শিরোনাম
নিজস্ব প্রতিবেদক | ১৯:৫৪, আগস্ট ২২, ২০২১
নিজের হিন্দু পরিচয় গোপন রেখে মুসলিম নারীকে বিয়ে অতপর খুন করে হিন্দু রীতিতে পোড়ানোর দায় স্বীকার করেছেন অভিযুক্ত আসামী বাবলু দে তনু (৩০)।
শনিবার (২১ আগস্ট) বিকেল ৫ টার দিকে চট্টগ্রাম চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ফরিদা ইয়াসমিনের আদালতে স্ত্রী হত্যার সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দিতে তিনি এ স্বীকারোক্তি প্রদান করেন।
আসামী বাবলু দে আদালতকে জানান, ঘটনার দিন (৩ আগস্ট) দুপুরে স্ত্রী এ্যানির সাথে তার বাকবিতন্ডা শুরু হলে, রাগের বসে স্ত্রীর মাথায় জোরে আঘাত করে।এতে অজ্ঞান হয়ে যায় এ্যানী। পরে বাবুলের সহকর্মী সুমন দে নামক এক বন্ধুর সহযোগিতায় স্থানীয় একটি ফার্মেসী থেকে ডাক্তার ডেকে এনে দেখালে ডাক্তার এন্যানিকে মৃত ঘোষণা করেন। ঘটনার পরপরেই তিনি স্ত্রী মারা যাওয়ার ঘটনা স্থানীয় মেম্বার, চেয়ারম্যান ও মাতব্বরকে জানায়। ওদের জানিয়েই হিন্দু রীতি অনুযায়ী ইয়াছমিন আকতার এ্যানির মৃতদেহ পুড়িয়ে আলামত নষ্ট করে।
এরপর তনুকে আদালত চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়।
গত (৩ আগস্ট) মেয়ের মৃত্যুর খবর শুনে নিহতের মা-বাবা বাগেরহাটের মোংলা থানা থেকে এসে মেয়ের লাশ দেখতে না পেয়ে তাদের সন্দেহ হয়। পরে স্বজনদের পরামর্শে গত (১৬ আগস্ট) চট্টগ্রাম চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন নিহতের মা রোকসানা আকতার।
এতে স্বামী বাবলু দে কে প্রধান আসামী করে স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান মো. মোকারম, ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি রতন চৌধুরীসহ ১৮ জনকে আসামি করা হয়েছে।
এ বিষয়ে মামলার কর্মকর্তা বোয়ালখালী থানার এসআই সুমন দে বলেন, গ্রেফতারকৃত প্রধান আসামি বাবলু দে আদালতে স্বীকারাক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। তিনি মাথায় আঘাত করে তার স্ত্রীকে হত্যা করে হিন্দু রীতি অনুযায়ী মৃতদেহ পুড়িয়ে আলামত নষ্ট করেছেন।
বোয়ালখালীতে মুসলিম নারীকে হিন্দু রীতিতে দাহ : চেয়ারম্যানসহ ১৮জনের বিরুদ্ধে মামলা
Developed By Muktodhara Technology Limited