শিরোনাম
বাঁশখালী প্রতিনিধি | ১৯:৩৭, আগস্ট ৯, ২০২১
টানা বৃষ্টিপাত ও পাহাড়ি ঢলে বাঁশখালী উপজেলার নিম্নাঞ্চলে দেখা দিয়েছে বন্যা। এতে উপজেলার বৈলছড়ি ইউনিয়ন, বাঁশখালী পৌরসভার জলদী বড়ুয়া পাড়া, শেখেরখীল, শিলকূপ ইউনিয়ন সহ বেশকিছু নিম্নাঅঞ্চলে তলিয়েছে কয়েকশ ঘরবাড়ি।
টানা ৮ ঘন্টা মূষলধারায় বৃষ্টির ফলে পাহাড়ি ঢলে সড়কে ধস, পাহাড়ধস এবং বন্যার পানিতে সড়ক ডুবে গিয়ে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন রয়েছে এলাকাগুলোতে। ধ্বসে পড়েছে কাঁচামাটির বসতঘর।
এ ঘটনায় উপজেলার বৈললছড়ি ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের মীর পাড়া, ২ নম্বর ওয়ার্ডের ফকিরের বাড়ী, চিতাখান পাড়া, ৩ নম্বর ওয়ার্ডের উত্তর পাড়া, বাক্কুনি পাড়া, ৭ নম্বর ওয়ার্ডের কুলিন পাড়াসহ ইউনিয়নের ৩ শতাধিক কাঁচামাটির ঘর, অর্ধপাকা টিনের চালাঘর, বেড়ার ঘর পানিতে তলিয়ে গেছে। গ্রামীণ অভ্যন্তরিণ সড়কের যোগাযোগ ব্যবস্থা প্রায় অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। পাহাড়ী ঢলে উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ডুকেছে বন্যার পানি। তাছাড়া পৌরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ডের বড়ুয়া পাড়া, ১ নম্বর ওয়ার্ডের ভাদালিয়ার নিম্নাঅঞ্চল ডুবে গিয়ে মাছের প্রজেক্ট, পুকুরঘাট ডুবে গিয়ে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।
রবিবার দিবাগত রাত ৯টা থেকে সোমবার সকাল ৫টা পর্যন্ত টানাবর্ষণে উপজেলার নিম্নাঅঞ্চল পানির নিচে তলিয়ে যায়। এতে সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়েছে। ৩ শতাধিক বসতঘর ক্ষতিগ্রস্থ হয়।
বৈলছড়ি ইউপির ৩ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য জামাল উদ্দিন জানান, 'টানা বৃষ্টির ফলে পাহাড়ি ঢলে বিশেষ করে আমার বৈলছড়ি ইউনিয়নের নিম্নাঞ্চল পানির নিচে তলে যায়। রাস্তাঘাট হাঁটু পানিতে ভরে গেছে। এতে কাচাঁমাটির ঘর, টিনের চালা, অর্ধপাকাঘর সহ ৩ শতাধিক বসতঘরে প্রচুর ক্ষয়ক্ষতি সাধিত হয়েছে।
তিনি আরো বলেন, এ বছর বর্ষা মৌসুমে বৈলছড়ির নিম্নাঅঞ্চল প্লাবিত হয়ে যে ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে তা আগে কখনো হয়নি। মূলত পাহাড়ী ঢলের প্রভাবে যথাযথ পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা না থাকায় এমন পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। বৃষ্টিতে বন্যা পরিস্থিতির আরও অবনতি ও পাহাড়ধসের শঙ্কা বাড়ছে বলেও জানান তিনি।'
বৈলছড়ি ইউপির চেয়ারম্যান মু. কপিল উদ্দিন বলেন, 'টানা বৃষ্টির ফলে আমার এলাকার নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়। এতে জনজীবনের ব্যাপক ক্ষতি সাধিত হয়। অনেক কাঁচা ঘরের দেওয়াল ভেঙ্গে যায়। কৃষকের ফসলাধি বিনষ্ট হয়। এরকম প্লাবণ আমি আগে কখনো হতে দেখিনি।'
Developed By Muktodhara Technology Limited