image

রাউজানে গভীর রাতে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড

image

চট্টগ্রামের রাউজানে গভীর রাতে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ৩ টি বসতঘর ও ৪ টি কাঁচারী ও গোয়াল ঘর সম্পূর্ণ পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। এতে নগদ টাকা, স্বর্ণালংকারসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্র পুড়ে গিয়ে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। 

বৃহস্পতিবার (১৮ মার্চ) দিবাগত রাত ১ টা ২০ মিনিটের সময় অগ্নিকাণ্ডের সুত্রপাত হলে মুহুর্তেই আগুনের লেলিহান শিখা চারিদিকে ছড়িয়ে পড়ে। একে একে পুড়ে যায় টিনশীড ও বেড়ার তৈরি ৩ টি বসতঘর ও মালামাল রাখার কাঁচারী ঘর ও গোয়াল ঘর। 

স্থানীয়রা খবর পেয়ে পাশ্ববর্তী উপজেলা রাঙ্গুনিয়া ফায়ার সার্ভিসকর্মিদের খবর দিলে তারা দ্রুত এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে কাজ শুরু করে। তবে এর আগেই সবকিছু পুড়ে ছাই হয়ে যায়।

অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারগুলো হলো- উপজেলার পাহাড়তলি ইউনিয়নের ৪ নং ওয়ার্ডের বদুপাড়া দক্ষিণ সৈয়্যদ বাড়ির মৃত খায়রুল হকের পুত্র মাহাবুবুল হক, বদিউর রহমানের পুত্র খোরশেদ ও মৃত আবুল হোসেনের পুত্র মৃত ফরিদ উদ্দিনের বসতঘর, এবং মৃত মোজাহেরুল হকের পুত্র মো. বেলাল, একই পিতার পুত্র মো. ইউনুস, মৃত ছৈয়্যদের পুত্র মো. মনছুর, মৃত মীর হোসেনের পুত্র মো. লাল মিয়ার  কাঁচারী ও গোয়াল ঘর। 

কিভাবে অগ্নিকাণ্ডের সুত্র হয়েছে জানতে চাইলে স্থানীয়রা জানান, একজন চোরকে গতকাল রাতে ঘটনাস্থল থেকে আটক করা হয়েছে। আটকের পর স্থানীয়রা ওই চোরকে মারদরের সময় সে স্বীকার করে কাঁচারী ঘরে সে আগুন দিয়েছে। স্থানীয় আরও জানান, যে কাঁচারী ঘর থেকে আগুনের সুত্রপাত হয় সে ঘরে বিদ্যুৎ সংযোগ ছিল না। পরে আটক চোরকে রাউজান থানায় সোপর্দ করা হয়। 

এই বিষয়ে পাহাড়তলি ইউপি চেয়ারম্যান রোকন উদ্দিন বলেন, কিভাবে আগুনের সুত্রপাত হয়েছে তা এখনও বলা যাচ্ছে না। তদন্ত সাপেক্ষ বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া যাবে। 

পুর ১২ টার সময় ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন রাউজান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল্লাহ আল হারুন, উপ-পরিদর্শক ইব্রাহিম খলিল, উপ-পরিদর্শক আবু বকর সিদ্দিক।