image

আনোয়ারা হাসপাতাল-তৈলারদ্বীপ সড়ক পুকুরে পরিণত

image

চট্টগ্রামের আনোয়ারা হাসপাতাল-তৈলারদ্বীপ সড়কটির বেহাল দশা। দীর্ঘ ১৫ বছর ধরে এ সড়কের কোন সংস্কার কাজ না হওয়ায় এর দুইটি বেইলি ব্রিজও ব্যবহার অনুপযোগী হয়ে পড়ে। সড়কের কার্পেটিং উঠে মাঝখানে বড় বড় গর্তের হয়ে পুকুরের সৃষ্টি হয়। যার ফলে এ সড়কে জন দুর্ভোগের শেষ নেই। 

স্থানীয়রা জানায়, আনোয়ারা বাঁশখালীর সাথে যোগাযোগের একমাত্র মাধ্যম ছিল আনোয়ারা হাসপাতাল-তৈলারদ্বীপ সড়ক। বাঁশখালী ছাড়াও সাতকানিয়া, পেকুয়া, মহেশ খালীর যাহবাহনও এসড়ক দিয়ে চলাচল করত। তৈলারদ্বীপ সেতু চালু হলে সড়ক দিয়ে ভারী যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। এতে করে সড়কটি অভ্যন্তরীণ যোগাযোগ ব্যবস্থার গ্রামীণ সড়কে পরিণত হয়। সড়ক ও জনপদ বিভাগ পরিচালিত এ সড়কটি দীর্ঘ ১৫ বছরেও সংস্কারের হাত না লাগায় স্থানীয়দের যোগাযোগ ব্যবস্থায় দুর্ভোগ নেমে আসে। এর জন্য স্থানীয়রা কর্তৃপক্ষের উদাসিনতাকেই দায়ী করছে। সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, স্থানীয় অর্ধলক্ষ মানুষ ছাড়াও আনোয়ারা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, উপজেলা সদর, আনোয়ারা সরকারি কলেজ, ঝি-বা-শি উচ্চ বিদ্যালয়, তৈলারদ্বীপ এর্শাদ আলী উচ্চ বিদ্যালয় ও বারখাইন জামেয়া জমহুরিয়া সিনিয়র আলিম মাদরাসার কয়েক হাজার শিক্ষার্থীর চলাচলের একমাত্র মাধ্যম এ সড়ক। শুধু তাই নয় অভ্যন্তরীণ যাতায়াতে এ সড়কটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে। বর্তমানে দীর্ঘদিন সংস্কার না হওয়ায় এ সড়কটির দুইটি বেইলি ব্রিজ মেয়াদোত্তীর্ণের পাশাপাশি সড়কের বিভিন্ন অংশের কার্পেটিং উঠে পুকুর সাদৃশ্য রূপ নিয়েছে। ফলে বিভিন্ন পেশার মানুষের নিত্য দিনের যাতায়াতে চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। 

ঝিবাসি উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক মোতাহের হোসেন জানায়, স্কুল কলেজের শিক্ষার্থী ছাড়াও আনোয়ারা হাসপাতালের জন্য এ সড়কটি গুরুত্বপূর্ণ। বারখাইন ইউনিয়নের অর্ধলক্ষ মানুষের যোগাযোগে এ সড়কই মূল ভরসা। দীর্ঘদিন ধরে সংস্কার কাজ না হওয়ায় সড়কের শোলকাটা ও শিলাইগড়ার দুইটি বেইলি ব্রিজ মেয়াদোত্তীর্ণ হয়ে পড়ে রয়েছে। তাই জনস্বার্থে জরুরী ভিত্তিতে সড়কটি মেরামত প্রয়োজন।

এ ব্যাপারে জানতে চাইলে সওজ এর উপ-সহকারী প্রকৌশলী বলরাম চাকমা জানায়, আনোয়ারা হাসপাতাল তৈলারদ্বীপ সড়কটির সংস্কার কাজ চলতি বছর  শেষের দিকে শুরু হবে। সড়কে ঝুঁকিপূর্ণ দুইটি বেইলি ব্রিজের টেন্ডার প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে মন্ত্রণালয়ে প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে।