image

আজ, শুক্রবার, ৭ আগস্ট ২০২৬ ইং

বিএনপি’র প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীর সমাবেশ জনসমুদ্রে পরিণত হওয়ার ইঙ্গিত

ঢাকা ব্যুরো    |    ২৩:৩৬, আগস্ট ৩১, ২০১৮

image

৪০তম প্রতিষ্ঠাবির্ষিকী উপলক্ষে রাজধানীতে ব্যাপক শোডাউনের প্রস্তুতি নিচ্ছে বিএনপি। সমাবেশকে সফল করার লক্ষে নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয় থেকে মহানগরের ওয়ার্ডে ওয়ার্ডে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন বিএনপি ও অঙ্গদলের নেতারা। 

জানা গেছে, সমাবেশ সফল করার জন্যে ঢাকার পাশের কয়েকটি জেলার বিএনপির নেতারা- কর্মীরা ইতোমধ্যে ঢাকায় তাদের স্বজন- বন্ধুদের বাসায় অবস্হান নিতে শুরু করেছে। লক্ষ্য একটাই, কর্মী-সমর্থকদের পাশাপাশি সাধারণ মানুষের ব্যাপক উপস্থিতির মাধ্যমে সমাবেশকে জনসমুদ্রে পরিণত করা। ভাঙতে চায় নয়াপল্টনের অতীতের সব রেকর্ড। 

এরই মধ্যে পুলিশের লিখিত অনুমতি পেয়েছে বিএনপি। তবে অনুমতিপত্রে জুড়ে দেয়া হয়েছে কয়েকটি শর্ত। যদিও সমাবেশ সফল করতে সে শর্তকে বড় কোনো প্রতিবন্ধকতা  মনে করছেন না দলটির নেতারা। তবে সমাবেশকে কেন্দ্র করে রাজধানীতে গ্রেপ্তার আতঙ্কে ভুকছেন তারা।

দলীয় সূত্র থেকে জানা গেছে, কারাবন্দি দলের চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মুক্তি ও নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে আগামী নির্বাচনের দাবি আদায়ে সমাবেশ থেকে গুরুত্বপূর্ণ বার্তা আসতে পারে। চেয়ারপারসনের মুক্তি ও  নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচনের দাবিতে ঘোষণা হতে পারে ‘প্যাকেজ’ কর্মসূচির।পহেলা সেপ্টেম্বরে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর সমাবেশ সফল করার পর দ্বিতীয় সপ্তাহেও ফের সমাবেশের অনুমতি চাইবে দলটি।একই সঙ্গে সমাবেশ সফল করার পর থেকে সরকারের বিভিন্ন দুর্নীতি সম্বলিত লিফলেট ও পোস্টার সারা দেশে বিতরণসহ বিভিন্ন কঠোর সিদ্ধান্ত নেয়া হতে পারে।

 বিএনপি বৃহৎ রাজনৈতিক দল। সমাবেশের ব্যাপারে সব ধরনের প্রস্তুতি আমাদের আছে। ৪০ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আগামী কালকের সমাবেশ জাতীয় রাজনীতি ও বিএনপির জন্য সাংগঠনিকভাবে অনেক গুরুত্বপূর্ণ। সমাবেশের মাধ্যমে দেশবাসীর পাশাপাশি সরকারকেও কিছু বার্তা দেওয়া। জনতার যে জোয়ার সৃষ্টি হবে তা ঠেকানোর সাধ্য কারও নেই।

সমাবেশের প্রস্তুতি সম্পর্কে জানতে চাইলে বিএনপির কেন্দ্রীয় সহসাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট আব্দুস সালাম  বলেন, এটা মহাসমাবেশ না। এটা ঢাকার মধ্যে সমাবেশ। সারা দেশ জুড়েও না। তবে আমরা আশাকরছি ঢাকার মধ্যে স্মরণ কালের স্মরণ  সমাবেশ হবে এটা। 

তিনি বলেন, আমরা দেশের বাইরে ঢাক-ঢোল বাজিয়ে সমাবেশের বিষয়ে কাউকে কিছু বলিনি। তারপরও আমরা আশা করি নেতাকর্মী ছাড়াও সাধারণ মানুষ ও সমর্থকদে উপস্থিতি থাকবে বেশি। কারণ সাধারণ মানুষ চায় একটা পরিবর্তন। এই সরকারের অত্যাচারে তারা আজ অতিষ্ঠ। 

সমাবেশকে ঘিরে আমরা গ্রেপ্তার আতঙ্কে আছি জানিয়ে তিনি বলেন, তার কারণ আজও ঢাকার ভিতরে অনেক নেতাকর্মীদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে পুলিশ কমিশনার আমাদের আগে মৌখিক অনুমতি দিয়ে বলেছিলেন আমরাও চাই আপনারা একটা সুন্দর প্রোগ্রাম করেন। আজ তিনি লিখিত অনুমতি দিয়েছেন। 

ছাত্র দলের সহ সভাপতি নাজমুল হোসেন বলেন, শনিবারের সমাবেশকে ঘিরে আমাদের ব্যাপক প্রস্তুতি রয়েছে। আমরা সরকারের সকল ভয় ভীতি ও রক্ত চক্ষুকে উপেক্ষা করে ছাত্র দলের সর্বচ্চো উপস্থিতি ঘটাবো। এবং সমাবেশকে জনসমুদ্রে পরিণিত করবো।



image
image

রিলেটেড নিউজ

Los Angeles

০১:১৭, মে ১৪, ২০২২

বাঁশখালী ইউপি নির্বাচনে নৌকায় শেষ হাসি যাঁদের


image
image