শিরোনাম
বাঁশখালী প্রতিনিধি | ২১:০৬, আগস্ট ৩, ২০২১
বঙ্গোপসাগরের গভীর সমুদ্রে জাল পাঁতানোকে কেন্দ্র করে আনোয়ারা গহিরা এলাকার জেলেদের সাথে বাঁশখালী উপজেলার খানখানাবাদ এলাকার জেলেদের মধ্যে দ্বন্দ্ব হয়। এ ঘটনায় এক জেলে নিখোঁজ ও অন্তত ২১ জন জেলে আহত হয়েছেন।
জানা যায়, মঙ্গলবার (৩ আগস্ট) দুপুরে বাঁশখালী খানখানাবাদ এলাকার মু. এনাম ও আবুল বশরের মালিকানাধীন বড় মাওলানা ফিশিং বোটটি ২২ জন মাঝিমাল্লা নিয়ে বঙ্গোপসাগরে জাল ফেলতে যায়। গভীর সমুদ্রে জালের ফাঁদ মারার সময় আনোয়ারা গহিরা এলাকার দুইটি বোট থেকে তাদের কে হামলা ও মারধর করে। এ সময় বাঁশখালীর বোটটি সাগরে ডুবে গেলে খানখানাবাদ ২ নম্বর ওয়ার্ড দোয়ালিয়া পাড়া এলাকার শামশুল আলমের পুত্র মু. নাছির (৩২) নামের এক জেলে নিখোঁজ হয়।
বাঁশখালীর বড় মাওলানা ফিশিং বোটে থাকা জেলে সাদুর রশীদ বলেন, 'আমরা ২২ জন বোট নিয়ে সাগরে জাল ফেলতে যাই। এ সময় আনোয়ারা গহিরা এলাকার দুইটি বোট এসে আমাদের কে মারধর করলে আমাদের বোটটি সমুদ্রে ডুবে যায়। প্রায় ১ ঘন্টা আমরা সাগরে ভাসমান ছিলাম। অন্য একটি বোট এসে আমাদের কে উদ্ধার করে সাগর পাড়ে নিয়ে এলেও নাছির নামের এক জেলে নিঁখোজ রয়েছেন। নাছিরকে আমরা খুঁজে পাইনি। এ ঘটনায় হয়তো তিনি মারা গেছেন বলেও ধারণা করেন ওই জেলে।
এ ব্যাপারে খানখানাবাদ ইউপি চেয়ারম্যান মু. বদরুদ্দীন চৌধুরী সিটিজি সংবাদকে বলেন, 'আমার ইউনিয়নের কদমরসুল এলাকা থেকে ২২ জন মাঝিমাল্লা নিয়ে দুপুরে বঙ্গোপসাগর জাল বসাতে যায়। এ সময় আনোয়ারা গহিরা এলাকার ২টি বোট তাদেরকে হামলা করে বলে জানতে পারি। এতে নাছির নামের এক ব্যক্তি নিঁখোজ হওয়ার খবর শুনেছি।'
বাঁশখালী থানা পুলিশ সেকেন্ড অফিসার মু. আকতার হোসেন সিটিজি সংবাদকে বলেন, 'বাঁশখালী ও আনোয়ারার গহিরা এলাকার জেলেদের মধ্যে গভীর সাগরে জাল পাঁতানো কে কেন্দ্র করে মারামারির ঘটনা শুনেছি। তবে সঠিক তথ্য আমরা এখনো জানি না।'
Developed By Muktodhara Technology Limited