image

উখিয়ায় ইউএনও এসিল্যান্ডের গাড়ি ভাংচুর হামলার ঘটনায় ৩ মামলা, আসামী ১৩৮ 

image

কক্সবাজারের উখিয়ার সোনারপাড়া উচ্চ বিদ্যালয়ে মাঠে সরকারি ভবণ নির্মাণকে কেন্দ্র করে একদল উশৃংখল জনতা স্কুল শিক্ষক ও উপজেলা প্রশাসনের উপর হামলার ঘটনায় ৩টি মামলা দায়ের হয়েছে থানায়। মামলায় এজাহার নামীয় ৩৮জন ও অজ্ঞাত ১০০ জন সহ ১৩৮ জনের বিরোদ্ধে সরকারী কাজে বাধা সরকারী কর্মকর্তাদের গাড়ী ভাংচুর মোট ১৩৮ জনের বিরোদ্ধে এই মামলা গুলো দায় করেন সোমবার। উপজেলা প্রশাসনের কর্মচারী, পুলিশ, ও সোনারপাড়া উচ্চ বিদ্যালয়ের কর্তৃপক্ষ। গতকাল সোমবার ঐ মামলায় আরো ৪জন সন্ত্রাসীকে পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে। উখিয়া থানার ওসি (তদন্ত) গাজী সালাহ উদ্দিন জানান রোববার দুপুর ২টার দিকে সন্ত্রাসী লোকজন সোনারপাড়া উচ্চ বিদ্যালয়ের স্কুল মাঠে সরকারি ভবন নির্মাণ করার জন্য সংশ্লিষ্ঠ ইঞ্জিনিয়ারসহ স্কুলের শিক্ষকরা উপস্থিত হয়ে খুঁটি স্থাপনের সময় আবু ছৈয়দ ফজলী ও মোহাম্মদ হোসনের নেতৃত্বে একদল উশৃংখল জনতা স্কুল শিক্ষকদের উপর হামলা চালায়৷

এতে বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মিলন বড়ুয়া, সহকারি শিক্ষক বাবুল ও শামশুল আলম ভুলু গুরুতর আহত হয়। তাদেরকে উখিয়া হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এছাড়া অবৈধ জনতা স্কুলের তালা, সিসি ক্যামরা, দরজা, জানালা ভাংচুর করে।

পরে খবর পেয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও উখিয়া সহকারি কমিশনার (ভূমি) ঘটনাস্থলে পৌঁছলে সংঘবদ্ধ জনতা দুই কর্মকর্তার গাড়ীতে ইট-পাটকেল ছুড়ে সরকারি গাড়ীর গ্লাস ভাংচুর করে। পুলিশ ফাঁকা টিয়ারসেল নিক্ষেপ করলে উশৃংখল জনতা ছত্রভঙ্গ হয়ে যায়। ওই সময় দেলোয়ার ও হাসিনা বেগম আহত হয়। তাদেরকেও উখিয়া হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে৷

রোববার পুলিশ এ ঘটনায় অভিযান চালিয়ে আবু ছৈয়দ ফজলি ও মোঃ কালু নামের ২জন সন্ত্রাসীকে আটক করে। এ ঘটনার খবর পেয়ে কক্সবাজার জেলা প্রশাসক মামুনুর রশিদ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। উখিয়া সহকারি কমিশনার (ভূমি) আমিমুল এহসান খানের নিকট জানতে চাইলে তিনি বলেন, সোনারপাড়া উচ্চ বিদ্যালয়ের খেলার মাঠে সরকারি স্কুল ভবন নির্মাণকে কেন্দ্র করে শিক্ষকদের উপর হামলা চালায় কিছু দুষ্কৃতিকারী। খবর পেয়ে আমি এবং ইউএনও ঘটনাস্থলে গেলে তারা অতর্কিত ভাবে আমাদের গাড়ীতে ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করে। এতে আমার গাড়ীর দুই সাইডের গ্লাস এবং ইউএনও গাড়ীর সাইডে ও পেছনের গ্লাস ভেঙ্গে যায়। এ ঘটনায় দুইজনকে আটক করা হয়েছে। 

সোমবার এ ব্যাপারে জানতে চাইলে উখিয়া থানার ওসি আহাম্মদ সনজুর মোরশেদ বলেন এ ঘটনার ব্যাপারে এখন কিছু বলা যাবে না পরে আসেন। ঘটনার বিস্তারিত জানতে গিয়ে উখিয়া থানার ডিউটি অফিসারের কার্যালয়ে যেতে চাইলে থানায় দুই তলার প্রথম ফটকে দাড়িয়ে আছেন উখিয়া থানার পুলিশ কনস্টেবল সোহেল রানা জিজ্ঞেস করেন, বলেন কোথায় যাবেন। সাংবাদিক পরিচয় দিয়ে ডিউটি অফিসারের কাযালয় যেতে চাইলে সে বলেন থানা এখন গরম সেখানে যাওয়া যাবে না পরে আসেন। পরে মুঠোফোনে উখিয়া থানার ওসি (তদন্ত) গাজী সালাহ উদ্দিনের নিকট জানতে চাইলে সে বিস্তারিত তথ্য জানান।