image

চন্দনাইশে রেস্টুরেন্ট মালিক ও ভোক্তা গুনলেন জরিমানা

image

বৈশ্বিক মহামারি করোনা ভাইরাসের ঊর্ধ্বমুখী সংক্রমণ সামাল দিতে গণপরিবহন ও শপিংমল বন্ধ রেখে দেশজুড়ে তিনদিনব্যাপী সীমিত পরিসরে লকডাউন শুরু হয়েছে।

রবিবার (২৭ জুন) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে সারাদেশে লকডাউন দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। মাঠপর্যায়ে লকডাউন বাস্তবায়নে কঠোর অবস্থানে রয়েছে চন্দনাইশ উপজেলা প্রশাসন।

সোমবার (২৮ জুন) সকাল সাড়ে ৬টা থেকে ৯টা পর্যন্ত চন্দনাইশ উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মাহফুজা জেরিনের নেতৃত্বে চন্দনাইশ উপজেলা সদর, গাছবাড়িয়া কলেজ গেইট, দোহাজারী পৌরসভা সদরে অভিযান পরিচালিত হয়।

অভিযানে উপজেলা সদরের হোটেল-রেষ্টুরেন্ট ব্যবসায়ী আলমগীরকে পাঁচ হাজার, জসিমকে দুই হাজার, জাহেদকে এক হাজার দুইশ, বাপ্পিকে নয়শ টাকা জরিমানা করা হয়। এছাড়া সেবাপ্রার্থী সুমনকে তিনশ, রাশেদকে দুইশ, মোরশেদকে দুইশ, আবুল বশরকে পঞ্চাশ
টাকাসহ সর্বমোট নয় হাজার আটশ টাকা জরিমানা আদায় করা হয়।

এব্যাপারে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মাহফুজা জেরিন দৈনিক অধিকারকে বলেন, "২৮ জুন সকাল ৬টা থেকে ১ জুলাই সকাল ৬টা পর্যন্ত তিনদিনব্যাপী সীমিত পরিসরে লকডাউন ঘোষণা করা হয়েছে। প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে খাবার হোটেল-রেস্তোরাঁ সকাল
৮টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত খোলা রাখতে পারবেন। তবে ক্রেতারা শুধু খাবার নিয়ে যেতে পারবেন, বসে খেতে পারবেন না।

আজকের মোবাইল কোর্টে সরেজমিনে দেখা যায়, নিষেধাজ্ঞা থাকলেও অনেক রেস্টুরেন্টে পরিপূর্ণভাবে তারা গ্রাহককে বসিয়ে
খাবার পরিবেশন করছে। এসব কারণে তাদের অর্থদণ্ড করা হয়।" অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানান তিনি।