চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র মো. রেজাউল করিম চৌধুরী বলেন, নগরীর রাস্তা-ঘাট, ফুটপাত দখল করে ও নালর উপর স্ল্যাব নির্মাণ করে ব্যবসা পরিচালন করছে তারা নিজ উদ্যোগে দ্রুত এসব অবৈধ স্থাপনা অপসারণ করবেন। অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদে কোন ধরণের শৈথিল্য দেখানোর সুযোগ নেই।
তিনি শনিবার (৩জুলাই) সকালে নগরীর ২৭নং দক্ষিণ আগ্রাবাদ ওয়ার্ডস্থ মা ও শিশু হাসপাতাল সংলগ্ন রাস্তার দুই পাশে নালা, ফুটপাত ও রাস্তার উপরে অবৈধ দোকানপাট উচ্ছেদ অভিযান পরিদর্শনকালে এ কথা বলেন।
তিনি বলেন, অনেকে ফুটপাতের উপর স্থাপিত অবৈধ ব্যবসায় প্রতিষ্ঠানের ময়লা আবর্জনা সরাসরি নালায় ফেলে জলাবদ্ধতার সৃস্টি করছেন এবং নগরীর সৌন্দর্য্য নষ্ট করছেন। তা মেনে নেয়া যায় না। সিটি কর্পোরেশন ভ্রাম্যমান আদালতের মাধ্যমে এসকল অবৈধ স্থাপনা ও অবৈধভাবে নির্মিত স্ল্যাব উচ্ছেদের কার্যক্রম হাতে নিয়েছে। কেউ যদি নিজ উদ্যোগে অবৈধ স্থাপনা অপসারণ না করেন, তাহলে তাকে চসিকের উচ্ছেদ কার্যক্রমের ব্যয় বহন করতে হবে । পাশাপাশি তাকে আইনের আওতায়ও আনা হবে। দখলদার যত বড়ই হোক না কেন কেউ ছাড় পাবে না বলে এসময় তিনি উল্লেখ করেন।
রেজাউল করিম চৌধুরী বলেন, আগ্রাবাদ এলাকা এমনিতেই নিচু এলাকা। এখানে স্বাভাবিক সময়ে জোয়ারের পানি ঢুকে। এ এলাকায় একইসঙ্গে তিনটি ব্রিজের সংস্কার কাজ চলমান রয়েছে। ব্রিজ সংস্কারের দায়িত্বে নিয়োজিত ঠিকাদারের অসতর্কতার কারণে ড্রেনের পানি চলাচলে প্রতিবন্ধকতা তৈরি হয়েছে। যা চসিকের পরিচ্ছন্ন কর্মীদের দ্বারা অপসারণ করা সম্ভব নয়। তাই ব্রিজের কাজে নিয়োজিতদের এ প্রতিবন্ধকতা দূর করার নির্দেশ দেন তিনি। প্রতিষ্ঠান ও গৃহস্থালীর পলিথিন, প্লাস্টিক ও অন্যান্য আবর্জনা খাল ও নালায় না ফেলার জন্য জনসচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে ওয়ার্ড কাউন্সিলদের তত্ত¡াবধানে মাইকিং লিফলেট বিতরণের আহবান জানান তিনি।
দক্ষিণ আগ্রাবাদ ওয়ার্ড কাউন্সিলর মো. শেখ জাফরুল হায়দার চৌধুরী সবুজ এ সময় উপস্থিত ছিলেন।
Developed By Muktodhara Technology Limited