শিরোনাম
ঢাকা ব্যুরো | ২১:০২, জানুয়ারী ২৯, ২০১৯
হৃদয়ের বাবা রমজানের বন্ধু ইয়াসিন।প্রায় একবছর আগে ১৫ হাজার টাকা সুদে লাগিয়েছিলেন রমজানের কাছে।রাজমিস্ত্রি আর অবসরে চা বিক্রি করে রমজান তার টাকা শোধ করে দিয়েছিলেন।ইয়াসীনের দাবী অনুযায়ী আরো ১৫ শ টাকা পাবে ইয়াসীন।কিন্তু রমজান সেই টাকা না দেয়ায় ইয়াসীন রমজানের শিশু সন্তান হৃদয় কে শনিবার কৌশলে কামরাঙ্গীর চর আলী নগরের বাসায় নিয়ে যায় হৃদয় বাড়িতে আসতে চাইলে ইয়াসীন রাতেই মুখ চেপে শ্বাসরুদ্ধ করে হত্যা করে হৃদয়কে। এরপর গত তিন দিনে লাশে পচন ধরলে সোমবার মধ্য রাতে বস্তাবন্দী করে রাস্তার পাশে ফেলে দেয়।লালবাগ থানার পুলিশের কাছে আটক ইয়াসীন শিশু হৃদয় কে হত্যার বিবরন দেয় এ ভাবেই।কামরাঙ্গীর চরের লাশ উদ্ধার হওয়া স্হানের এবং আশে- পাশের সিসি ফুটেজ থেকে পুলিশ ইয়াসীনের জড়িত থাকার সূত্র পায় এরপরই আটক এবং হত্যার দায় স্বীকার।লালবাগ থানার ওসি সুভাষ চন্দ্র জানান,বুধবার ডিএমপি'র মিডিয়া সেন্টারে বিস্তারিত জানানো হবে।
কামরাঙ্গীচরে উদ্ধারকৃত শিশু হৃদয়ের স্বজনদের আহাজারী
কামরাঙ্গীচরে শিশুর বস্তাবন্দী লাশ উদ্ধার
Developed By Muktodhara Technology Limited