image

সেন্টমার্টিনে আবাসিক হোটেলে থেকে পর্যটকের মৃত দেহ উদ্ধার

image

টেকনাফ সেন্টমার্টিনে আবাসিক হোটেল থেকে বাচ্চু মিয়া (৫২) নামে এক পর্যটকের মৃতদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

সে ঢাকা নারায়নগঞ্জ জেলার রুপগঞ্জের আবদুল হামিদের পুত্র।

সেন্টমার্টিনের নীল দিগন্ত রিসোর্ট থেকে সোমবার (২২ ফেব্রুয়ারী) দুপুরে পুলিশ তার মরদেহ উদ্ধার করে টেকনাফ থানায় নিয়ে আসে।

সন্ধ্যা ৭টায় শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত  মৃতদেহ থানায় রয়েছে এবং ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে প্রেরণের প্রস্তুতি চলছে বলে সুত্রে জানা যায়।

টেকনাফ থানার অফিসার ইনচার্জ  মো. হাফিজুর রহমান জানান, “নীল দিগন্ত রিসোর্ট নামে একটি হোটেল থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে টেকনাফে নিয়ে আসা হয়েছে। পরে ময়নাতদন্তের জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতালে প্রেরনের প্রস্তুতি চলছে। কেন তার মৃত্যু হয়েছে এখনো জানা যায়নি। তবে ময়নাতদন্তের রিপোর্ট হাতে পেলে মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে বলেও জানান।

নীলদিগন্ত রিসোর্টেল ম্যানেজার জানান, মারা যাওয়া পর্যটকের হার্টের সমস্যা ছিল বলে তার সাথে ভ্রমণে আসা সঙ্গীরা জানিয়েছেন। সাথে থাকা সফর সঙ্গীরা জানিয়েছেন রাতে বুকে ব্যাথা করলে স্থানীয় ফার্মেসী থেকে ওষুধ খেয়ে ঘুমিয়ে পড়েছিলেন। সকালে সঙ্গীরা তাকে মৃত অবস্থায় দেখতে পান। 

সুত্রে আরও জানা যায়, ঢাকা বিসিএস কম্পিউটার সিটিতে কর্মরত ৭ জনের একটি টিম রোববার সেন্টমার্টিন ভ্রমণে এসে নীল দিগন্ত রিসোর্টের রুমে ওঠেন। হোটেল রেজিষ্টারে লিপিবদ্ধ তথ্য মতে বাচ্চু মিয়ার ঠিকানা লিখা রয়েছে পিতার নাম মৃত আব্দুল হামিদ, গ্রাম, রুপগঞ্জ, ডেমরা নারায়নগঞ্জ, ঢাকা।