চট্টগ্রামের বোয়ালখালী উপজেলায় নিগার সুলতানা (১৮) নামের গৃহবধুর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করেছে বোয়ালখালী থানা পুলিশ।
বুধবার (২৯ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে বোয়ালখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরী বিভাগ থেকে লাশটি উদ্ধার করে বোয়ালখালী থানার উপ-পরিদর্শক সাইফুল ইসলাম।
নিহত গৃহবধু নিগার সুলতানা বোয়ালখালী পৌরসভার ৭ নং ওয়ার্ডের জঙ্গা তালুকদার বাড়ির আহমদ মিয়ার মেয়ে। দুই মাস আগে পশ্চিম গোমদন্ডী চরখিজিরপুর সুলতান মাঝির বাড়ির মো. হেলালের সাথে বিয়ে হয় তার।
নিহতের নিগার সুলতানার স্বামী মো. হেলাল জানান, বুধবার বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে নিগার সুলতানা রাগ করে ঘরের দরজা বন্ধ করে দেয়। অনেক ডাকাডাকির পরও দরজা না খোলায় নিগারের বাপের বাড়িতে খবর দেওয়া হয়। বিকেল ৫টা দিকে দরজা ভেঙে ঘরে ঝুলন্ত অবস্থায় নিগারকে পাওয়া যায়। তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
নিহত নিগার সুলতানার মা রাবেয়া বেগম বলেন, নিগার আমার পরিবারের একমাত্র মেয়ে। দুই মাস আগে নিগারের বিয়ে হয় । শুধুমাত্র আকদ্ পড়ে তার শশুর পরিবারের লোকজন আমার মেয়েকে তুলে নিয়ে যায়। এখন বিবাহত্তোর দুই পরিবারের মধ্যে অনুষ্ঠান করার আয়োজনের কথাবার্তা চলছিল।
নিগারের বড় ভাই মোঃ সাব্বিরের অভিযোগ করে বলেন, বিয়ের কয়েকদিন যেতে না যেতেই নিগারের কাছ থেকে তারা জানতে পারে স্বামী হেলালের সাথে তার বড় ভাবির অবৈধ সম্পর্ক রয়েছে। এ নিয়ে প্রতিবাদ করায় নিগারের উপর সব সময় নির্যাতন চালাত হেলাল। শেষ পর্যন্ত তাকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করে পথের কাঁটা দূর করেছে হেলাল। আমরা এর সুষ্ঠ তদন্ত করে বিচার দাবী করছি।এটাকে হত্যাকান্ড দাবী করে অপরাধীদের বিরুদ্ধে মামলার করেছেন বলে জানান নিগারের বড় ভাই।
বোয়ালখালী থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ আবদুল করিম বলেন, খবর পেয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরী বিভাগ থেকে নিগার সুলতানার মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। ঘটনাটি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্হা নেয়া হবে বলে জানান তিনি।
Developed By Muktodhara Technology Limited