image

স্বাস্থ্যবিধি রে, হাটে তোমায় খুঁজি রে !!!

image

চট্টগ্রামের পশুরহাটগুলোতে স্বাস্থ্যবিধির বালাই নেই। ক্রেতা-বিক্রেতা-ইজারাদার কেউই মানছেননা স্বাস্থ্যবিধি। মুখে মাস্ক নেই অনেকেরই। নগরীর সবকটি বাজারে উপচে পড়া ভীড়।  প্রশাসনের পক্ষ থেকে স্বাস্থ্যবিধি মানার শর্তে পশুর বাজার বসানোর কথা থাকলেও তার কিঞ্চিৎ পরিমানও  মানতে দেখা যাচ্ছে না বিভিন্ন পশুরহাটগুলোতে। এতে করে করোনা প্রকোপ বৃদ্ধি পাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে বহুগুনে।

রবিবার ও সোমবার সরেজমিন নুর নগর হাউজিং সোসাইটি, বিবির হাট, এলাকায় গিয়ে দেখা যায় ক্রেতা, বিক্রেতাদের মধ্যে অধিকাংশ মানুষের মুখে মাস্ক নেই। গেইটে রাখা হয়নি স্যানিটাইজার, হাত ধোয়ার ব্যাবস্থা। এমনকি বাজারের ইজারাদারদের মুখেও
মাস্ক দেখা যায় না। বিবিরহাটসহ সবকটি পশুর বাজারে হাজারো মানুষের ভীড়ে স্বাস্থ্যবিধি উপেক্ষিত।

নুর নগর হাউজিং মাঠে পশুর বাজারে সড়কের উপর এলোমেলোভাবে গাড়ীতে গরু উঠানামা করানোর ফলে প্রধান সড়কে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়। বাজারের ইজারাদারের পক্ষ থেকে পর্যাপ্ত স্বেচ্ছাসেবক না থাকার কারণে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হচ্ছে বহদ্দারহাট থেকে নতুন ব্রিজ পর্যন্ত।

কিছুতেই জনসাধারণকে বিধি নিষেধ মানানো যাচ্ছে না। থানা পুলিশ ও ট্রাফিক পুলিশের সদস্যদের যানজট থামাতে বেগ পেতে হচ্ছে।ঈদের আগ পর্যন্ত প্রতিদিন এভাবে বসবে এই পশুর হাটগুলি।

এভাবে নিয়ন্ত্রণহীনভাবে চললে আস্তে আস্তে আরো তীব্র যানজট সৃষ্টি হবে বলে জানিয়েছেন পরিবহণ শ্রমিকরা। তাছাড়া বাজারে আসা ক্রেতা বিক্রেতাদের স্বাস্থ্যবিধি মানতে আরো সচেতন করা না গেলে পরবর্তীতে এর প্রভাব প্রকট আকার ধারণ করবে বলে মনে করছেন সচেতন মহল।

দায়িত্বরত পুলিশ জানান, কোরবানির পশুর হাটের নিরাপত্তা ও যানজট নিরসনে থানা পুলিশ ও ট্রাফিক পুলিশের সদস্যরা নিয়োজিত রয়েছে। বিশৃঙ্খলা যাতে না হয় সেজন্য পুলিশ সজাগ রয়েছে।তবে এত চাপ যে একটু হিমশিম খেতে হচ্ছে।সবাই যদি একটু নিজ থেকে আইন শৃঙ্খলা ও বিধি নিষেধ মেনে চলতো তাহলে সবার ভোগান্তি কমতো।