কুতুবদিয়ায় স্বামী নির্যাতনের মামলায় স্ত্রীকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত।
রবিবার স্ত্রী আদালতে উপস্থিত হয়ে জামিনের আবেদন করলে বিজ্ঞ ম্যাজিস্ট্রেট আবেদন নামন্জুর করে তাকে জেলহাজতে প্রেরণের নির্দেশ প্রদান করেন।
আদালত সূত্র ও বাদীর আইনজীবি মো: আইয়ুব হোছাইন জানান, বড়ঘোপ আজম কলোনীর বাসিন্দা মৃত মফিজ আলমের পুত্র মো: সেলিম (৪০) দীর্ঘদিন ধরে স্ত্রী জোসনা আক্তারের নানাবিধ নির্যাতনের শিকার হতেন। গত বছরের ৩ নভেম্বর ছেলেকে মারধর করার তুচ্ছ বিষয়ে সেলিমের শ্যালক লাল ফকির পাড়ার মৃত আব্দু শুক্কুরের পুত্র মাহমুদুল করিমের প্ররোচনায় স্ত্রী ও বড় মেয়ে তাজমিন আক্তার সেলিমের উপর দা ও লাঠি দ্বারা আঘাত করলে তার ডান কানের প্রচন্ড আঘাত পায়, স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে কুতুবদিয়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করান সেখানে দুইদিন চিকিৎসা নেন।
বাদী মোহাম্মদ সেলিম আজকের পত্রিকাকে বলেন, ঘটনার পর লবণের মাঠ করার জন্য চকরিয়া চলে যায়, সেখান থেকে ১৪ মে লবণ মাঠের কাজ শেষে করে বাড়িতে চলে আসলে তার স্ত্রী ও মেয়ে তাকে বাড়িতে আবারও মারধর করার চেষ্টা করে বলে জানান। পরে ২৪ মে শ্যালক মাহমুদুল করিম, স্ত্রী জোসনা আক্তার ও মেয়ে তাজমিনকে আসামী করে কুতুবদিয়া আদালতে মামলা দায়ের করেন। এই মামলা থেকে রক্ষা পেতে স্ত্রী তার বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগে মামলা করেছে বলে জানান
আদালত কুতুবদয়িা থানাকে তদন্তের দায়িত্ব দিলে তদন্ত কর্মকর্তা উপ-পরিদর্শক (এসএই) রায়হান উদ্দিন বলেন,বিভিন্ন ভাবে তদন্তে মামলার বাদী, স্বাক্ষী ও মেডিকেল রির্পোট অনুযায়ী ঘটনার সত্যতা পাওয়া যায়, সেলিমের স্ত্রী ও মেয়ে ঘটনার সাথে সরাসরি জড়িত থাকার প্রমাণসহ আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করেন।
রবিবার সেলিমের স্ত্রী জোসনা আক্তার আদালতে হাজির হলে সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট রেজাউল হক জামিন আবেদন নামন্জুর করে জেল হাজতে প্রেরণের নির্দেশ দেন। একই সাথে আদালত মেয়ে তাজমিন আকতারকে আদালতে হাজির হবার জন্য নির্দেশ দেন এবং এক নম্বর আসামীকে মামলা থেকে অব্যহতি দেন বিজ্ঞ ম্যাজিস্ট্রেট।
Developed By Muktodhara Technology Limited