image

লামায় অবৈধ বালু উত্তোলনে সেতু ধ্বস

image

লামা উপজেলাধীন ফাসিয়াখালী ইউনিয়নের প্রধান সড়কের একটি খালের উপরের সেতুটি অবৈধ বালু উত্তোলনের কারণে ধসে পড়ে়ছে। জানাযায়, অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের কারণে একই সড়কের আরেকটি ব্রিজ ধসে পড়ার সম্ভাবনা রয়েছ।

স্থানীয়দের মতে, ব্রিজের নীচে খাল থেকে চকরিয়া,ফাসিয়াখালী ও ঊদগাঁর বহিরাগত সিন্ডিকেটের দ্বারা নির্লিপ্ত বালু উত্তোলনের ফলে এই ধসের ঘটনা ঘটে। সরজমিনে দেখা যায় সেতুর একপাশ নীচে নেমে গেছে। ব্রিজের নিছ থেকে দিন দিন বালু ও মাটি সরে গিয়ে যাওয়ায় ব্রিজটি নড়েবড়ে অবস্থায় রয়ে়ছে। সেতুটি ধসে পড়লে যে কোনও সময় অযাচিত ঘটনা ঘটতে পারে।  স্থানীয়রা বিদ্যমান মাটি ভরাট করে চলাচলের উপযোগী করার চেষ্টা করছে। অন্যদিকে, বাঘাইছড়ি ব্রিজটি ঘুরে দেখা যায় যে সেতুর নিচে পাইলিংগুলি মাটিতে উঠে গেছে যেখানে ভূগর্ভস্থ পাইলিং গুলি সাধারণত দেখা যায় না।  চাটোগ্রাম পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ড বস্তা ফেলে  সেতুটি রক্ষার চেষ্টা করছে। যোগাযোগ করা হলে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল বিভাগ, লামা উপজেলা সার্ভেয়ার মো: জাকির হোসেন মোল্লা বলেন, বোরো ছনখোলা খালের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত খালের উপরের সেতুটি ব্রিজের পাশ থেকে বালু উত্তোলনের ফলে ২০১০ সালে ধসে পড়েছিল।  এলাকার মানুষের কথা বিবেচনা করে নতুন সেতু নির্মাণের জন্য মাটি পরীক্ষা নিয়ে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল বিভাগের প্রধান কার্যালয়ে অনুমান পাঠানো হয়েছ। তিনি আরো জানান, করোনার কারণে নতুন সেতু নির্মাণের অনুমোদন আটকে আছে।

পার্বত্য চট্রগ্রাম চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের সহকারী প্রকৌশলী ত্রিদীপ ত্রিপুরা সাংবাদিকদের বলেন, "কিছুদিন আগে আমরা একটি প্রকল্পের মাধ্যমে বাঘাইছড়ি ব্রিজের উপর বস্তা ফেলেছিলাম। মূলত বালু উত্তোলনের কারণে সেখানকার সেতুগুলি ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে।

ব্রিজ ধসের বিষয়টি নিশ্চিত করে ফাসিয়াখালী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ জাকির হোসেন বলেছেন, "অবৈধ বালু উত্তোলনের কারণে ২০১৮ সালে বড় ছন খোলা খালের উপরের সেতুটি ভেঙে পড়েছিল। বর্তমানে বাঘাইছড়ি খালের উপরের সেতুটিও ভেঙে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। যদি দুটি হয়  সেতু ভেঙে পড়ে  ইউনিয়নের হাজার হাজার মানুষ  যোগাযোগের সমস্যার মুখোমুখি হবেন। "

যোগাযোগ করা হলে লামা উপজেলা নির্বাহী অফিসার  রেজা রশিদ বলেন, শিগগিরই অবৈধ বালু উত্তোলনকারীদের বিরুদ্ধ একটি ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালিত হবে।