শিরোনাম
মোঃ কামরুল ইসলাম মোস্তফা, চন্দনাইশ প্রতিনিধি | ২০:৪৪, এপ্রিল ১৪, ২০২১
চট্টগ্রামের চন্দনাইশে প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিয়ে রাতের আঁধারে চলছে উর্বরা জমির টপসয়েল কাটার মহোৎসব। মাটিখেকোরা উপজেলার সাতবাড়ীয়া, দোহাজারী, জামিজুরী, গাছবাড়ীয়া, বুলার তালুক, হাশিমপুর এলাকার বিভিন্ন বিল থেকে স্কেভেটর ভ্যাকু দিয়ে তিন ফসলি জমি ও ধানী জমির মাটি কাটার মহোৎসব চালালেও রাতের আঁধারে মাটি কাটায় বিপাকে পড়েছে বলে জানান প্রশাসন।
উপজেলার বিভিন্ন বিল ঘুরে এলাকাবাসীর সাথে কথা বলে জানা যায়, কয়েকটি মাটিখেকো চক্র রাতের আঁধারে মাটি কেটে লাখ লাখ টাকার বানিজ্য করে যাচ্ছে। এতে ফসলি ও ধানি জমির ব্যাপক ক্ষতি হচ্ছে বলে জানান এলাকাবাসীরা।
মাটি খেকো চক্রটি প্রভাবশালী ও উচ্ছৃঙ্খল প্রকৃতির লোক হওয়ায় কেউ ভয়ে মুখ খুলতে পারছেনা বলে জানান স্থানীয়রা। ফলে অনেকের জমি থেকে মালিককে না বলে মাটি চুরি করে কৃষকের ব্যাপক ক্ষতি করছে বলেও জানা গেছে। মাটিখেকোরা উপজেলার সাতবাড়ীয়াসহ বিভিন্ন বিলের ধানি জমি থেকে স্কেভেটর ভ্যাকু দিয়ে মাটি কেটে পুকুরে পরিনত করেছে।
রাতের আধাঁরে মাটি কেটে প্রতিনিয়ত ইটভাটা, পুকুর ভরাট, ভিটে বাড়ি ভরাট করার কাজে ব্যবহার করছে। স্থানীয়রা অভিযোগ করেন মাছ্যা দিঘীর জমিতে মাটি কাটা নিয়ে রাতে দু'পক্ষ মারামারির ঘটনা ঘটার নজিরও রয়েছে। ফসলি জমি রক্ষা করতে এলাকার সচেতন মহল ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সুদৃষ্টি কামনা করেন।
এ ব্যাপারে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে চন্দনাইশ উপজেলা নির্বাহী অফিসার ইমতিয়াজ হোসেন বলেন, "মাটি কাটার ব্যাপারে আমাদের কাছে সুনির্দিষ্ট কোনো তথ্য নেই। মাটি কেটে সাধারণত ইটভাটাগুলোতে নেয়া হলেও সম্প্রতি পরিবেশ অধিদপ্তরের অভিযানে বেশ কিছু ইটভাটা ধ্বংস করা হয়েছে। বাকিগুলো বন্ধ আছে। এ বিষয়টি আমাদের জন্য ইতিবাচক। মাটি কাটার ব্যাপারে সুনির্দিষ্ট কোনো তথ্য পেলে প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।"
Developed By Muktodhara Technology Limited