image

কর্ণফুলীতে ঠিকাদারী কাজের ভাগবাটোয়ারা নিয়ে স্বেচ্ছা আর ছাত্র দুই লীগ নেতার মারামারি

image

কর্ণফুলী উপজেলার বড়উঠান ইউনিয়নের শাহমীরপুর এলাকায় পাইপ লাইনের ঠিকাদারি কাজের ভাগাভাগি নিয়ে উপজেলা ছাত্রলীগের যুগ্ম আহবায়ক মো. কফিল উদ্দিনের লোকজনের হামলায়  স্বেচ্ছাসেবকলীগের সহ সভাপতি মো. লোকমান আলম রোকনের আহত হয়েছে।

সোমবার(১২ এপ্রিল) সন্ধ্যায় উপজেলার দক্ষিণ শাহমীরপুর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনা নিয়ে এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে।

স্থানীয় ও প্রত্যক্ষদর্শী মামুন উদ্দিন জানান, গত তিন চারদিন ধরে চায়না কোম্পানীর সাব কন্ট্রাক্টরের তেলের পাইপ লাইনের উন্নয়ন কাজ করছিলেন লোকমান আলম রোকন। কিন্তু কয়েকদিন ধরে ছাত্রলীগের যুগ্ম আহবায়ক মো. কফিল উদ্দিন ও তার দলবল রোকন থেকে চাঁদা দাবী করে কাজ বন্ধ করতে চেস্টা করছে । এক পর্যায়ে চাঁদা না পেয়ে তারা অর্তকিতভাবে রোকন ও তার লোকজনের উপর হামলা করে। হামলায় রোকনসহ তার সাথে থাকা কয়েকজন গুরুতর আহত হয়। ঘটনার সময় স্থানীয়রা এগিয়ে আসলে হামলাকারিরা পালিয়ে যায়।

পরে স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যায়। বর্তমানে রোকন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে।

এবিষয়ে জানতে উপজেলা ছাত্রলীগের যুগ্ম আহবায়ক মো. কফিল উদ্দিনের মুঠোফোনে হামলার কথা অস্বীকার করে বলেন, রোকনের সাথে আমার কোনো ঘটনা ঘটেনি। শুধু কথাকাটাকাটি হয়েছে।

স্থানীয় কর্ণফুলী থানার শাহমীরপুর পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মো. নাসির উদ্দিন জানায়, দক্ষিণ শাহমীরপুর এলাকায় তেলের পাইপ লাইনের কাজ করছিলেন লোকমান আলম রোকন। সেখানে কফিল কাজের শেয়ার দাবী করেছে। এঘটনায় শনিবার উল্টো রোকনের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ করেন কফিল। সে অভিযোগের প্রেক্ষিতে আমি ঘটনাস্থলে গিয়েছি এবং তাদের থানায় আসার জন্য বলি। এরা শুনেছি তারা থানায় আসার সময় কফিল লাকজন নিয়ে অর্তকিতভাবে হামলা করে রোকনের উপর ।

কর্ণফুলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) দুলাল মাহমুদ জানান, এ ঘটনায় এখনো পর্যন্ত কেউ অভিযোগ বা মামলা করেনি। অভিযোগ বা মামলা করলে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।