শিরোনাম
জাহাঙ্গীর আলম, আনোয়ারা সংবাদদাতা | ১৮:৫৬, নভেম্বর ১৬, ২০১৯
চট্টগ্রামের আনোয়ারায় নিরাপত্তায় ও অপরাধ দমনে উপজেলা পরিষদের পক্ষ থেকে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে ৪৪ টি ক্লোজড সার্কিট (সিসি) ক্যামেরা স্থাপন করে। কিন্তু চালুর দুই মাসের মধ্যে বেশির ভাগ ক্যামেরার সংযোগ তার (অপটিক্যাল ফাইবার কেব্ল) চুরি এবং কর্তৃ পক্ষের অবহেলার ফলে এসব ক্যামেরা অচল হয়ে পড়ে। এর ফলে উপজেলায় চুরি ও অপরাধ বাড়ছে দিন দিন।
সূত্র জানায়, উপজেলা পরিষদ নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখে ২০১৭ সালে আনোয়ারার গুরুত্বপূর্ণ সড়ক ও স্থাপনা ঘিরে সিসি ক্যামেরা বসানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়। আনোয়ারা সদর,জয়কালীর হাট,ছাত্তার হাট, কালা বিবির দিঘির মোড়, সরকার হাট,বরুমচড়া রাস্তার মাথা, বরুমচড়া সেন্টার, চাতরী চৌমহনী বাজার,বন্দর সেন্টার,বটতলী রুস্তম হাট, জুঁইদন্ডি ও পারকী সৈকতসহ ১১ টি স্থানে ৪ টি করে মোট ৪৪ টি সিসি ক্যামেরা বসানো ও এসব ক্যামেরা তদারকের জন্য নিয়ন্ত্রণকেন্দ্র স্থাপনের কাজ শুরু করে। আধুনিক প্রযুক্তিসম্পন্ন ও রাত্রিকালীন ভিডিও ধারণে সক্ষম (নাইট ভিশন) এসব ক্যামেরা। কিন্তু বসানোর দুই মাসের মধ্যেই এসব ক্যামরা অচল হয়েপড়ে। ফলে উপজেলায় চুরি-ছিনতাই, মোটর সাইকেল চুরিসহ বিভিন্ন অপরাধ বেড়েই চলছে। গত দুই মাসে আনোয়ারার চাতরী , কালা বিবি দিঘির মোড়, বটতলী, বন্দর সেন্টারসহ বিভিন্ন এলাকা থেকে ১০ টি মোটর সাইকেল চুরি হলেও উদ্ধার হয়নি একটিও। গত ১৪ নভেম্বর চাতরী চৌমহনী বাজার থেকে বিকাল ৫ টায় স্থানীয় ছিরাবটতলী এলাকার আবদুল ওদুদের কাছ থেকে ২ লাখ ৩৩ হাজার টাকা ছিনিয়ে নেয় প্রতারক চক্র। এছাড়া চাতরী ,আনোয়ারা, বন্দর , বটতলী এলাকায় প্রতিনিয়ত অপরাধ ও সময় সময় অপহরনের ঘটনাও ঘটছে। গত তিন মাস আগে চাতরী চৌমহনী বাজার থেকে এক গার্মেন্টস কর্মীকে তুলে নিয়ে গণধর্ষণের মত ঘটনা ঘটেছে। এসব ঘটনায় জনমনে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। এলাকাবাসী ও স্থানীয় ব্যবসায়ীদের ধারণা এসব সিসি ক্যামরা সচল থাকলে এসব অপরাধ দমন ও অপরাধীদের সহজেই আইনের আওতায় আনা যেত।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার শেখ জোবায়ের আহমদ বলেন, উপজেলায় অপরাধ দমনে এ ক্যামরা বিশেষ ভূমিকা রাখবে। পুনরায় এসব ক্যামেরা সচল করার জন্য আমরা উদ্যোগ নিচ্ছি। অল্পদিনের মধ্যেই সচল হবে।
Developed By Muktodhara Technology Limited