আওয়ামী লীগের প্রত্যেক নেতা-কর্মীই অনেক আগে থেকেই নিজ নিজ এলাকার মানুষের জন্য, দেশের জন্য কাজ করে যাচ্ছে। দল যাকে যোগ্য মনে করবে, চূড়ান্ত প্রার্থীর তালিকায় সেই স্থান করে নিবে। 

প্রতিবেদক: আমাদের সময় দেবার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ।
ডা. মাহফুজার রহমান উজ্জ্বল: আপনাদেরকেও অনেক ধন্যবাদ



image
image

রিলেটেড নিউজ

Los Angeles

১১:১৮, আগস্ট ১৮, ২০১৮

সুন্দরবনের মধু আহরণ : পুলিশের হয়রানীর শিকার মধুচাষীরা


Los Angeles

১১:১৩, আগস্ট ১৮, ২০১৮

এই রায় পথের কাঁটা : মাহবুব উল্ল্যাহ


Los Angeles

১১:১১, আগস্ট ১৮, ২০১৮

সাগরের মায়ের প্রশ্ন:খুনীরা কি প্রধানমন্ত্রীর চেয়েও ক্ষমতাবান


image
image