image

নিখোঁজ ছেলের লাশ মিললো আট মাস পর

image

চট্টগ্রামে হারিয়ে যাওয়া এক সন্তানের লাশ সনাক্ত হলো দীর্ঘ আট মাস পর। ডিএনএন টেস্টে বাবা নিশ্চিত হলো তার ছেলে বেঁচে নেই। বেওয়ারিশ হিসেবে দাফন হওয়া ছেলের লাশ তুলে পুনরায় ডিএনএ টেস্টে করিয়ে এ রহস্যের উদযাটন করেছে চট্টগ্রাম নগরীর ডবলমুরিং থানা পুলিশ।

সোমবার (১৬ আগস্ট) সন্তানের নিশ্চিত ওপারে চলে যাওয়ার বিষয়টিও নিশ্চিত হওয়া গেছে ডবলমুরিং থানার সহযোগিতায় ডিএনএ টেস্টের ফলাফলের মাধ্যমে।

নিহত আজিজুর রহমান(২৯) লক্ষীপুর জেলার মো.নুরুল আমিন ও রহিমা খাতুনের ছেলে। তারা চট্টগ্রাম নগরীর ডবলমুরিং থানাধীন ডিটি রোড এলকায় বসবাস করেন।

জানা গেছে, পাহাড়তলী এলাকার একটি মুদি দোকানের কর্মচারী আজি গত বছরের ৩০ নভেম্বর রাত ৮টার সময় খালার বাসা থেকে বের হয়ে বাসায় ফিরে আসেনি। নিজেদের বাসা, কর্মস্থল, আত্মীয় স্বজনের বাসায় খোঁজ করেও না পেয়ে দু’দিন পর ২ ডিসেম্বর তার পিতা নুরুল আলম ডবলমুরিং থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি(জিডি নং-১২১) দায়ের করেন। সেই জিডির সূত্র ধরেই অবশেষে মিললো লাশ।

জানা যায়, গত ডিসেম্বরে পুকুরে ডুবে মারা যাওয়া একটি বেওয়ারিশ লাশ দাফন করে আঞ্জুমানে মুফিদুল ইসলাম।লাশটি চেনা না যাওয়ায় তখন শনাক্ত করা যায়নি, বেওয়ারিশ হিসেবেই দাফন করা হয়। এদিকে আজিজের পিতার জিডির সূত্র ধরে লাশটি কবর থেকে তুলে ডিএনএ টেস্ট করা হয়। তাতে মিলে যায় রিপোর্ট।

ডবলমুরিং থানার ওসি মোহাম্মদ মহসীন জানান, পুকুরে ডুবে আজিজের মৃত্যু হয়। কিন্তু তখন তার পরিচয় পাওয়া যায়নি। বেওয়ারিশ হিসেবে তখন লাশ দাফন করে আঞ্জুমান মুফিদুল ইসলাম। এদিকে সন্তান নিখোঁজের ডায়েরি করেন মোঃ নুরুল আমিন।  আজিজের ছবি থাকলেও সেই ছবিতে চেনা যাচ্ছিল না। তাই ডিএনএ টেস্ট করানো হয়। অবশেষে গতকাল আসে সেই টেস্টের ফলাফল।  তাতে বাবার সাথে ৯৯.৯৯ শতাংশ মিলে যায় আজিজের ডিএনএ।