হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় সম্মেলন (কাউন্সিল) প্রায় ৫শ জনের অধিক কেন্দ্রীয় প্রতিনিধির উপস্থিতিতে আল্লামা জুনায়েদ বাবুনগরীকে আমীর ও নূর হোসাইন কাশেমী মহাসচিব এবং মাওলানা আজিজুল হক ইসলামাবাদীকে সাংগঠনিক নির্বাচিত করে ১২২ জনের নাম ঘোষণা করা হয়েছে। ঘোষিত কমিটিতে উপদেষ্টা ২৪ জন, নায়েবে আমীর ৩২জন, ৭জন যুগ্ম মহাসচিব, ১৮জন সহকারী মহাসচিব, ৯জন সহ সাংগঠনিকসহ অন্যান্য পদ ও সদস্য রয়েছেন।
রবিবার (১৫ নভেম্বর) সকাল দশটা থেকে শুরু হয় হেফাজতের সদর দপ্তর হিসেবে পরিচিতি দারুল উলুম হাটহাজারী মাদ্রাসায়। সারা দেশ থেকে ৫০০ প্রতিনিধির উপস্থিতিতে মুরুব্বিরা এ সিদ্ধান্ত নেন।
এসময় শতাধিক পুলিশ,র্যাব,এনএসআই ও ডিএসবির আইন শৃঙ্খলা বাহিনী ও উধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, হেফাজত ইসলাম বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাতা আমির ও দারুল উলুম মঈনুল ইসলাম হাটহাজারী মাদ্রাসার সাবেক মহাপরিচালক শায়খুল ইসলাম আল্লামা শাহ আহমদ শফি চলতি বছরের ১৮ সেপ্টেম্বর ঢাকায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন। তারপর থেকে হেফাজতের আমিরের পদটি শূণ্য রয়েছে। মূলত এরপর থেকেই হেফাজত প্রতিষ্ঠার ৮ বছরের মাথায় এসে কাউন্সিলের আলোচনা শুরু হয়।
জানা যায়, ২০১০ সালের ১৯ জানুয়ারি গঠিত হয়েছিল চট্টগ্রাম কেন্দ্রিক কওমি আক্বীদাপন্থি অরাজনৈতিক ইসলামী সংগঠন হেফাজত ইসলাম বাংলাদেশ। যদিওবা পরে অরাজনৈতিক এ সংগঠনটি রাজনৈতিক ফ্যাক্টর হয়ে দাঁড়ায়। হটহাজারীর দারুল উলুম মঈনুল ইসলাম মাদ্রাসার প্রয়াত প্রধান পরিচালক আল্লামা শাহ আহমদ শফিকে আমির ও মাদ্রাসার তৎকালীন সিনিয়র মুহাদ্দিস আল্লামা জুনায়েদ বাবুনগরীকে মহাসচিব করে হেফাজতের ২২৯ সদস্যের মজলিশে শুরা কমিটি গঠন করা হয়েছিল সেই সময়। দেশ বরেণ্য শীর্ষ আলেম আহমদ শফি চলতি বছরের গত ১৮ সেপ্টেম্বর ঢাকায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করার পর হেফাজতের আমিরের পদটি শূণ্য রয়েছে। ধর্মনিরপেক্ষ শিক্ষানীতির বিরোধিতার মধ্য দিয়ে হেফাজতের আত্মপ্রকাশ হলেও সংগঠনটি দেশজুড়ে আলোচনায় আসে ২০১৩ সালে ১৩ দফা দাবিতে আন্দোলনের মধ্য দিয়ে।
Developed By Muktodhara Technology Limited