শিরোনাম
চন্দনাইশ প্রতিনিধি | ২০:১৭, জুলাই ৮, ২০২১
বৈশ্বিক মহামারি করোনা ভাইরাসের ঊর্ধ্বমুখী সংক্রমণ সামাল দিতে গত ৩০ জুন (বুধবার) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে সারাদেশে ১ জুলাই থেকে ৭ দিনের লকডাউন দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। সংক্রমণের বর্তমান পরিস্থিতি বিবেচনায় পূর্বের সকল বিধি-নিষেধ ও কার্যক্রমের ধারাবাহিকতায় ৭ জুলাই মধ্যরাত থেকে ১৪ জুলাই রাত ১২টা পর্যন্ত বিধি-নিষেধ আরোপের সময়সীমা বর্ধিত করে গত ৫ জুলাই মন্ত্রীপরিষদ বিভাগ থেকে আরেকটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।
জনস্বার্থে লকডাউন ঘোষণার পর থেকে মাঠপর্যায়ে লকডাউন বাস্তবায়নে কঠোর অবস্থানে রয়েছে চন্দনাইশ উপজেলা প্রশাসন। গত ১জুলাই থেকে ৭ জুলাই পর্যন্ত দিন-রাত সমানতালে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেছেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার সাদিয়া ইসলাম ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) মাহফুজা জেরিন।
এরই ধারাবাহিকতায় লকডাউনের অষ্টম দিন বৃহস্পতিবার (৮ জুলাই) সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত উপজেলার দোহাজারী পৌরসভা সদর, গাছবাড়িয়া কলেজ গেইট ও বাদামতল এলাকায় চন্দনাইশ উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সাদিয়া ইসলাম ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে স্বাস্থ্যবিধি না মানা ও লকডাউনের বিধি নিষেধ লঙ্ঘন করায় ৫টি মামলায় ৫ জনকে ১২ হাজার ৯’শ টাকা জরিমানা করেন।
এর আগে গত বুধবার (৭ জুলাই) সন্ধ্যা ৬ টা থেকে রাত সাড়ে ৮টা পর্যন্ত উপজেলার রৌশনহাট, বাদামতল, বাগিচাহাট ও চন্দনাইশ পৌরসভা সদরে অভিযান চালিয়ে স্বাস্থ্যবিধি না মানা ও লকডাউনের বিধি নিষেধ লঙ্ঘন করায় ৯টি মামলায় ৯ জনকে ৩হাজার ৯শ টাকা জরিমানা করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সাদিয়া ইসলাম।
Developed By Muktodhara Technology Limited