শিরোনাম
কক্সবাজার ব্যুরো | ২৩:৩৪, জুন ২৮, ২০২১
কক্সবাজার-টেকনাফ মেরিন ড্রাইভ সড়কের হিমছড়ি সৈকতের বালিয়াড়িতে পুঁতে রাখা তিমির কঙ্কাল উঠেছে। কঙ্কাল গুলো সৈকতে পড়ে রয়েছে। কঙ্কালগুলো চকরিয়া ডুলাহাজারা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব সাফারী পার্কের মিউজিয়ামে সংরক্ষণের কথা থাকলেও তা বাস্তবায়ন হয়নি।
সোমবার ও রবিবার জোয়ারের তোড়ে সৈকতের দরিয়ানগর ও হিমছড়ি সৈকতে পাঁচটি স্থানে তিমির কঙ্কাল ভেসে উঠে ছড়িয়ে ছিটিয়ে পড়ে রয়েছে। কঙ্কালগুলো সংরক্ষণে প্রশাসনের কেউ ঘটনাস্থলে যাননি।
গত ৯ ও ১০ এপ্রিল হিমছড়ি সৈকতে ভেসে এসেছিল ১৫ ও ১০ টন ওজনের দুটি মৃত তিমি। প্রশাসনের সহযোগীতায় সেগুলো সৈকতের বালিয়াড়িতে পুঁতে ফেলা হয়েছিল। আড়াই মাস পর তিমির কঙ্কালগুলো সংগ্রহ করে জাদুঘর কিংবা চকরিয়ার ডুলাহাজারা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব সাফারি পার্কের মিউজিয়ামে সংরক্ষণের কথা ছিল। কিন্তু তার আগেই তিমির কঙ্কালগুলো ভেসে উঠে বালুচরে পড়ে রয়েছে ।
রামু উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) প্রণয় চাকমা বলেন, সৈকতে তিমির কঙ্কাল ভেসে ওঠার খবর তাঁর জানা নেই। তিনি খোঁজখবর নিয়ে কঙ্কালগুলো সংরক্ষণের উদ্যোগ নেবেন।
কক্সবাজারের দরিয়ানগর সৈকতে প্যারাসেলিং পয়েন্টে পড়ে আছে তিমির কঙ্কাল। জোয়ারের পানিতে কঙ্কালটি প্লাবিত হচ্ছে। দুর্গন্ধও ছড়াচ্ছে।
দরিয়ানগর এলাকার বাসিন্দা পারভেজ মোশাররফ বলেন, ‘দুপুর ১২টার দিকে জোয়ারের ধাক্কায় দরিয়ানগর সৈকতে কঙ্কালের অংশটি ভেসে ওঠে। প্রথমে ধারণা করা হয়েছিল জোয়ারের পানিতে তা ভেসে এসেছে। পরে দেখা গেছে, সেটি ১০ এপ্রিল বালিয়াড়িতে পুঁতে ফেলা একটি তিমির মেরুদণ্ডের অংশ। বিকেলে দরিয়ানগর সৈকতের উত্তর দিকে হিমছড়ি এলাকার কয়েকটি স্থানে কঙ্কালের আরও চারটি টুকরা পড়ে থাকতে দেখা গেছে। এগুলোও পুঁতে ফেলা তিমিটির কঙ্কালের অংশ।’
কক্সবাজার দক্ষিণ বনবিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা মো. হুমায়ুন কবির বলেন,কঙ্কাল উদ্ধার করে ডুলাহাজারা সাফারী পার্ক মিউজিয়ামে সংরক্ষণের উদ্যোগ নেওয়া হবে।
মৎস্যবিজ্ঞানী ও পরিবেশবাদী সংগঠনের নেতারা ধারণা করেন, গভীর সমুদ্রে মাছ ধরার জাহাজের ধাক্কায় অথবা প্লাস্টিক বর্জ্য খেয়ে ওই তিমি দুটোর মৃত্যু হয়েছিল অথবা আত্মহত্যা করেছিল।
Developed By Muktodhara Technology Limited