image

রাঙ্গামাটিতে যুব মহিলা লীগ নেত্রী মনিকার স্বামী হত্যা প্রচেষ্টায় শামিল প্রেমিক ছাত্রদল সভাপতি সাব্বির

image

রাঙামাটি জেলা ছাত্রদল সভাপতি ও সংগঠনটির চট্টগ্রাম বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ফারুক আহম্মেদ সাব্বিরের বিরুদ্ধে হত্যা চেষ্টার অভিযোগে মামলা দায়ের করেছেন রাঙামাটির কলেজগেইট এলাকার বাসিন্দা মোস্তাফিজুর রহমান নামের এক ব্যক্তি। একই মামলায় মোস্তাফিজ নিজের স্ত্রী মনিকা আক্তারকে প্রধান আসামী করেছেন। মনিকা আক্তার যুব মহিলা লীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত বলে জানা গেছে।

মামলার অভিযোগে বলা হয়, বিগত ২৯ জুলাই রাত আনুমানিক ৮টার দিকে রাণী দয়াময়ী উচ্চ বিদ্যালয়ের সামনে গাড়ী থামিয়ে সময় তার নিজের স্ত্রী মনিকা আক্তারের নেতৃত্বে ৬/৭ জন মুখোশধারী তার ওপর ধারালো অস্ত্র চাপাতি, রড, চাইনিজ কুড়াল নিয়ে এলোপাতাড়ি আঘাত করতে থাকেন।'

লিখিত অভিযোগরে ভিত্তিতে ৩৪১/৩২৩/৩২৪/৩২৬/৩০৭/৩২৭/৫০৬/৩৪ ধারায় মামলা নং ১৬, ২২/০৯/২০২১খ্রি থেকে জানা যায়, ঘটনার দিন মনিকা আক্তার, ফারুক আহমেদ সাব্বিরসহ অজ্ঞাত ৬/৭ জন সন্ত্রাসীর যোগসাজশে তাকে হত্যার উদ্দেশ্যে এই হামলা করে। প্রথমে মনিকাই ধারালো কিরিচ হাতে মাথায় আঘাত করে। পরে সাব্বিরসহ সহযোগিরা মাথায় কানে শরীরে এলোপাথাড়ি আঘাত করে। 

মোস্তাফিজুর রহমান জানিয়েছেন, এরপর ১১ সেপ্টেম্বর ফ্ল্যাট কেনার জন্য ৪০লক্ষ টাকার জন্য আমাকে বাসায় কাঠের বাটাম দিয়ে ব্যাপক মারধর করে। ওই ঘটনার পর ১২ সেপ্টেম্বর আমি তাকে তালাক নোটিশ প্রদান করি।' নিজে অসুস্থ থাকার কারণে মামলা দায়েরে বিলম্ব হয়েছে বলেও জানিয়েছেন তিনি। 

এ বিষয়ে বক্তব্য জানার জন্য যোগাযোগ করা হলে জেলা ছাত্রদলের সভাপতি ফারুক আহমেদ সাব্বির বলেন, 'আমি রাজনৈতিক ষড়যন্ত্রের শিকার। যিনি মামলা করেছেন তিনি আওয়ামীলীগের রাজনীতির সাথে জড়িত। এই ধরণের হামলার কোন ঘটনার সাথে আমি জড়িত ছিলাম না। তিনি মামলা করেছেন, আমিও বিষয়টি আইনগতভাবেই মোকাবেলা করব।' 

রাঙামাটির কোতয়ালী থানার অফিসার ইনচার্জ মো: মামলা হয়েছে, তদন্ত করে পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।'

এদিকে মামলার বাদি মোস্তাফিজুর রহমান এবং বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে ছাত্রদল নেতা সাব্বির ও যুব মহিলা লীগের সাধারণ সম্পাদক মনি আক্তারের মধ্যে পরিকিয়ার সম্পর্ক রয়েছে। তাদের দু’জনের একান্ত একাধিক ভিডিও রয়েছে এ প্রতিবেদকের হাতে। 

মোস্তাফিজের দাবি, সাব্বির ও মনিকা ইতোমধ্যে চট্টগ্রামের হাটহাজারী উপজেলায় গিয়ে ১৮ জুলাই বিয়ে বন্ধনে আবদ্ধ হয়েছেন। তারা তাকে হত্যার জন্য লোক লাগিয়ে দিয়েছেন। ফলে তিনি রাঙ্গামাটি ছেড়ে এখন আত্মগোপনে রয়েছেন।