image

মাতামুহুরী ও সাঙ্গু রিজার্ভ ফরেস্ট এলাকায় হেলিকপ্টার করে বীজ ছিটিয়েছে বনবিভাগ

image

মুজিব শতবর্ষ ও সুবর্ণ জয়ন্তীর উপহার হিসেবে বনবিভাগের উদ্যোগে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সহযোগিতায় ও বিমান বাহিনীর হেলিকপ্টারের সাহায্যে সীডবল নিক্ষেপের মাধ্যমে মাতামুহুরী ও সাঙ্গু সংরক্ষিত বনাঞ্চলে বীজ ছিটিয়েছে বনবিভাগ।

জানাযায়, মঙ্গলবার ৩১ আগস্ট বেলা ১১টায় হেলিকপ্টারের সাহায্যে আকাশ হতে সীডবল নিক্ষেপের মাধ্যমে বনায়েন নানা জাতের বীজের মধ্যে তেলসুর,চাম্পাফুল, পুতিজাম, ঢাকিজাম, কালোজাম, গামার, করই, জারুল, হারগাজাসহ নানা প্রজাতির বীজ বপন করা হয়েছে। 

লামা বনবিভাগ দাবী করেন, একটি বিরল ও বাংলাদেশ স্বাধীনের পর একটি ঐতিহাসিক ঘটনার স্বাক্ষী।
  
লামা বনবিভাগ সূত্রটা জানাযায় ব্রিটিশ আমলে ১৮৮০ সাল,১৮৮৫ সালের দিগে মাতামুহুরী ও সাঙ্গু রিজার্ভ ফরেস্ট এলাকায় সেগুন,গর্জন,চাম্পাফুলসহ নানা প্রজাতির বীজ ছিটানো হয়েছিল। সেই সুফল বাংলাদেশের জনগণ আজ ভোগ করছেন।

বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সদর দপ্তর ২৪ পদাতিক ডিভিশনের বান্দরবান রিজিয়নের রিজিয়ন কমান্ডর ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মােঃ জিয়াউল হক, এএফডব্লউসি, পিএসসি এ কার্যক্রমের শুভ উদ্বোধন করেন। 

তিনি বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের জন্য জীব-বৈচিত্র দ্রুত হারিয়ে যাচ্ছে। বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধির ফলে উদ্ভিদ ও প্রাণী বৈচিত্রের অনেক প্রজাতি ইতােমধ্যে আমাদের পরিবেশ থেকে হারিয়ে় গেছে। বহু উদ্ভিদ ও প্রাণী বিরল তালিকায় স্থান করে নিয়েছে। এ ভয়াবহ অবস্থা থেকে মুক্তি দিতে পারে বৃক্ষ ও বনাঞ্চল। 

তিনি আরও বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সুযােগ্য কন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা একটি আত্মনির্ভরশীল, উন্নত ও টেকসই, বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়ার লক্ষ্যে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। তারই ধারাবাহিকতায় পার্বত্য চট্টগ্রামসহ সমগ্র বাংলাদেশে টেকসই পরিবেশ উন্নয়নের অংশ হিসেবে সবুজায়ন ও বনায়ন কর্মসূচীর পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে এবং তা বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। 

লামা বন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা এস এম কায়সার জানিয়ছেন, হেলিকপ্টারের মাধ্যমে উপর থেকে বীজ ছিটানাে হলে তবে কিছু পরিমাণ বীজও যদি অঙ্কুরােদগম হয় তাও বনাঞ্চলের প্রাকৃতিক ভারসাম্য রক্ষার জন্য সহায়ক হবে।

এসময় চট্টগ্রাম অঞ্চলের বন সংরক্ষক মোহাম্মেদ আব্দুল আউয়াল সরকার, বান্দরবান বন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা মোঃ ফরিদ মিঞা, লামা বন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা এস. এম. কায়চার, সাংবাদিক, আলীকদম উপজেলা চেয়ারম্যান আবুল কালাম, বান্দরবান জেলা পরিষদের সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা শেখ মাহববুর, ফাতেমা পারুলসহ সেনাবাহিনী ,বনবিভাগ ও সরকারী বেসরকারি দপ্তরের বিভিন্ন উর্ধতন কর্মকর্তার উপস্থিত ছিলেন।