করোনাকালীন স্বাস্থ্যবিধি মেনে পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে পশু কোরবানি ও কোরবানীকৃত পশুর উচ্ছিষ্টাংশ পরিবেশসম্মতভাবে অপসারণের মাধ্যমে পরিবেশ দূষণ রোধ করার জন্য চন্দনাইশে সচেতনতামূলক প্রচারণা চালিয়েছে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের গণযোগাযোগ অধিদপ্তর।
চন্দনাইশ উপজেলা নির্বাহী অফিসার সাদিয়া ইসলামের নির্দেশনায় মঙ্গলবার (২০ জুলাই) পটিয়া তথ্য অফিসের উপজেলা সহকারী তথ্য অফিসার দীপক চন্দ্র দাসের নেতৃত্বে চন্দনাইশ উপজেলা সদর, খান হাট, গাছবাড়িয়াসহ উপজেলার ২ টি পৌরসভা ও ৮টি ইউনিয়নের গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলোতে মানুষের মাঝে সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে দিনব্যাপী মাইকিং করা হয়।
মাইকিংয়ের মাধ্যমে কুরবানির পশু জবাই এবং কুরবানির পুরো কার্যক্রম চলাকালীন মাস্ক ব্যবহারসহ যথাযথ ব্যক্তিগত সুরক্ষা নিশ্চিতের পাশাপাশি কুরবানির বর্জ্য অপসারণ বা কুরবানির গোশত বিতরণে পরিবেশসম্মত ব্যাগ/পাত্র ব্যবহারের আহবান জানানো হয়। এছাড়া সুনির্দিষ্ট স্থানে গর্ত করে গর্তের মধ্যে রক্ত, গোবর ও উচ্ছিষ্টাংশ রেখে মাটি চাপা দেয়ার আহবান জানানো হয়। যত্রতত্র পশু জবাই না করে পৌরসভা ও ইউনিয়ন পরিষদের নির্দিষ্ট স্থানে পশু জবাই করে কুরবানিকৃত পশুর বর্জ্য দ্রুত অপসারণ ও স্বাস্থ্যবিধি যথাযথভাবে মেনে চলার জন্য জনসাধারণকে অনুরোধ করা হয়।
এব্যাপারে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে চন্দনাইশ উপজেলা নির্বাহী অফিসার সাদিয়া ইসলাম বলেন, "আসন্ন পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে স্থানীয় সরকার বিভাগ থেকে কুরবানিকৃত পশুর বর্জ্য অপসারণে কিছু নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। সেই নির্দেশনা যাতে যথাযথভাবে প্রতিপালন করা হয় সেজন্য কোরবানীকৃত পশুর উচ্ছিষ্টাংশ সুষ্ঠুভাবে ব্যবস্থাপনা/অপসারণের মাধ্যমে পরিবেশ দূষণ রোধকল্পে করণীয় বিষয়ে গত দুই তিন দিন আগে আমরা একটি জরুরি সভা করেছি। সভায় উপজেলা চেয়ারম্যান মহোদয়ের উপস্থিতিতে সকল ইউপি চেয়ারম্যানদের পাশাপাশি ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে বিভিন্ন মসজিদের ইমাম ও খতিবদের কিছু নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। এছাড়া জনসচেতনতা সৃষ্টির লক্ষে মাইকিং করার সিদ্ধান্ত হয় ওই সভায়। তারই আলোকে উপজেলাব্যাপী সচেতনতামূলক মাইকিং করা হচ্ছে।
Developed By Muktodhara Technology Limited