image

আনোয়ারায় ১ লাখ ৪৬ হাজার পিস ইয়াবাসহ আটক ৩, পলাতক ১

image

আনোয়ারায়  ১ লাখ ৪৬ হাজার পিস ইয়াবাসহ ৩ পাচারকারীকে আটক করেছে পুলিশ।

বৃহস্পতিবার (২৪ ডিসেম্বর) সকাল সাড়ে সাতটায় উপজেলার পিএবি সড়কের কালাবিবি দিঘীর মোড় এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (পটিয়া সার্কেল)র নেতৃত্বে পটিয়া ও আনোয়ারা পুলিশের একটি যৌথ দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে খবর পেয়ে এ অভিযান চালানো হয়েছে।

এসময় ইয়াবা পাচারের ২টি মোটর সাইকেল ও আটক করা হয়। তবে ১ পাচারকারী পালিয়ে যায়।

আটককৃতদের জিজ্ঞাসাবাদ শেষে আদালতে প্রেরণ করা হবে বলে পুলিশের প্রেস ব্রিফংএ জানানো হয়।

বৃহস্পতিবার(২৪ ডিসেম্বর) দুপুর ১ টায় চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ সুপার এস এম রশিদুল হক প্রেস ব্রিফিংএ এসব তথ্য জানান।

প্রেস ব্রিফিংএ উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মহিউদ্দীন মাহমুদ সোহেল,অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (পটিয়া) সার্কেল মো. তারিক রহমান, সহকারি পুলিশ সুপার (আনোয়ারা সার্কেল) মো. মফিজ উদ্দিন, আনোয়ারা থানার অফিসার্স ইনচার্জ এসএম দিদারুল ইসলাম, পটিয়া থানা অফিসার্স ইনচার্জ রেজাউল করিম প্রমুখ।

চট্টগ্রাম জেরা পুলিশের প্রেস রিলিজ সূত্রে জানাযায়, বৃহস্পতিবার ভোরে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (পটিয়া সার্কেল) মো. তারিক রহমানের নেতৃত্বে পটিয়া-আনোয়ারা থানা পুলিশের যৌথ অভিযানে আনোয়ারা কালাবিবির দিঘীর মোড় এলাকায় বাঁশখালী-চট্টগ্রাম সড়কে চেকপোস্ট করাকালে সন্দিগ্ধ ২টি মোটরসাইকেল আরোহীদের থামার সংকেত দিলে তারা মোটর সাইকেল রেখে দ্রুত পালানোর চেষ্টা করে । পুলিশ তাদের ধাওয়া করে ৩ জনকে আটক করলেও ১ জন পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়।

এসময় আটককৃতদের তল্লাশি করে তাদের সাথে থাকা ২টি ব্যাকপ্যাকে মোট ১৪টি ইট সদৃশ্য কাগজে মোড়ানো প্যাকেটের মধ্যে প্রতিটিতে ১০হাজার পিস করে মোট ১লাখ ৪০ হাজার পিস ইয়াবা এবং ৩০টি নীল রংয়ের প্যাকে ২০০ টি করে মোট ৬ হাজারসহ সর্বমোট ১লাখ ৪৬ হাজার ইয়াবা, ২টি মোটরসাইকেল ও ৫টি মোবাইল জব্দ করা হয়।

এঘটনা গ্রেপ্তারকৃতরা হল কক্সবাজার জেলার টেকনাফ থানার দমদমিয়া নীলা ইউনিয়নের নুরুল হকের পুত্র মাহমুদুল হক (২৩), একই উপজেলার সদর ইউনিয়নের লেঙ্গুরবিল এলাকার সালেহ আহমদের পুত্র মো. ইব্রাহিম(২৬), ও খলিলুর রহমানের পুত্র জাহেদ হোসাইন (২৫)। জব্দকৃত ইয়াবার আনুমানিক মূল্য ৪ কোটি ৩৮ লাখ টাকা বলে জানা যায়।

প্রেস ব্রিফিংএ চট্টগ্রাম পুলিশ সুপার এস এম রশিদুল হক জানান, আটককৃত ৩ জনের মধ্যে ২ জন কলেজ শিক্ষার্থী ও ১ জন পেশায় কৃষক। ধারণা করা হচ্ছে টাকার লোভে তারা একাজ করেছে। পালিয়ে যাওয়া ব্যক্তিকে আটকের চেষ্ঠা করছে। আটককৃতদের ব্যাপারে আইনানুগ কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন আছে। এই অভিযান চট্টগ্রাম জেলা পুলিশের একটি বড় সাফল্য। চট্টগ্রামকে মাদকের শূণ্যের কোঠায় নিয়ে যাওয়া হবে। সে লক্ষ্যে চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ কাজ করে যাচ্ছে।