image

জলে-যানে একাকার সিমেন্ট ক্রসিং-সল্টগোলা রেলক্রসিং এলাকা

image

নগরীর ইপিজেড থানাধীন  সিমেন্ট ক্রসিং সল্টগোল  রেল ক্রসিং এলাকায় জল আর যানে একাকার হয়ে তীব্র জটের সৃষ্টি হয়েছে। ফলে এ ভিআইপি সড়কে বিমান বন্দরে উদ্দেশ্যে রওনা দেওয়া হাজীদের পাশাপাশি সকল শ্রেণি পেশার মানুষকে তীব্র জটে নাকাল হতে হয়েছে।

তিন চার দিনের টানা বর্ষণে ৩৮,৩৯ ও ৪০নং ওয়ার্ডের বাসিন্দারা পানির সাথেই নিত্য বসবাস শুরু করে দিয়েছেন। বিশেষ প্রয়োজনেও মানুষ ঘর ছেড়ে বাইরে বেরিয়ে আসতে পারছেনা হাঁটু কিংবা কোমরসম পানি ডিঙিয়ে। প্রধান সড়কে ওভারব্রিজের উন্নয়ন কাজের জন্য রাস্তা সরু করে এক লাইনে চলে গাড়ী।এ অবর্নণীয় দুর্ভোগ থেকে যেন নিস্তার নেই। 

এদিকে পবিত্র হজ্ব পালনের জন্য বিমানবন্দর সড়কে হাজ্বীরা পড়েছেন বিপাকে। গাড়ীর চাকা ঘুরছেই না, অন্যদিকে নির্দিষ্ট সময়ে বিমান ছেড়ে দেয়ার আশংকায় ঘায়েল করেছে পবিত্র হজ্বেগমণকারী যাত্রীদের। জলাবদ্ধতা আর উন্নয়ন কাজের কারণে এক পাশের সড়ক বন্ধ থাকায় এই উপক্রম হয়েছে বলে দায়িত্বরত পুলিশের এক টিআই জানিয়েছেন। সিমেন্ট ক্রসিং সল্টগোলা রেল ক্রসিং, বন্দর কাস্টম মোড় পর্যন্ত কোনরূপ গণপরিবহণ/যাত্রীবাহি গাড়ী যেতে পারেনি এ উভয় জটের কারণে।

টানা বর্ষনে  নিচু এলাকা সিমেন্ট ক্রসিং, আকমল আলী রোড, কাজীগলি-বি আলম রোড, স্টীল মিল বাজার, খেজুর তলা, হোসেন আহম্মদ পাড়া, কাটগড় মুসলিমাবাদ, দক্ষিণ পাড়া, মাইজপাড়া, হিন্দুপাড়া, চরপাড়া, বন্দরের নিউমুরিং, বন্দরটিলা নয়াহাট, ইপিজেড কলসিদিঘী, আনন্দ বাজার চৌধুরী পাড়া, কাস্টম-নিমতলার নিচু এবং গোসাইল ডাঙ্গার নিচু এলাকায় তীব্র জলাবদ্ধতা নাগরিক জীবনকে এক প্রকার বিপর্যস্ত করে তুলেছে।

এ জট হাজী এবং ডিগ্রী পরীক্ষার্থীদের জন্য বয়ে এনেছে অস্বস্তি আর দুর্ভোগ, যা থেকে সহসা পরিত্রাণের কোন উপায় দেখছেন না ভুক্তভোগীরা।