image

কেরানীগঞ্জ সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান ও মুক্তিযোদ্ধা আতিক উল্ল্যাহ চৌধুরীর হত্যার রায় বুধবার

image

ঢাকার কেরানীগঞ্জ উপজেলার কোন্ডা ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও ততকালীন আওয়ামী লীগের আহবায়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা আতিক উল্ল্যাহ চৌধুরী হত্যা মামলার রায় ঘোষণার জন্য (বুধবার)৩০ সেপ্টেম্বর দ্রুত বিচার ট্রাইবুনাল -১ বিচারক আবু জাফর মোহাম্মদ কামরুজ্জামানের আদালতে রায়ের পূর্বে নির্ধারিত দিন ধার্য্য রয়েছে।

গত ১০ সেপ্টেম্বর রাস্ট্র পক্ষ ও আসামি পক্ষের আইনজীবীদের যুক্তিতর্ক শেষে বিচারক এ তারিখ ধার্য করেন।

এসময় আট আসামীর মধ্যে ইমন, জাহাঙ্গীর এবং শম্পা আদালতে উপস্থিত থাকলেও মামলার প্রধান আসামী গোলজার, শিবু, আসিফ, তানু এবং টুন্ডা আমিন পালাতক রয়েছে।

উল্লেখ্য ২০১৩ সালের ১০ ডিসেম্বর নিখোঁজ হন বীরমুক্তিযোদ্ধা ও ইউপি চেয়ারম্যান আতিক উল্ল্যাহ চৌধুরী। পরদিন ১১ ডিসেম্বর দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের দোলেশ্বর এলাকার একটি হাসপাতালের পাশ থেকে তার আগুনে পোড়া  বিকৃত লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।

পরে তার সঙ্গে থাকা কাগজ ও এটিএম কার্ড দেখে লাশ শনাক্ত করেন নিহতের ছেলে সাইদুর রহমান ফারুক চৌধুরী।এ ঘটনার পর আতিক উল্ল্যাহ চৌধুরীর রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বী ও বর্তমান উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য গুলজার তার ভাগ্নে শাহীনসহ ৯জনের বিরুদ্ধে মামলা করেন নিহতের ছেলে কোন্ডা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ফারুক চৌধুরী। খুনে জড়িত সন্দেহে পুলিশ গুলজার, শিবু, আসিফ, তনু, টুন্ডা আমিনসহ ৯ জনকে আটক করে। একই অভিযোগে পুরান ঢাকার শহীদ কমিশনারকেও গ্রেপ্তার করা হয়।

তবে তিনজন ছাড়া বাকি সবাই আটকের পর জামিন নিয়ে পলাতক রয়েছে।

মামলার বাদী ফারুক চৌধুরী বলেন, মামলার অন্যতম আসামি শম্পার মাধমে প্রধান আসামি গুলাজার দোলেশ্বর হাসপাতালে ডেকে নিয়ে আমার পিতাকে হত্যা করছে। আমি হত্যায় জড়িত গুলজারসহ সকল খুনিদের সর্বোচ্চ সাজা ফাঁসি দাবী করছি। এ রায়কে কেন্দ্র করে গত কয়েকদিন ধরে এলাকার জনসাধারণ আতিক উল্লেখ্যাহ চৌধুরী হত্যাকারীদের ফাঁসি দাবি করে মানববন্ধন ও সমাবেশ করে আসছে।