image

ডা.মোর্শেদ আলীর উদ্যোগে এবার কুতুবদিয়া হাসপাতালে হবে অক্সিজেন লাইন স্থাপন

image

পেশায় একজন ডাক্তার। বর্তমানে আন্দরকিল্লা জেনারেল হাসপাতালে মেডিকেল অফিসার হিসেবে কর্মরত আছেন। সাতকানিয়ার এ কৃতি সন্তান ডা. মোর্শেদ আলী করোনার শুরু থেকেই চট্টগ্রামে সম্মুখ কাতারের যোদ্ধা হিসেবে ইতোমধ্যে মানুষের আস্থা ও ভালবাসায় বিশেষ জায়গা দখল করে নিয়েছেন।

তার একক প্রচেষ্টায় দক্ষিণ চট্টগ্রামে করোনা চিকিৎসায় প্রথম সেন্ট্রাল অক্সিজেন লাইন সমৃদ্ধ চিকিৎসা সেবা কেন্দ্রের কাজ দ্রুত এগিয়ে চলেছে। নিজে প্রথমে সাহস করে উদ্যোগ নিয়ে সাতকানিয়া উপজেলা স্বাস্থ্যকেন্দ্রে এ পূর্ণাঙ্গ করোনা ইউনিট স্থাপনের প্রত্যয় ব্যক্ত করলে ইতোমধ্যে সাধারণ মানুষ সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন এ প্রকল্পে। 

দেশ বিদেশের দলমত নির্বিশেষে সকল মানুষের সহযোগিতায় প্রায় অর্ধেক কাজ শেষ হয়েছে এ প্রকল্পের। ১৫ তারিখ থেকে এখানে পূর্ণাঙ্গ চিকিৎসা কার্যক্রম চালুর টার্গেট রয়েছে তার।

করোনা যোদ্ধা ডা. মোর্শেদ আলী এবার তার এলাকার বাইরে দ্বীপ উপজেলা কুতুবদিয়ায় করোনা রোগীদের অক্সিজেন সমস্যা সমাধানে ব্রতী হয়ে হাজির হয়েছেন। কুতুবদিয়ায় ডা.মোর্শেদ আলীর ব্যক্তিগত অর্থায়ন সাথে তার একজন শ্রদ্ধেয় শিক্ষক এবং কুতুবদিয়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের যৌথ উদ্যোগে বাস্তবায়িত হবে। দূর্গম এ জনপদের মানুষের করোনা চিকিৎসায় অতি প্রয়োজনীয় অক্সিজেন সরবরাহ এবং চিকিৎসা সেবা নিশ্চিতে ইতোমধ্যে তিনি কাজ শুরু করে দিয়েছেন।

এ বিষয়ে ডা. মোর্শেদ বলেন, দূর্গম এলাকাগুলোতে প্রয়োজনীয় অক্সিজেনের অভাবে শহরে রোগী রেফার করলে সেই রোগীর ভাগ্যে কি ঘটতে পারে তা সহজেই অনুমেয়। প্রান্তিক জনগনের জন্য প্রয়োজনে অক্সিজেনের যোগান দিতে আমার পরবর্তী কার্যক্রম দ্বীপ উপজেলা কুতুবদিয়ায় সেন্ট্রাল অক্সিজেন লাইন স্হাপন।

তিনি বলেন, এ প্রকল্পটি আমার ব্যক্তিগত অনুদান, আমার একজন স্যারের ব্যক্তিগত অনুদান এবং কুতুবদিয়া হেলথ কমপ্লেক্সের যৌথ অর্থায়নে বাস্তবায়িত হবে ইনশাআল্লাহ।

তিনি আরও বলেন, করোনা এসে হয়তো আপনাদের বুঝিয়ে দিয়েছে একজন রোগীর চিকিৎসা ব্যবস্থায় অক্সিজেন কতোটা প্রয়োজন। কিন্তু একজন ডাক্তার হিসেবে সেটা আমি মেডিকেল স্টুডেন্ট অবস্থা থেকেই জানি। একজন সংকটাপন্ন রোগী সে যে রোগেই আক্রান্ত হোক না কেন তাঁর অক্সিজেন লাগেই। নাকে অক্সিজেনের চিকন নল ছাড়া কোন মুমূর্ষু রোগীর চেহারা বা ছবি নিশ্চয়ই আপনারা দেখেননি। কিন্তু এই প্রয়োজনীয় অক্সিজেনের সংকট যে কতো প্রকোপ তা কোভিড এসে আরো ভালোভাবে বুঝিয়ে দিল।

তিনি কুতুবদিয়ায় অক্সিজেন লাইন স্থাপন প্রকল্পে সকলের সহযোগিতা, পরামর্শ এবং সার্বিক সমর্থন প্রত্যাশা করেছেন।