শিরোনাম
পেকুয়া (কক্সবাজার) প্রতিনিধি | ২৩:০৯, নভেম্বর ৩, ২০২০
কক্সবাজারের পেকুয়ায় আওয়ামীলীগ নেতার দায়ের করা মামলায় জেলে গেলেন বারবাকিয়া ইউপির চেয়ারম্যান ও ফাশিয়াখালী ইসলামিয়া কামিল মাদ্রাসার সাবেক অধ্যক্ষ এএইচ এম বদিউল আলম জিহাদি।
মঙ্গলবার দুপুরে চকরিয়া সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতে হাজির হয়ে একটি মামলার জামিন প্রার্থনা করলে বিজ্ঞ হাকিম রাজিব কুমার দেব তার জামিন নামঞ্জুর করে জেল হাজতে প্রেরণের নির্দেশ দেন।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন চকরিয়া সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতের এপিপি এড,শহিদুল্লাহ চৌধুরী।
বাদি নুরুল ইসলাম বারবাকিয়া ইউপির আন্নর আলী পাড়া গ্রামের মৃত,বজরুস মিয়ার ছেলে ও বারবাকিয়া ইউনিয়ন আ'লীগের সহ-সভাপতি।
মামলাসুত্রে জানা গেছে,গত রমজান মাসে চেয়ারম্যান বদিউল আলম রোজা না রাখা ও নামাজ না পড়ার অজুহাতে আ'লীগ নেতা নুরুল ইসলাম ও তার দু'ছেলে বাচ্চু ও আব্বাসকে মসজিদের ভেতর প্রকাশ্যে বেত্রাঘাত করা হয়। ওই ঘটনায় তিনি বাদি হয়ে পেকুয়া থানায় চেয়ারম্যানকে আসামি করে (জিআর-৫০/২০) মামলা দায়ের করেন।
বাদি নুরুল ইসলাম জানান, গত ২৬ রমজানে চেয়ারম্যান বদিউল আলম নামাজ না পড়া ও রোজা না রাখার অপবাদে চার সমাজপতি ও আমাকে দিনে প্রকাশ্যে কান ধরে উঠবসা ও সিজদা দেয়। এসময় আমাদের তওবা পড়ানো হয়। দুইদিন পর ২৮ রমজানে একই অপবাদে মসজিদের ভেতর আমাকে ও আমার দুই ছেলেকে নিষ্টুরভাবে প্রকাশ্যে বেত্রাঘাত করা হয়। তিনি একজন জামাত নেতা। অপমান করতে এ ধরনের গর্হিত কাজ করেছেন।
স্থানীয় লোকজন জানান, চেয়ারম্যান বদিউল আলম একজন আধ্ম্যাতিক মানুষ।একজন আলেম। তিনি দুইবার নির্বাচিত চেয়ারম্যান। বারবাকিয়া কামিল মাদরাসার অধ্যক্ষ। তার বিরুদ্ধে এটা চক্রান্ত। ভাল কাজ করলে মাঝে মধ্যে জেলেও যেতে হয়।
Developed By Muktodhara Technology Limited