শিরোনাম
মো.জাহাঙ্গীর আলম, আনোয়ারা প্রতিনিধি | ১৪:১২, মে ৯, ২০২১
চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলার বিভিন্ন হাট-বাজার ও শপিংমলে জমে উঠেছে কেনাকাটা। হাজার হাজার নারী পুরুষ ও শিশু ভিড় করছে প্রতিটি দোকানেÑশপিং মলে। তবে সরকার কিছু শর্ত দিয়ে দোকান-শপিং মল খোলার নির্দেশনা দিলেও সরকারের স্বাস্থ্যবিধি মানার কোন লক্ষ্যন দেখা যায়নি। ব্যবসায়ীদের দাবী স্বাস্থ্যবিধি মানতে ক্রেতা নারাজ। এদিকে মালামাল কিনতে গিয়ে দোকান গুলোতে একবারে হুমড়ি খেয়ে পড়ছেন ক্রেতারা। এতে করে উপজেলায় করোনা ঝুঁকি বেড়ে যাবার সম্ভাবনা রয়েছে বলে মনে করছেন সচেতন মহল।
সরেজমিন গিয়ে দেখা যায়, ঈদ সামনে রেখে উপজেলার বটতলী হাজী ইমাম শপিং সেন্টার, বন্দর ইত্যাদি শপিং সেন্টার, জয়কালী হাট বাজার, আনোয়ারা সদরের দিপু মনি শপিংমল, চাতরী ওয়ান মাবিয়া সিটি সেন্টার, আমিন কমপ্লেক্স ও আবুল হোসেন মার্কেট গুলোতে ছিল ক্রেতাদের ভিড়। ক্রেতারা সামাজিক দূরত্ব মোটেই মানছেন না। সচেতনতার প্রকট অভাব দেখা গেছে ক্রেতাদের মধ্যে। পরিবারের একেবারে ছোট সদস্যকে নিয়েও শপিংমল গুলোতে ঘুরছেন তারা।
তবে ব্যবসায়ীরা বলছে, তারা পর্যাপ্ত সুরক্ষা ব্যবস্থা নিয়েছে। উপজেলা প্রশাসন থেকে দেয়া হয়েছে দিক নির্দেশনাও। ক্রেতাদের দূরত্ব বজায় রেখে কেনাকাটা করতে অনুরোধ করলেও তারা শুনছেন না। অবশ্য সেসব নির্দেশনা মনিটরিং করতে দেখা যায়নি উপজেলা প্রশাসন বা থানা পুলিশকেও।
কয়েকজন ক্রেতার সাথে কথা বলে জানাযায়, পরিবারের সদস্যদের আবদার মেটাতে ঈদের বাজারে আসা। প্রচন্ড ভিড়ে কারও পক্ষেই স্বাস্থ্যবিধি বা সামাজিক দূরত্ব মানা সম্ভব হচ্ছে না। ঈদে নিজেদের জন্য না হলেও বাচ্চাদের জন্য নতুন জামা-কাপড় কিনতে হবে। ঝুঁকি থাকলেও ঝুঁকি নিয়ে বাজারে এসেছেন তারা।’
আনোয়ারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা ডা. আবু জাহিদ মুহাম্মদ সাইফুদ্দিন জানান, ঈদের কেনাকাটায় অধিক ভিড়ের কারণে করোনা সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়তে পারে।
এবিষয়ে আনোয়ারা উপজেলা নির্বাহী অফিসার শেখ জোবায়ের আহমেদ বলেন, ‘উপজেলার বিভিন্ন শপিংমল ও মার্কেটের ব্যবসায়ীদের উপজেলা প্রশাসন থেকে দিক নির্দেশনা দেয়া হয়েছে । বিধি নিষেধ জোরদার করার জন্য প্রশাসন মনিটরিং করছে।
Developed By Muktodhara Technology Limited