image

পেকুয়ার টইটং ইউপি নির্বাচনে নৌকা মার্কার সমর্থনে বিশাল জনসভা

image

কক্সবাজারের পেকুয়ার টইটং ইউপি নির্বাচনে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের মনোনীত চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী জাহেদুল ইসলাম চৌধুরী তথা নৌকা মার্কার সমর্থনে এক বিশাল জনসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।  

১৮ সেপ্টেম্বর বিকাল ৩ টায় টইটং উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে টইটং ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি সরওয়ার কামাল চৌধুরীর সভাপতিত্বে ও  আ'লীগ নেতা দুলাল উদ্দিনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত হয়। 

এতে প্রধান অতিথি ছিলেন কক্সবাজার জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি (ভারপ্রাপ্ত)  ও কুতুবদিয়া উপজেলা চেয়ারম্যান এডভোকেট ফরিদুল ইসলাম চৌধুরী। 

এতে বিশেষ অতিথি ছিলেন জেলা আওয়ামী লীগের মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা এডভোকেট কামাল হোসেন, জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য এস এম গিয়াস উদ্দিন, উপজেলা আ'লীগের সাধারণ সম্পাদক আবুল কাসেম, বীর মুক্তিযুদ্ধা ও সাবেক চেয়ারম্যান বি এনপি নেতা রমিজ আহমদ, উপজেলা আ'লীগের সাবেক (ভারপ্রাপ্ত) সভাপতি এটি এম বখতিয়ার উদ্দিন চৌধুরী, সদ্য চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী থেকে সরে দাঁড়ানো উপজেলা আ'লীগের সহ সভাপতি শহিদুল্লাহ (বিএ), যুগ্ম সম্পাদক ওয়াহিদুর রহমান ওয়ারেচী, আবুল শামা শামিম, উপজেলা যুবলীগের সাবেক সভাপতি ও উজানটিয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান শহিদুল ইসলাম চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ বারেক, উপজেলা শ্রমিক লীগের সাধারণ সম্পাদক এস এম শাহাদত হোসেন।

বক্তব্য রাখেন উপজেলা জামায়াতের সাবেক সেক্রেটারী ডা.নুরুল কবির, বি এনপি নেতা আসাদুজ্জামান চৌধুরী, টইটং ইউনিয়ন জামায়াতের সাবেক আমীর মৌলভী মোহাম্মদ হোছেন। 

 এ সময় উপস্থিত ছিলেন সদর ইউনিয়ন আ'লীগের সভাপতি আজম খান,  উপজেলা যুবলীগের সহ সভাপতি জিয়াবুল হক, রাজাখালী ইউপি চেয়ারম্যান ছৈয়দ নুর, ছাত্রলীগের ইউনিয়ন সভাপতি কামাল হোসেনসহ আওয়ামী লীগের অঙ্গসংগঠনের অসংখ্য নেতৃবৃন্দ।

এ সময় উপজেলা বিএনপির নেতা ও সাবেক চেয়ারম্যান বীরমুক্তিযুদ্ধা রমিজ আহমদ বক্তব্য এ বলেন এখানে বি এনপির কোন প্রার্থী নেই। আমি সালাহউদ্দিন আহমদকে কল করে জেনে নিয়েছি তিনি টইটং ইউপি নির্বাচনে কোন প্রার্থী দিয়েছেন কিনা তিনি জানিয়েছেন কোন প্রার্থী দেয় নাই। উপজেলা বিএনপির সভাপতি বাহাদুর শাহ ও সম্পাদক ইকবাল কে কল করি তারাও একই কথা। কারণ দলীয় ভাবে কোন নির্বাচনে অংশ নেয়নি বলে কোন প্রার্থী দেয়নি। বিএনপির প্রতীক ধানের শীর্ষ কিন্তু চশমা প্রতীক কোন বিএনপির প্রতীক নই এটি বাওতাবাজী করে বিএনপি পরিবারের ভোট আদায় করার কৌশল তার। চশমা প্রতীকের প্রার্থী মোসলেম উদ্দিন চেয়ারম্যান থাকার সময় তার সামনে দা বাহিনীরা এসে জনপ্রতিনিধি মঞ্জুর মেম্বারকে প্রকাশ্য দিবালোকে হাত কেটে পেলে তিনি তখন প্রতিরোধ না করে পালিয়েছেন। এ এলাকায় চেয়ারম্যান হতে হলে সাহসী ও দক্ষ শক্তিশালী হতে হবে। 

