image

লাগামহীন দ্রব্যমূল্যে সাতকানিয়ার নাগরিক জীবন ওষ্ঠাগত

image

অর্থনীতির নিয়মানুযায়ী পণ্যের সরবারহ কমলে দাম বাড়ে আর সরবারহ বাড়লে দাম কমে। কিন্ত বাংলাদেশে কোন পণ্যের দাম একবার বাড়লে তা আর কমতে চায়না। এক কথায়, এদেশে ভোক্তার অধিকার নিয়ে কথা বলার কেউ নেই। বিরোধী দল থাকলেও তার লাগাম সরকারের হাতে। বাজার নিয়ন্ত্রণে সরকার পুরোপুরি ব্যর্থ। কিন্ত এ ব্যর্থতা তুলে ধরে জনগণের স্বার্থ রক্ষার জন্য কথা বলার কেউ নেই।

চালের মূল্য নিয়ন্ত্রণহীন পড়ায় বাণিজ্য মন্ত্রানালয় বলছে, আটা-চালের দাম দেখার দায়িত্ব খাদ্য মন্ত্রানালয়ের। খাদ্য মন্ত্রানালয় বলছে,আমাদের হাতে বাজার নিয়ন্রণের ক্ষমতা নেই।

সাতকানিয়ার কেরানিহাট, লোহাগাড়ার কাচা বাজার ঘুরে দেখা গেছে, দেশি পেয়াঁজের দাম ৯০ থেকে ১০০ টাকার মধ্যে। আলু এখনও ৪০-৫০ টাকা। ভালো মানের মিনিকেট চাল ৬০-৬২, মাঝারি মানের মিনিকেট ৫০-৫২ টাকা,৫০ টাকার নিচে কোন চাল বাজারে নেই বললে চলে। বোতলজাত সয়াবিন তেল বিক্রি হচ্ছে ১০০-১০৮ টাকা লিটারে। গুঁড়োদুধের দাম বেড়েছে কেজিতে ২৫-৩০ টাকা। ৮০ টাকার নিচে সবজি পাওয়া মুশকিল। কাঁচামরিচের কেজি এখনও ২৫০-৩০০ টাকা। কেজিতে মসুর ডালের দাম বেড়েছে ৫-১০ টাকা।

মধ্যবিত্তদের আয়ের সঙ্গে ভারসাম্য রাখতে গিয়ে প্রতিদিনের বাজার তালিকা কাটছাঁট করতে হচ্ছে। অনেকে জমানো পুঁজি ভাঙ্গিয়ে সংসার চালাচ্ছেন। নিম্ন আয়ের মানুষের তিনবেলা পেটপুরে রীতিমত হিমশিম খেতে হচ্ছে। 

এক কথায় মানুষ এখন চরম অর্থ সংকটে। সাধারণ মানুষের ব্যবসা বাণিজ্যর অবস্থা খুবই খারাপ।অনেক চাকুরীজীবী হয়ে পড়েছে বেকার;অনেকের চাকুরী আছে কিন্ত বেতন কমে গেছে। মুদির দোকান ব্যবসায়ী খোরশেদ জানান,আমাদের বেশী দামে কিনতে হলে বেশী দামে বিক্রি করি,কিন্তু ভোক্তার অবস্থা কেউ পর্যবেক্ষণ করেনা।  আল আমিন! ঔষধ কোম্পানিতে চাকরী করেন। তিনি এভাবে বলেন, আমি যে বেতন দিয়ে আগে পুরো মাস চলতাম এখন সে বেতন দিয়ে ১৫ দিন চলতে পারিনা। আয় বাড়েনি কিন্ত ব্যয় বেড়ে গেছে।