image

পটিয়া হাসপাতালে রোগীর চাপ বাড়লেও সেবা বঞ্চিত নন কেউ

image

চট্টগ্রাম কক্সবাজার আরকান মহাসড়কের পাশে অবস্থিত  পটিয়া ৫০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতাল। এই হাসপাতালে পটিয়ার রোগি ছাড়া প্রতিদিন দক্ষিণ চট্টগ্রামের আনোয়ারা, বোয়ালখালি, চন্দনাইশ, সাতকানিয়া, বান্দরবান, লোহাগাড়া বিভিন্ন এলাকা থেকে রোগী চিকিৎসা নিতে আসেন। গত কয়েকদিন ধরে জ্বর, ডেঙ্গু, ডায়রিয়া, শ্বাসকষ্ট রোগী বেড়ে যাওয়ায় হিমশিম খেতে হচ্ছে কর্তব্যরত চিকিৎসকদের।

তাছাড়া ৫০ শয্যার হাসপাতালে প্রতাদিন ফ্লোরে চিকিংসা দিতে হয় ৩০ জনের অধিক রোগীদের, যদিও বরাদ্দ থাকে ৫০ জনের। এ হাসপাতলে চিকিৎসা সেবার মান মোটামুটি সন্তোষজনক হওয়ায় অন্য উপজেলার রোগীরাও প্রতিনিয়ত অত্র হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য ভীড় করেন। চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের পাশে হওয়াতে দক্ষিণ চট্টগ্রামের অনেক রোগীই জরুরি অবস্থায় সেবা নেন এই হাসপাতালে। 

বুধবার (৭ আগস্ট) সরেজমিন ঘুরে দেখা গেছে, বর্তমানে ৫০ শয্যার হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন ৭৮ জন রোগী। যার মধ্যে শ্বাসকষ্ট, ডায়রিয়া, জ্বরের রোগী এবং ডেঙ্গু রোগী রয়েছেন। 

এই বিষয়ে পটিয়া হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আর এম ও)ডাঃ ওয়াহিদ হাসান সিটিজি সংবাদকে  জানান, আমাদের রয়েছে ৫০ শয্যার রোগী ভর্তি নেয়ার ব্যবস্থা কিন্তু প্রতিদিন সেবা দিতে গড়ে  ৮০ জনের উপরে রোগী হাসপাতালে ভর্তি করাতে হয়।  তবে যারা সিটের বাইরে ফ্লোরে শুয়ে সেবা নেন, সেসব রোগীদের কষ্ট হয়। কারণ ফ্লোরে কোন ফ্যানের ব্যবস্থা নেই।

তিনি বলেন, ফ্লোরে যদি ১০টি ফ্যানের ব্যবস্থা  করা যায় তবে সেক্ষেত্রে রোগীদের দূর্ভোগ কিছুটা হলেও কমবে।

বাংলাদেশে HFS এর রিপোর্ট অনুযায়ী ইতোমধ্যে পটিয়া হাসপাতাল অর্জন করে নেন দেশের সেবার মধ্যে ২য় স্থান।

তিনি আরো বলেন, জাতীয় সংসদের হুইপ সামশুল হক চৌধুরীর সুদৃষ্টি কামনা করে বলেন, সরকারীভাবে ভবন সম্প্রসারণ ও আদকালীন হিসেবে কিছু ফ্যানের ব্যবস্থা করে গেলে রোগী সেবার মান যেমন বাড়বে তেমনি রোগীদের জন্যও হবে স্বস্তিদায়ক।