একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে ইশতেহার ঘোষণা করছে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট। সোমবার (১৭ ডিসেম্বর) বেলা সাড়ে ১১টায় রাজধানীর হোটেল পূর্বাণী ইন্টারন্যাশনালে এ ইশতেহার ঘোষণা করা হয়।
নির্বাচনী ইশতেহার পরপর দুবারের বেশি প্রধানমন্ত্রী থাকা যাবে না, পুলিশ ও সামরিক বাহিনী ছাড়া সরকারি চাকরির বয়সসীমা তুলে দেয়া, অনগ্রসর জনগোষ্ঠী ও প্রতিবন্ধী ছাড়া সব কোটা বাতিল, ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন বাতিল করা এবং সংখ্যালঘুদের জন্য আলাদা মন্ত্রণালয় গঠনের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে ঐক্যফন্ট।
ইশতেহার ঘোষণার আগে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের শীর্ষ নেতা ও গণফোরাম সভাপতি ড. কামাল হোসেন বলেন, সময় এসেছে ঐক্যবদ্ধ হয়ে রুখে দাঁড়ানোর, দেশের মালিকানা বুঝে নেওয়ার। জনগণই হবে ক্ষমতার মালিক। দেশের মালিক হওয়ার জন্য লক্ষ লক্ষ মানুষের জীবন দিতে হয়েছে। সংবিধানে জনগণকে দেশের মালিকানা দেওয়া হয়েছে।
প্রতিশ্রুতিগুলো হলো-
১. জাতীয় ঐক্যগড়া।
২. প্রধানমন্ত্রী ও রাষ্ট্রপতির ক্ষমতার ভারস্যাম্য আনা।
৩. মতপ্রকাশের স্বাধীনতা ও নাগরিকদের নিরাপত্তা বিধান।
৪. নির্বাচনকালীন সরকারের বিধান তৈরি।
৫. পরপর দুই মেয়াদের বেশি প্রধানমন্ত্রী থাকা যাবে না।
৬. ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন বাতিল করা হবে।
৭. প্রথম বছরে বিদ্যুৎ ও গ্যাসের দাম বাড়ানো হবে না।
৮. প্রবাসীদের ভোটাধিকার নিশ্চিত করা হবে।
৯. দেশের সব নাগরিককে স্বাস্থ্যকার্ড দেয়া হবে।
১০. পুলিশ ও সামরিক বাহিনী ছাড়া চাকরিতে প্রবেশের জন্য কোনো বয়স সীমা থাকবে না। সরকারি চাকরিতে শুধুমাত্র অনগ্রসর জনগোষ্ঠী ও প্রতিবন্ধীদের
জন্য কোটা ছাড়া আর কোনো কোটা থাকবে না।
১১. সংখ্যালঘুদের জন্য আলাদা মন্ত্রণালয় গঠন করা হবে।
১২. বিচারবহির্ভুত হত্যাকাণ্ড ও গুম পুরোপুরি বন্ধ করা হবে।
১৩. পিএসসি-জেএসসি পরীক্ষা বাতিল করা হবে।
১৪. অর্থপাচার রোধে কার্যকর ব্যবস্থা নেয়া হবে এবং পাচারকৃত অর্থ ফেরত আনা হবে।
Developed By Muktodhara Technology Limited