শিরোনাম
রাউজান প্রতিনিধি | ২০:২৩, এপ্রিল ১৫, ২০২১
চট্টগ্রামের রাউজানে মসজিদে খাটিয়া দেয়া নিয়ে দ্বন্দ্বে ব্যবসায়ী সাইফুদ্দিন খান (৪৯) কে গুলি করার অভিযোগে থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।
বুধবার রাত সাড়ে ১২ টায় গুলিবিদ্ধ ব্যবসায়ীর ভাই আবদুল্লাহ আল মামুন পৌরসভার কাউন্সিলর আলমগীর আলীকে (৫৪) প্রধান আসামি করে থানায় মামলা হয়েছে। মামলায় কাউন্সিলর আলমগীর আলীর দুই ভাই রাশেদ আলী (৪৩) ও এরশাদ আলীসহ (৪০) মোট ৮ জনকে আসামি করা হয়েছে।
গতকাল বুধবার পশ্চিম গহিরার শেখ ইব্রাহিম জামে মসজিদ মাঠে মসজিদ পরিচালনা নিয়ে বিরোধের জেরে এ ঘটনা ঘটে।
আলমগীর আলী রাউজান উপজেলা আওয়ামী লীগের প্রচার সম্পাদক আর গুলিবিদ্ধ সাইফুদ্দিন খান রাউজান পৌর যুবলীগের সহ-সভাপতি আবদুল্লাহ আল মামুনের বড় ভাই।
মামলার বাদী সাইফুদ্দিনের ছোট ভাই রাউজান পৌর যুবলীগের সহ সভাপতি আবদুল্লাহ আল মামুন এজাহারে উল্লেখ করেন, ‘আমার সামনেই কাউন্সিলর আলমগীর আলী পকেট থেকে পিস্তল বের করে আমার ভাইয়ের পায়ে দুবার গুলি করেন। প্রথমবার গুলি লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়। দ্বিতীয়বার ভাইয়ের বাঁ পায়ে গুলি লাগে।
স্থানীয়রা জানান, স্থানীয় এক প্রবাসী মসজিদের জন্য একটি উন্নতমানের খাটিয়া দেন। এই খাটিয়া ফেরত দিয়ে দেন রাউজান পৌরসভা আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি আবদুল্লাহ আল মামুন। এছাড়া মসজিদের চলমান কাজ বন্ধ রাখার জন্যও শ্রমিকদের নির্দেশ দেন মামুন। এ নিয়ে এলাকাবাসীর সাথে বাক-বিতণ্ডা শুরু হয় এবং এক পর্যায়ে আবদুল্লাহ আল মামুন, তার সৎ ভাই সাইফ উদ্দিন খান সাবু ও তার ভাতিজা মো. রিদোয়ানের সাথে কাউন্সিলর এবং মসজিদ কমিটিদের মধ্যে ধাক্কাধাক্কি শুরু হয়।
এদিকে গুলি করার বিষয়টি অস্বীকার করেন কাউন্সিলর আলমগীর আলী।
রাউজান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুল্লাহ আল হারুন আজ বৃহস্পতিবার বলেন, কাউন্সিলর আলমগীর আলীসহ অভিযুক্ত সব আসামিকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। আমরা অভিযান চালিয়েছি। কিন্তু অভিযুক্ত আসামিরা পলাতক রয়েছে। বাড়িতে গিয়ে তাদের পাওয়া যায়নি।
রাউজানে দুই পক্ষের বিরোধে আহত-১
Developed By Muktodhara Technology Limited