image

আনোয়ারায় ৬ স্ত্রী, ৬ সন্তানের জনক শিশু ধর্ষণের অভিযোগে গ্রেপ্তার

image

আনোয়ারা উপজেলার বটতলী ইউনিয়নের গুচ্ছ গ্রামের ৯ নম্বর ব্যারাকে ৪বছরের এক শিশুকে ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগে বটতলী রুস্তম হাট বাজারের নৈশ প্রহরী মো. ফেরদৌস (৫২) নামের একজনকে ্গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

গ্রেপ্তার হওয়া ফেরদৌস ৬ স্ত্রী ও ৬ সন্তানের জনক।

ফেরদৌস স্থানীয় মৃত ছালেহ আহামদের পুত্র। সে গুচ্ছ গ্রামে ৯ নম্বর ব্যারাকের ১ নম্বর কক্ষে থাকত।

শুক্রবার (৬ নভেম্বর) রাতে বটতলী রুস্তম হাট বাজার থেকে পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করেছে। তার বিরুদ্ধে শিশুটির পিতা বাদী হয়ে নারী ও শিশু নির্যাতন আইনে মামলা দায়ের করেছে। শনিবার দুপুরে তাকে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।

আনোয়ারা থানার মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার সন্ধ্যায় উপজেলার বটতলী ইউনিয়নের গুচ্ছ গ্রামে ৯ নম্বর ব্যারাকের ১নং কক্ষে শিশুটিকে একা পেয়ে ফেরদৌস জড়িয়ে ধরে ধর্ষণের চেষ্টা করে। এসময় শিশুটির বড় বোন শিশুটিকে খুঁজতে গেলে আপত্তিকর অবস্থায় দেখে ফেরদৌসের কাছ থেকে শিশুটিকে টেনে নিয়ে এসে তার মাকে ঘটনাটি বলে।

পরে রাতে শিশুটির পিতা বাসায় আসার পর সব ঘটনা শুনে স্থানীয় ইউপি সদস্য মাহাবুব আলমকে ঘটনা অবগত করে শিশুটিকে নিয়ে আনোয়ারা থানায় মামলা দায়ের করলে পুলিশ ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগে ফেরদৌসকে রাতে বটতলী রুস্তম হাট থেকে গ্রেপ্তার করে।

স্থানীয়দের সাথে কথা বলে জানা যায়, ফেরদৌসের ৬ স্ত্রী ও ৬ সন্তান থাকলেও ফেরদৌসের অত্যাচার-নির্যাতনের কারণে স্ত্রী সন্তানরা কেউ তার সাথে থাকেনা। গুচ্ছ গ্রামের কক্ষে সে একাই বাস করে এবং নানা অপকর্ম চালিয়ে যায়। পূর্বেও সে বিভিন্ন অপকর্ম করলেও তার ভয়ে কেউ থানায় অভিযোগ করতনা।

শিশুটির পিতা আরিফুল ইসলাম বলেন, আমার শিশু কন্যাকে ফেরদৌসের ঘরে নিয়ে ধর্ষণের চেষ্টা করলে আমার বড় মেয়ে তার কাছ থেকে উদ্ধার করে নিয়ে আসে। আমি স্থানীয় মেম্বারের পরামর্শে থানায় অবগত করে মামলা করেছি। বর্তমানে ফেরদৌসের লোকজন আমাকে ঘটনা মিমাংসা জন্য হুমকি দিচ্ছে। 

আনোয়ারা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা দুলাল মাহমুদ জানান, ৪ বছরের শিশুকে ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগে ফেরদৌসকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সে ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেছে। তার বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন আইনে মামলা দায়ের হয়েছে। শনিবার দুপুরে তাকে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।