image

কোরবানি ঘিরে আনোয়ারায় কদর বেড়েছে গাছের গুঁটি ও দা-চুরির

image

পবিত্র ঈদুল আজহা ঘনিয়ে এসেছে, আর দুইটা রাত পোহালেই মুসলিম সম্প্রাদায়ের অন্যতম বৃহৎ ধর্মীয় উৎসব ঈদুল আজহা তথা কোরবানী ঈদ। এখন পশুর হাটে ক্রেতা-বিক্রেতা সবারই সমান ব্যস্ততা। পছন্দসই পশু কেনার পর ক্রেতাদের নজর আনুষঙ্গিক জিনিসপত্র কেনাকাটার দিকে। ঈদ ঘিওে চট্টগ্রামের আনোয়ারার বিভিন্ন পশুর হাটে ফুটপাতে বসেছে মৌসুমি ব্যবসায়ীরা। চাটাই, গাছের গুঁড়ি, বাঁশের টুকরি, খড় ও ঘাস বিক্রিতে জমে উঠেছে মৌসুম ব্যবসা। চলছে চুরি, দা, বঁটি বিক্রিও।

জানা যায়, পশু কোরবানী করার পরে মাংশ ছাটাই (টুকরা) করার জন্য প্রয়োজন হয় কাঠের গুটির। যাতে ধারালো অস্ত্র দিয়ে মাংশ ভালোভাবে ছাটাই করা যায়। সব গাছ দিয়ে গুটি তৈরি করা যায় না। শক্ত ভাল গুঁটি তৈরি করতে প্রয়োজন তেঁতুল গাছের।  তেতুঁল গাছ ছাড়া অন্য গাছ দিয়ে গুটি তৈরি করলে মাংশের সাথে গাছের গুড়ি উঠে মাংশের মান নষ্ট হয়ে যায়। তাই ঈদুল আজহা আসলেই তেঁতুল গাছের চাহিদা বেড়ে যায়। একটি গুঁটির দাম ২শ থেকে ৫ শ টাকা। আনোয়ারার চাতরী চৌমহনী বাজার, বটতলী রুস্তম হাট বাজার, জয়কালী হাট, সরকার হাট, ছাত্তার হাট এলাকায় বাজারে এ গুটি বিক্রি হয়। বৃহস্পতিবার (১০ আগষ্ট) আনোয়ারার বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা যায়, পশুর হাটে  ও ফুটপাতে চাটাই, গাছের গুঁড়ি, বাঁশের টুকরি, খড় ও ঘাস, চুরি, দা, বঁটি বিক্রি করছে। কিছু মৌসুম ব্যবসায়ীরা প্রতিবছর চার-পাঁচ দিন এ ব্যবসা চলে। 

চাতরী বাজারের গুঁটি বিক্রেতা এবায়দুল্লাহ জানান, পশুরহাটে কুলা, মাদুর, চাটাই ও টুকরি গুলো বেশ ভালো বিক্রি হচ্ছে। ঈদের আগের দিন পর্যন্ত বেশি বিক্রি হবে এসব সামগ্রীর। পশুর হাড়-মাংস কাটার জন্য ব্যবহৃত গাছের গুঁড়ি এবং চাটাই ও টুকরির দাম নির্ভর করছে আকারের ওপর।  এদিকে ছুরি, বঁটি ও চাপাতি বিক্রিও বেড়েছে। ২০০ থেকে ৪০০ টাকায় নতুন দা-বঁটি, ছুরি ১৫০ থেকে ২৫০ টাকায়, চাপাতি ৫০০ থেকে ১৫৫০ টাকায় পাওয়া যাচ্ছে। এ ছাড়া অনেকে পুরোনো দা, বঁটি ও ছুরি শাণিয়ে নিচ্ছেন।