image

স্বপ্ন ছুঁয়ে দিল যেভাবে

image

অচিন করোনা হানা দেয়ার পর থেকে চট্টগ্রামে লায়ন সদস্যরা নানাভাবে কাজ করছেন। খাদ্য সহায়তা দেয়া থেকে শুরু করে নানাভাবে মানুষের পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করেছেন বিশ্বের সর্ববৃহৎ এই সেবা সংগঠনের সদস্যরা। কিন্তু চিকিৎসা সংকট প্রকট হয়ে উঠার পর লায়ন সদস্যদের আকুতি ছিল চিকিৎসা ক্ষেত্রে কিছু একটা করার। সদস্যদের এই আকুতি যেন কান পেতে শুনেছিলেন লায়ন্স গভর্নর কামরুন মালেক। তিনি সদস্যদের সহায়তা কামনা করেন।

গভর্নর লায়ন কামরুন মালেকর আহ্বানে এগিয়ে আসে স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম সংবাদপত্র দৈনিক আজাদী। মাত্র দিন কয়েকে বেশ বড়সড় একটি ফান্ড গড়ে উঠে। এই তহবিল খরচ করে চট্টগ্রাম মা ও শিশু হাসপাতালে গড়ে তোলা হয় ৩০ বেডের লায়ন করোনা সাপোর্ট সেন্টার। সার্বক্ষনিক হাই ফ্লো অক্সিজেন সাপোর্টসহ এইচডিইউ মানের এই ওয়ার্ডে আগামী শনিবার থেকে রোগী ভর্তি শুরু হবে। চট্টগ্রামের সর্বস্তরের মানুষ এই ওয়ার্ডে চিকিৎসা সুবিধা পাবেন। লায়ন্স সদস্যরাও পাবেন প্রয়োজনীয় চিকিৎসা। চট্টগ্রামের লায়ন্স গভর্ণর কামরুন মালেক এবং সদস্যদের অনেক স্বপ্ন ছিল এই ধরনের একটি সাপোর্ট সেন্টার গড়ে তোলা। বহুদিনের এই স্বপ্ন আজ বাস্তবায়িত হলো। লায়ন্স সদস্যদের অনেকের অনেক চেষ্টায় ঝলমল করে উঠলো লায়ন্স করোা সাপোর্ট সেন্টার। দৈনিক আজাদী বরাবরের মতোই এই ভালো কাজটির পাশে ছিল।

লায়ন্স করোনা সাপোর্ট সেন্টার প্রতিষ্ঠায় আমার আনন্দটি একটু অন্যরকম। আমি লায়নিজমের সাথে আছি। আমার প্রিয় ক্লাব লায়ন্স ক্লাব অব চিটাগাং মেট্রোপলিটন সাপোর্ট সেন্টার প্রতিষ্ঠায় শুরু থেকে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখার চেষ্টা করে। স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম সংবাদপত্র দৈনিক আজাদীও আমার আত্মার সাথে মিশে আছে। আমি আছি এখানে। আর মা ও শিশু হাসপাতালের আজীবন সদস্য হিসেবেও প্রতিষ্ঠানটির সাথে আছে আমার বিশেষ মমত্ব।

আগ্রাবাদ মা ও শিশু হাসপাতালে লায়ন্স ক্লাবস ইন্টারন্যাশনাল ডিস্ট্রিক্ট ৩১৫বি৪ এর উদ্যোগে দৈনিক আজাদীর সহায়তায় গড়ে উঠা লায়ন্স করোনা সাপোর্ট সেন্টারের সাথে সংশ্লিষ্ট তিনটি প্রতিষ্ঠানই আমার অন্তরের। এতে করে গতকাল ঘোরবর্ষায় অনুষ্ঠিত এই করোনা সাপোর্ট সেন্টারের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আমার অন্তরটি সারাক্ষণই রিনিঝিনি করছিল।

দৈনিক আজাদী’র চীফ রিপোর্টার হাসান আকবর’র ফেবু স্ট্যাটাস