image

করোনাভাইরাস: আক্রান্ত ও সুস্থ্যতা উভয় তীর উর্দ্ধমুখী

image

বাংলাদেশে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত ও সুস্থ্য হওয়ার মিটার উভয়দিকে উর্দ্ধমুখী। একদিনে সর্বোচ্চ আক্রান্তের রেকর্ড ছোঁয়ার পাশাপাশি সুস্থ্য হওয়ার রেকর্ডও ছাড়িয়ে গেছে অতীতকে।

বাংলাদেশে কোভিড-১৯ থেকে সেরে ওঠার সংখ্যা ১৭৭ থেকে একলাফে ১০৬৩ জনে দাঁড়িয়েছে।

কীভাবে এত অল্প সময়ের মধ্যে এত বেশি রোগী সুস্থ হলো তার কারণ হিসেবে আইইডিসিআর বলছে, কাদেরকে সুস্থ বলা হবে সে ব্যাপারে বাংলাদেশের ক্লিনিক্যাল ম্যানেজমেন্ট কমিটির দেয়া একটি নতুন গাইডলাইন অনুসরন করা হয়েছে।

এদিকে, বাংলাদেশে গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ৬৬৫ জনের মধ্যে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। এটাই এযাবৎকালের সবোর্চ্চ সংখ্যক করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হওয়ার ঘটনা।

এ নিয়ে মোট আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৯৪৫৫ জনে।

এই সময়ে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন ২ জন। ফলে এ নিয়ে বাংলাদেশে কোভিড-১৯ এ মৃতের সংখ্যা ১৭৭।

গত ২৪ ঘণ্টায় নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে ৫,৩৬৮টি ।

বর্তমানে দেশের ৩১টি ল্যাবরেটরিতে করোনাভাইরাস আক্রান্তদের নমুনা পরীক্ষা করা হচ্ছে বলে পহেলা মে'র নিয়মিত স্বাস্থ্য বুলেটিনে জানানো হয়।

এদিকে মারা যাওয়াদের ২ জনের মধ্যে একজনের বয়স ১১-২০ বছরের মধ্যে। আরেক জনের বয়স ষাট বছরের ওপরে।

তাদের একজন রংপুরের বাসিন্দা, আরেকজন নারায়নগঞ্জের।

বাংলাদেশে গত ২৪ ঘণ্টায় ৬৫ জনকে আইসোলেশনে নেয়া হয়েছে। আইসোলেশন থেকে ছাড়া হয়েছে ৬০ জনকে।

এছাড়া গত ২৪ ঘণ্টায় কোয়ারেন্টিনে নেয়া হয়েছে ৯৮৭৪ জনকে। ছাড় পেয়েছেন ২১৪৯ জন।

বাংলাদেশে বর্তমানে প্রায় লাখের মতো সুরক্ষা সামগ্রী মজুদ আছে বলে গতকালকের বুলেটিনে জানানো হয়। নতুন করে সংগ্রহ করা হয়েছে ৩২,৬৭০টি সুরক্ষা সামগ্রী।

গত ২৪ ঘণ্টায় চারটি হটলাইনে ৭০,২২১ টি ফোন এসেছে। সেখানে কোভিড-১৯ বিষয়সহ নানা স্বাস্থ্য পরামর্শ দেয়া হয়েছে।

এছাড়া মোবাইল ফোন এবং ওয়েবসাইটের মাধ্যমেও ১৭,০০৮ জনকে সেবা দেয়া হয়েছে।

বিমানবন্দর, স্থলবন্দর এবং সমুদ্রবন্দর মিলিয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় স্ক্রিনিং করা হয়েছে ৫৬৯ জনকে।