শিরোনাম
চন্দনাইশ প্রতিনিধি | ১৬:০৭, এপ্রিল ৬, ২০২১
করোনার সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ায় ৫ এপ্রিল সকাল ৬টা থেকে ১১এপ্রিল রাত ১২টা পর্যন্ত সারা দেশে সাত দিনের লকডাউন ঘোষণা করেছে সরকার। সারা দেশের ন্যায় চন্দনাইশে লকডাউনের শর্তাবলি প্রতিপালনে কঠোর নজরদারি করছে উপজেলা প্রশাসন।
লকডাউনের দ্বিতীয় দিন মঙ্গলবার (৬ এপ্রিল) সকাল ৯টা থেকে বিকাল ২টা পর্যন্ত উপজেলা সদর, রৌশনহাট, বাদামতল, খানহাট এলাকায় উপজেলা নির্বাহী অফিসার ইমতিয়াজ হোসেনের নেতৃত্বে অভিযান চালিয়ে সরকারি আদেশ অমান্য করা ও লকডাউনের শর্ত ভঙ্গের দায়ে উপজেলা সদরের কাশবন হোটেলের মালিক পারভেজকে তিন হাজার টাকা, খাঁনহাট এপেক্স জুতার দোকানের মালিক ফয়েজকে দুই হাজার টাকা, হার্ডওয়্যার দোকানের মালিক কামাল উদ্দিনকে পাঁচশ টাকা, রৌশন হাটের স্বর্ণ ব্যবসায়ী দুলাল ধরকে দুইশ টাকা, উপজেলা সদরে মোঃ ফারুককে ৫০ টাকাসহ সর্বমোট ৫ হাজার ৭শ ৫০ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
অভিযান পরিচালনাকালে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মাহফুজা জেরিন। চন্দনাইশ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ নাসির উদ্দীন সরকারের নেতৃত্বে একদল পুলিশ অভিযানে সহযোগিতা করে।
অভিযান সম্পর্কে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ইমতিয়াজ হোসেন বলেন, ''সরকার করোনার সংক্রমণ কমানোর জন্যই লকডাউন দিয়েছে। সঠিকভাবে লকডাউন পালন করলে করোনা সংক্রমণ কমে যাবে। উপজেলার বড় বড় বাজারগুলোতে আমরা পরিদর্শনে গিয়ে বলপ্রয়োগ না করে সাধারণ মানুষ ও ব্যবসায়ীগণকে বুঝিয়ে শুনিয়ে লকডাউনের শর্তাবলি মেনে চলতে সচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করছি। বেশিরভাগ এলাকাতেই মানুষ আমাদের আহবানে সাড়া দিয়ে দোকানপাট বন্ধ রাখলেও কিছু অসাধু ব্যবসায়ী বাইরে থেকে সাটার বন্ধ করে স্বাস্থ্যবিধি না মেনে গাদাগাদি করে ভেতরে বেচাকেনা করছে। তাছাড়া অনেকেই আমাদের উপস্থিতি টের পেয়ে দোকানের সাটার লাগিয়ে আমাদের সাথে লুকোচুরি খেলার চেষ্টা করেছে। তাদেরকে জরিমানা করার পাশাপাশি প্রাথমিকভাবে সতর্ক করা হয়েছে।
Developed By Muktodhara Technology Limited