জামায়াত নেতা ডা.নুরুল কবির বলেন টইটং ইউনিয়নে দিনদুপুরে নানা ধরনের অপরাধ হয়ে থাকে সেই অপরাধ দমনে জাহেদ চৌধুরীর বিকল্প নেই। তাই আমরা এক্যবদ্ধ হয়ে জাহেদ চৌধুরীর পক্ষে ভোট করতেছি। মোসলেম উদ্দিন চশমা মার্কা সারাদিন মোবাইল বন্ধ করে ঘুমায় খোঁজ রাখে না জনগণের। সেই প্রার্থীকে আমরা আপনারা কেন ভোট দিবেন। তিনি চশমা প্রতীকের আরো সমালোচনা করেন। 

সদ্য চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী থেকে সরে দাঁড়ানো উপজেলা আ'লীগের সহ সভাপতি শহিদুল্লাহ (বিএ) বলেন আমি দলীয় হাইকমান্ডের নিদের্শে ও জননেত্রী শেখ হাসিনা ও জেলা উপজেলা নেতাদের প্রতি সম্মান দেখিয়ে নির্বাচন থেকে সরে দাড়িয়ে জাহেদ চৌধুরী কে ততা নৌকা মার্কাকে সমর্থন জানিয়েছি। 

উক্ত জনসভায় প্রধান অতিথি কক্সবাজার জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি (ভারপ্রাপ্ত)  ও কুতুবদিয়া উপজেলা চেয়ারম্যান এডভোকেট ফরিদুল ইসলাম চৌধুরী বলেন আগামী ২০ তাং টইটং ইউপির নির্বাচনে আপনাদের এলাকার সন্তান উন্নয়ন বান্ধব চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী নৌকা মার্কার প্রার্থী জাহেদুল ইসলাম চৌধুরী কে আপনাদের মুলবান ভোট দিয়ে এলাকার সন্ত্রাস চাঁদাবাজ, অপরাধ খেকো, দা বাহিনীকে দমন করে এলাকার মা বোন তথা আপনার পরিবারকে শান্তিতে থাকতে দিন। নৌকা প্রতীক জননেত্রী শেখ হাসিনার প্রতীক বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রতীক। এলাকার উন্নয়নের জন্য আবারও নৌকা মার্কার প্রার্থী জাহেদুল ইসলাম চৌধুরী কে ভোট দিয়ে এলাকার উন্নয়নে সুযোগ দিন। তিনি আরো বলেন জাহেদ চৌধুরী শুধু আওয়ামী লীগের প্রার্থী নই তিনি আজ জনসভার মধ্যে দিয়ে প্রমাণ করেছেন। এই নির্বাচনী জনসভার মঞ্চে বেশ কয়েক জন বি এন পি ও জামায়াতের হেভিয়েট নেতারা উপস্থিত হয়ে টইটং ইউনিয়নের উন্নয়নে ঐক্যবদ্ধ হয়ে নৌকার প্রার্থী তথা জাহেদ চৌধুরীর জন্য ভোট চাইলেন তা অবাক হওয়ার বিষয়।

এ সময় নৌকা প্রতীকের প্রার্থী আওয়ামী লীগের মনোনীত চেয়ারম্যান প্রার্থী জাহেদুল ইসলাম চৌধুরী বলেন আমি  আপনাদের কাছে ওয়াদা করছি আমার জীবনের শেষবিন্দু পর্যন্ত এই টইটং ইউনিয়নের উন্নয়নে আ'লীগ ও বিএনপি জামাতের নেতাদের মতামত নিয়ে এলাকার উন্নয়নে কাজ করে যাবো। আমাকে নির্বাচিত করলে এলাকার সন্ত্রাস ও অপরাধ নিমুল করবো। আমাকে শেষবারের মত আগামী  ২০ তাং আপনাদের মুল্যবান ভোটটি নৌকা মার্কায় প্রদান করে এলাকার উন্নয়নে সহযোগিতা করবেন। 

উল্লেখ, আগামী ২০ সেপ্টেম্বর পেকুয়া উপজেলার টইটং ইউনিয়নের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।  এ নির্বাচনে ৯টি ওয়ার্ডে মোট ভোটার ১৮ হাজার ৬১২ জন।