কোরবানির পশুর বর্জ্য দ্রুত অপসারণের লক্ষ্যে ঈদের দিন চসিকের দামপাড়া অফিসে কন্ট্রোল রুম খোলা হবে। যার নম্বর (০৩১) ৬৩০৭৩৯ ও ৬৩৩৬৪৯। নগরীর কোথাও ময়লা-আবর্জনা পড়ে থাকতে দেখলে কন্ট্রোল রুমে জানালে দ্রæত তা অপসারণ করা হবে।
শনিবার (১৭ জুলাই) বিকেলে সিটি কর্পোরেশনের পুরাতন নগর ভবনের কে.বি আবদুচ সাত্তার মিলনায়তনে চসিকের পরিচ্ছন্ন বিভাগের কর্মকর্তাদের মতবিনিময় সভায় এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
মেয়র মো. রেজাউল করিম চৌধুরী সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতা করেন।
চসিক বর্জ্য স্ট্যান্ডিং কমিটির সভাপতি ওয়ার্ড কাউন্সিলর মো. মোবারক আলীর সভাপতিত্বে সভায় বক্তব্য রাখেন প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ শহীদুল আলম, ওয়ার্ড কাউন্সিলর শৈবাল দাশ সুমন, মো.শফিকুল ইসলাম, হাসান মুরাদ বিপ্লব, আবদুল বারেক, অধ্যাপক মো. ইসমাইল, মো.ওয়াসিম উদ্দিন চৌধুরী, এসরারুল হক, মো. ইলিয়াছ ও চসিক উপপ্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা মোর্শেদুল আলম চৌধুরী।
মেয়র বলেন, কোরবানির পশুর বর্জ্য অপসারণে চসিকের সুনাম রয়েছে। আপনাদের সকলের আন্তরিকতার কারণে এ সুনাম অর্জিত হয়েছে। এর ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে হবে। কোরবানির পশু জবাইয়ের পর ৮ থেকে ১০ ঘন্টার মধ্যে বর্জ্য অপসারণের লক্ষ্য নিয়ে কাজ করতে হবে। এর জন্য পর্যাপ্ত জনবল, ওয়াকিটকি, গাড়ি, কন্টেইনার মোভার ও টমটম গাড়িসহ প্রয়োজনীয় সকল প্রস্তুতি ইতোমধ্যে রাখা হয়েছে। এ বিষয়ে কোন অযুহাত শোনা হবেনা।
মেয়র বলেন, নগরীর কোন এলাকায় কতো পশু জবাই হচ্ছে তার সঠিক তথ্য সংগ্রহ করে সে অনুপাতে পরিচ্ছন্ন কর্মীদের ভাগ করে দায়িত্ব দেওয়া হবে। ডোর টু ডোর কর্মীগণ দ্রæততার সাথে জবাইকৃত পশুর ময়লা-আবর্জনা সংগ্রহ করে রক্ত ধুয়ে বিøচিং পাউডার ছিটিয়ে দিবে- যাতে পরিবেশ দুর্গন্ধমুক্ত থাকে। এ বিষয়ে কাউন্সিলরসহ দায়িত্বপ্রাপ্তদের তদারকি করতে হবে।
জবাইকৃত পশুর চামড়া বিক্রি না হলে তা যত্র-তত্র ফেলে না রেখে প্রত্যেক এলাকায় নির্দিষ্ট একটি স্থানে রাখার জন্য মেয়র নগরবাসীর প্রতি আহবান জানান।
Developed By Muktodhara Technology Limited