image

আজ, শুক্রবার, ৭ আগস্ট ২০২৬ ইং

রোকেয়া দিবসে ৫ জনকে সম্মাননা

নারীরাও উন্নয়নের অবিচ্ছেদ্য অংশ : প্রধানমন্ত্রী

ডেক্স    |    ১৭:১৯, ডিসেম্বর ৯, ২০২০

image

ফাইল ছবি

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন,নারীরা সমাজের অবিচ্ছেদ্য অংশ। নারীরা এগোলে সমাজ এগুবে। দেশের উন্নয়নে পুরষের সাথে সমান তালে এগিয়ে যেতে নারীসমাজের এগিয়ে যাওয়ার বিকল্প নেই।

আজ (০৯ ডিসেম্বর) বেগম রোকেয়া দিবসে বুধবার গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে রোকেয়া পদক বিতরণ অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করে তিনি এই কথা বলেন।

এ অনুষ্ঠানে নারীর ক্ষমতায়ন ও অগ্রগতিতে ভূমিকার জন্য পাঁচজনকে চলতি বছরের বেগম রোকেয়া পদক দেওয়া হয়।

নারী শিক্ষায় অবদানের জন্য চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি অধ্যাপক ড. শিরীণ আখতার এবং পেশাগত উন্নয়নের মাধ্যমে নারীর ক্ষমতায়নের ক্ষেত্রে ভূমিকার জন্য কর্নেল ডা. নাজমা বেগম এবার রোকেয়া পদক পেয়েছেন।
নারীর আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের ক্ষেত্রে অবদানের জন্য মঞ্জুলিকা চাকমা, সাহিত্য ও সংস্কৃতির মাধ্যমে নারী জাগরণের ক্ষেত্রে ভূমিকার জন্য বীর মুক্তিযোদ্ধা বেগম মুশতারী শফি এবং নারীর অধিকার আদায়ের সংগ্রামের জন্য বীর মুক্তিযোদ্ধা ফরিদা আক্তার এ সম্মাননা পেয়েছেন।
প্রধানমন্ত্রীর পক্ষে পদকজয়ীদের হাতে সম্মাননা, সনদ ও চেক তুলে দেন মহিলা ও শিশু বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ফজিলাতুন নেসা ইন্দিরা।
এসময় জনসংখ্যার অর্ধেকই যেখানে নারী, সেখানে তাদের পুরুষের সাথে তাল মিলিয়ে এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ না দিলে সমাজও এগোতে পারবে না বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
নারী জাগরণের অগ্রদূত বেগম রোকেয়ার জন্ম ও মৃত্যুবার্ষিকীতে প্রতিবছর রোকেয়া পদক দেয় বাংলাদেশ সরকার।
১৮৮০ সালের ৯ ডিসেম্বর রংপুর জেলার মিঠাপুকুর উপজেলার পায়রাবন্দ গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন বেগম রোকেয়া। ১৯৩২ সালের একই তারিখে কলকাতার সোদপুরে তার মৃত্যু হয়।
রোকেয়ার লেখা থেকে উদ্ধৃত করে শেখ হাসিনা বলেন, “তিনি বলতেন, ‘কন্যাগুলিকে সুশিক্ষিত করিয়া কার্যক্ষেত্রে ছাড়িয়া দাও। নিজের অন্ন, বস্ত্র উপার্জন করুক।

সেই সময়ের সমাজে নারী শিক্ষার বাধাগুলো দূর করতে রোকেয়ার সংগ্রামের কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “বেগম রোকেয়া তার ভাইয়ের থেকে শিক্ষা নিয়েছেন, পরবর্তীতে স্বামীর থেকে শিক্ষা নিয়েছেন। স্বামীর মৃত্যুর পর তার নামে স্কুল প্রতিষ্ঠা করে নারীদের স্কুলে আনতে গেলে সেই সময় অনেক বাধার মুখোমুখি হতে হত তাকে।
“কষ্ট করেই তিনি শিক্ষার আলোটা জ্বালিয়ে দিয়ে যান আমাদের জন্য। যার জন্য আজকে আমরা বলতে পারি, মেয়েরা অনেক সুযোগ আমরা পেয়েছি।

দেশের স্বাধীনতা অর্জন থেকে শুরু করে প্রতিটি ক্ষেত্রে নারীর অবদানের কথা এ অনুষ্ঠানে স্মরণ করেন প্রধানমন্ত্রী। স্বাধীনতার পর নারীর অধিকার নিশ্চিত করতে জাতির পিতার নেওয়া বিভিন্ন উদ্যোগের কথাও তুলে ধরেন।
তিনি বলেন, “নারীরা আর্থিকভাবে স্বচ্ছল হলে পরিবারে তার একটা গুরুত্ব থাকে এবং কীভাবে তারা আর্থিকভাবে স্বচ্ছল হবেন- জাতির পিতা সেটা নিয়ে সব সময় চিন্তা করতেন।

আমরা সরকার গঠন করার পর থেকে সব সময় এই দিকটায় উদ্যোগ নিয়েছি। নারী উদ্যোক্তা সৃষ্টি করা, নারীদেরকে বেশি সুযোগ দিয়ে ব্যবসা-বাণিজ্য বা চাকরি- সবক্ষেত্রে যেন তারা অবস্থানটা দৃঢ করতে পারে, আমরা কিন্তু সেই ব্যবস্থাটা নিয়েছি।

নারীর শিক্ষা নিশ্চিতে সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগের কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আমরা বৃত্তি দিচ্ছি, উপবৃত্তি দিচ্ছি। এমনকি আপনারা জানেন, প্রায় ১ কোটি ২০ লক্ষের উপর যে উপবৃত্তি দিই, সেই বৃত্তির টাকাটা সোজা মায়ের নামে চলে যায়।”

বাংলাদেশ শিশু একাডেমি মিলনায়তনে রোকেয়া দিবসের এ অনুষ্ঠানে মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ফজিলাতুন নেসা ইন্দিরা ও সচিব কাজী রওশন আক্তার উপস্থিত ছিলেন।



image
image

রিলেটেড নিউজ

Los Angeles

২০:১৯, অক্টোবর ৮, ২০২১

আবিষ্কারের বিস্ময় বালক বাঁশখালীর আশির, প্রয়োজন পৃষ্ঠপোষকতা


Los Angeles

২১:৩৮, অক্টোবর ৭, ২০২১

করোনাকালে বাল্যবিয়ে : পড়ালেখায় ইতি টেনে অনেক কিশোরী এখন পুরোদস্তুর সংসারী


Los Angeles

১৯:১৫, অক্টোবর ৩, ২০২১

দিন দিন বেপরোয়া-ভয়ংকর রূপ ধারণ করছে আশ্রিত রোহিঙ্গারা


Los Angeles

২০:১৬, সেপ্টেম্বর ২৩, ২০২১

উন্নয়ন সমৃদ্ধির রোল মডেল বাংলাদেশ- জেনেভায় ভূমিমন্ত্রী


Los Angeles

১৭:১২, মে ২৬, ২০২১

রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শনে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের প্রেসিডেন্ট


image
image